Health and Lifestyle Archives - Page 78 of 147 - Mati News
Tuesday, February 24

Health and Lifestyle

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয় হঠাৎ প্রেসার কমে যাওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হলো অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা ইত্যাদি। প্রেসার কমলে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড়, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হতে দেখা দেয়। তাই প্রেসার কমে গেলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। ১. স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন। ২. ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনাপাতা বেটে এতে মধু মিশিয়ে পান করলে কাজে দেবে। ৩. লবণে আছে সোডিয়াম, যা রক্তচাপ বাড়ায়। তব...
পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস

পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস

Cover Story, Health and Lifestyle
ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস মাহবুবা চৌধুরী পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে স্বাভাবিক ওজন রক্ষা আর সুস্থ শরীরের অধিকারী হওয়া যায়। এ জন্য কিছু করণীয় হলো— ► সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চলুন, যাতে পর্যাপ্ত কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড ও ফাইবার, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন এবং কম ফ্যাট থাকে। ► আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখুন। ► সব ধরনের চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ► প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ ফল ও শাকসবজি খান। ► অসময়ে খিদে পেলে স্বাস্থ্যসম্মত স্ন্যাক্স খান। ► দুপুর ও রাতের খাবারের মধ্যে অথবা খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি, টোস্ট বিস্কুুট, মৌসুমি ফল, ফলের রস, সবজির রস কিংবা সিদ্ধ শাকসবজি বা সালাদ খেতে পারেন। ► হেলদি ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, সফট ড্রিংকস ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। যেকোনো ধরনের কোমল পানীয় মোটা ...

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফজলুল কবির পাভেলের পরামর্শ : স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফজলুল কবির পাভেল বললেন, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক আলাদা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক সম্পূর্ণ ভিন্ন রোগ। স্ট্রোক মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ এবং হার্ট অ্যাটাক হূদপিণ্ডের রোগ। অথচ অনেক সময় স্ট্রোক হলেও রোগীকে দ্রুত হূদরোগ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে মূল্যবান সময় ও অর্থের অপচয় হয়। অথচ হার্ট অ্যাটাক হলে হূদরোগ বিশেষজ্ঞ, আর স্ট্রোক হলে ম্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে চিকিৎসার জন্য। স্ট্রোক : কোনো কারণে মস্তিষ্কের নার্ভকোষে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা রক্তনালি বন্ধ হয়ে গেলে (প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে) অথবা ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। তবে আঘাতজনিত কারণে কখনো স্ট্রোক হয় না। হার্ট অ্যাটাক : হূদপিণ্ডের কোষে রক্ত সরবরাহ না পেয়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়াই হার্ট অ্যাটাক। একিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন এবং আনস্ট্র্যাবল অ্যানজাইনায় এ রকম জটিল অবস্থা তৈরি হয়। ...
আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয়

আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির কারণে চোখ স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে রোগীর চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা সম্ভব। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম নজরুল ইসলাম ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি   দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণেই বেশিরভাগ ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী   চোখের পেছনে স্নায়ু দ্বারা তৈরি পর্দা রেটিনা, যা দৃষ্টির জন্য অপরিহার্য। বস্তু থেকে আলোকরশ্মি চোখের ভেতরে ঢুকে ওই বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনায় পড়ে বলেই দৃশ্যটি দেখা যায়। রেটিনা হলো চোখের সবচেয়ে সংবেদনশীল পর্দা, যাতে সামান্য সমস্যা হলেই দৃষ্টি কমে যেতে প...
খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ  মাহবুবা চৌধুরী

খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী

Cover Story, Health and Lifestyle
খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী ভুল-১ : খালি পেটে ফল খেলে গ্যাস হয়। শরীর সুস্থ রাখতে ফল খাওয়া জরুরি। নিয়মিত ফল খেলে শরীরের ভেতর জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যায়। বেশির ভাগ ফলে থাকা ভিটামিন ‘সি’, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়। পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টি ঘাটতির সমস্যা দূর করে। অনেকের ধারণা, খালি পেটে ফল খেলে এসিডিটির সমস্যা হয়—এটি ভুল ধারণা। গবেষণায় দেখা গেছে, ফল খাওয়ার পর এসিড হওয়ার কোনো আশঙ্কা তো থাকেই না; বরং শরীরে এসিড ও অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য সঠিক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি খালি পেটে ফল খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ শরীর সতেজ ও কর্মক্ষম রাখে। তবে প্রতিদিন স...
আল-রাজি হাসপাতালের চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ : ত্বকের সুস্থতার জন্য যা করবেন

আল-রাজি হাসপাতালের চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ : ত্বকের সুস্থতার জন্য যা করবেন

