ক্লিন্ট ইস্টউড : ৯২ তেও হার না মানা মহানায়ক
ক্লিন্ট ইস্টউড আসলে এখন আর শুধু ব্যক্তির নামও নয়, এটা একটা স্কুলের নামও। যে স্কুলের ছাত্ররা এখন হলিউডে মারদাঙ্গা ওয়েস্টার্ন ছবি বানায়।
আমাদের এদিকটায় সিনেমার নায়ক হওয়ার একটা বয়স লাগে। বয়স পয়ত্রিশ ছাড়ালেও বহু কষ্টে তাকে ভার্সিটির ছাত্র বানিয়ে দেয়া হয়। এদিক দিয়ে বয়সের বেড়ামুক্ত হলিউড। নায়কসুলভ গাম্ভীর্যটা আসতে আসতেই পঞ্চাশ পেরিয়ে যায়। তার আগ পর্যন্ত সবাই ছোকড়া। তো, যাকে নিয়ে এ লেখা তার ভূমিকায় আসলে নতুন করে রাজা-বাদশাদের মতো লম্বাচড়া বিশেষণ দরকার নেই। তিনি ক্লিন্ট ইস্টউড । যার নামের আগে পরে কণা পরিমাণ বিশেষণেরও দরকার নেই। ধরুন, এ লেখাটা যদি মিস্টার এক্স নামের একজন ওয়েস্টার্ন ছবির পরিচালককে নিয়ে হতো, তখন বলা যেত, মিস্টার এক্সের মধ্যে ক্লিন্ট ইস্টউডের ছায়া দেখতে পাচ্ছি আমরা।
ক্লিন্ট ইস্টউড আসলে এখন আর শুধু ব্যক্তির নামও নয়, এটা একটা স্কুলের নামও। যে স্কুলের ছাত্ররা এখন হলিউডে মারদাঙ্...