Cover Story, Health and Lifestyle
আল-রাজি হাসপাতালের চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ : ত্বকের সুস্থতার জন্য যা করবেন কিছু নিয়ম মানলে ত্বক সুস্থ রাখা যায়। এ জন্য কিছু করণীয় হলো— সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলুন ►   ভালো মানের সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন। ►   রোদে যাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে একটু পুরু করে তা মেখে নিন। প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর আবার মাখুন। ধুয়ে গেলে বা ভিজে গেলে আবার মাখুন। ►   সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রোদ এড়ানোর চেষ্টা করুন। ►   এমন কাপড় পরিধান করুন, যাতে সূর্যরশ্মি সরাসরি গায়ে না লাগে। ত্বকের সুস্থতার জন্য ধূমপান বর্জন করুন ►   বলিরেখার জন্য ধূমপান অনেকাংশেই দায়ী। ►  ত্বকের রক্তনালি সরু করে বলে ত্বক পরিপূর্ণভাবে অক্সিজেন ও খাবারের উপাদানগুলোও কম পায়। ফলে ত্বক বুড়িয়ে যায়, গ্ল্যামার হারায় ও বলিরেখা তৈরি হয়। ►   ধূমপান ত্বকের কোলাজেন এবং ইলাস্টিন কোষকেও ধ্...
ল্যাবএইড হাসপাতালের হরমোন ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলাম রাজনের পরামর্শ : উচ্চ কোলেস্টেরল-এর কিছু কারণ ও করণীয়

ল্যাবএইড হাসপাতালের হরমোন ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলাম রাজনের পরামর্শ : উচ্চ কোলেস্টেরল-এর কিছু কারণ ও করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
ডা. রাজিবুল ইসলাম রাজনের পরামর্শ : উচ্চ কোলেস্টেরল-এর কিছু কারণ ও করণীয় শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। উচ্চ কোলেস্টেরলের জন্য বেশি দায়ী কিছু কারণ হলো— উচ্চ কোলেস্টেরল অস্বাস্থ্যকর খাদ্য খাদ্যতালিকায় চর্বিযুক্ত খাবার যেমন—লাল মাংস, মাখন, পনির, ঘি ইত্যাদি খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো।   বংশগত কারণ যাদের উচ্চ কোলেস্টেরলের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। কারণ তাদের উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে।   অতিরিক্ত ওজন স্থূলতা বা মাত্রাতিরিক্ত ওজন উচ্চ কোলেস্টেরলের অন্যতম কারণ।   অলসতা অনেকে সারা দিন তেমন শারীরিক পরিশ্রম করেন না। শুয়ে-বসে কাটিয়ে দেন বেশির ভাগ সময়। এভাবে চললে শরীরের ওজন বেড়ে যায় আর উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকিও থাকে অনেক ব...
ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তৌহিদুল ইসলামের পরামর্শ : পাইলস সমস্যায় করণীয়

ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তৌহিদুল ইসলামের পরামর্শ : পাইলস সমস্যায় করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
 ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তৌহিদুল ইসলামের পরামর্শ : পাইলস সমস্যায় করণীয় মূলত মলদ্বারের রক্তনালির সমস্যা পাইলস। মলদ্বারের রক্তনালি যখন ফুলে আঁকাবাঁকা হয়ে যায় এবং রক্তনালি ও মলদ্বারের দেয়ালের মধ্যবর্তী বন্ধন যখন দুর্বল হয়ে নিচের দিকে ঝুলে পড়ে, তখনই পাইলস দেখা দেয়। অনেকে মনে করেন, পাইলস থেকে মলদ্বারে ক্যান্সার হতে পারে; কিন্তু সাধারণত তা হয় না। লিখেছেন ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম   পাইলসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে হেমোরয়েড। মলদ্বারের নিচের অংশে এক ধরনের রক্তের গুচ্ছ—যেটা ফুলে আঙুরের মতো হয়। তখন মলত্যাগ করলে বা মলত্যাগ না করলেও সেখান থেকে প্রায়ই রক্তপাত হয়।   প্রক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে শক্ত মলত্যাগের ফলে মলদ্বারের রক্তনালিগুলো যে পেশির সাহায্যে মলদ্বারে...
গাড়িতে চড়লেই বমি পায়? দূর করুন এই ভাবে

গাড়িতে চড়লেই বমি পায়? দূর করুন এই ভাবে

Cover Story, Health and Lifestyle
গাড়িতে চড়লেই বমি পায়? দূর করুন এই ভাবে ভ্রমণে যেমন অনেকের আনন্দ, তেমনি কারও কারও  আবার ভ্রমণের কথা শুনলেই অস্বস্তিতে পেয়ে বসে। কারণ হলো ভ্রমণে গাড়িতে চড়লেই তাদের মাথা ঘোরা, বমি ভাব দেখা দেয়। জেনে নিন এ ধরনের সমস্যা কমিয়ে আনার কিছু  দারুণ উপায়: তাজা লেবুর গন্ধ নিমেষে গা গোলানো কমিয়ে দিতে পারে। কাঁচা লেবু চুষে খেলে হজমে সাহায্য করবে,  বমিভাবও কেটে যাবে। আদা যে শুধু হজমে সাহায্য করে তা নয়, গা গোলানো, বমিভাব কাটিয়ে দেয়। মুখে রাখুন আদা কুচি। আকুপাংচার এবং আকুপ্রেশারেও বমিভাব দূর করতে এই জায়গাটির ব্যবহার করা হয়। আপনার মধ্যমা এবং তর্জনী দিয়ে অথবা বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কবজির প্রেশার পয়েন্টে চাপ দিন। কবজির ভাঁজ থেকে দুই ইঞ্চি ওপরে দুই টেন্ডনের মাঝে চাপ প্রয়োগ করুন এভাবে। কাঁচা আপেলের মধ্যে থাকা চিনি অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। গা গোলাতে শুরু করলে আস্তে আস্তে কামড়ে খেত...
ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান কল্লোলের পরামর্শ : হাঁটু মচকে গেলে যা করবেন

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান কল্লোলের পরামর্শ : হাঁটু মচকে গেলে যা করবেন

Cover Story, Health and Lifestyle
ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান কল্লোলের পরামর্শ : হাঁটু মচকে গেলে যা করবেন ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল শরীরের ওজন বহনকারী জয়েন্টগুলোর মধ্যে হাঁটু অন্যতম, যা  তিনটি হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত। হাঁটুতে চারটি প্রধান লিগামেন্ট ও দুটি মেনিসকাস থাকে। লিগামেন্ট হলো ইলাস্টিক টিস্যু, যা একটি হাড়কে অন্য হাড়ের সঙ্গে যুক্ত করে, জয়েন্টে শক্তি প্রদান করে, হাড়ের নড়াচড়ায় অংশগ্রহণ করে এবং জয়েন্টের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। মেনিসকাস ঊরুর হাড় থেকে পায়ের হাড়ে শরীরের ওজন সমভাবে সরবরাহ করে, হাড়ের প্রয়োজনীয় নড়াচড়ায় সহায়তা করে এবং জয়েন্টের দৃঢ় অবস্থা বজায় রাখে। বসতে, দাঁড়াতে, হাঁটতে, দৌড়াতে, ওপরে উঠতে ও নামতে গেলে অনেক সময় হাঁটু মচকায়। তখন হাঁটুর লিগামেন্ট ও মেনিসকাস ইনজুরি হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে লিগামেন্ট বিকৃতি হতে পারে কিংবা আংশিক বা সম্পূর্ণ ছিঁড়ে ...
পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্নার পরামর্শ : মেনে চলুন সঠিক খাদ্যাভ্যাস

পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্নার পরামর্শ : মেনে চলুন সঠিক খাদ্যাভ্যাস

Cover Story, Health and Lifestyle
মেনে চলুন সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া হয়ে ওঠে না আমাদের অনেকের। কিন্তু খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম-কানুন মানার দরকার আছে বৈকি। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা শাখার পুষ্টিবিদ উম্মে সালমা তামান্না ►   সকালে নাশতা কখনোই বাদ দেবেন না। সকালে বের হওয়ার আগে তৃপ্তিসহকারে খান, কাজে বল পাবেন। সকালের পর মানুষ কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ে বলে তখন ভারী খাবার খাওয়া উচিত। ►   দুপুরে পেট ভরে খাওয়া নয়; বরং মাঝারি মাপে খাবার খান। ►   রাতে শোয়ার দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে হালকা খাবার খাওয়া ভালো। সহজে হজম হয় এবং পাকস্থলীর বিশ্রামে সহায়ক এমন খাবার রাতে খাওয়া উচিত। ►   খেতে খেতে বেশি পানি পান করলে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট পর পানি পান করা উচিত। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। মেনে চলুন সঠিক খাদ্যাভ্যাস ►  ...
বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. রাশিদুল হাসান বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগ সিওপিডি

বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. রাশিদুল হাসান বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগ সিওপিডি

Cover Story, Health and Lifestyle
বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. মো. রাশিদুল হাসান বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগ সিওপিডি   শ্বাসনালির প্রদাহজনিত রোগ সিওপিডি একবার কারো হলে তাকে ধীরে ধীরে অবনতির দিকে নিয়ে যায়, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট বাড়ায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটায়। পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য রোগ না হলেও সঠিক চিকিৎসায় সিওপিডির উপসর্গ প্রশমিত করাসহ অসুখের গতি কিছুটা হ্রাস করা যায়। লিখেছেন জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক, ইনজিনিয়াস হেলথকেয়ার লিমিটেডের (পালমোফিট) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. রাশিদুল হাসান   ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডি হচ্ছে গুচ্ছ রোগ, যা ক্রনিক ব্রংকাইটিস, এমফাইসিমা ও ক্রনিক অ্যাজমা—এই তিনটির যেকোনো একটি, দুটি বা তিনটির সহাবস্থান। একসঙ্গে একে সিওপিডি বলে। এর ফলে শ্বাসনালির ভেতরের গ্রন্থিগুলো মাত্রাতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরি করে শ্বাসনালি সংকুচিত করে ফেলে। কখ...
মাছি থেকে খাবারে বিষক্রিয়া, মাছি তাড়াতে কী করবেন?

মাছি থেকে খাবারে বিষক্রিয়া, মাছি তাড়াতে কী করবেন?

Cover Story, Health and Lifestyle
মাছি থেকে খাবারে বিষক্রিয়া, মাছি তাড়াতে কী করবেন? রান্নাঘর হয়তো আপনার মনের মতো। সব সময় পরিষ্কারও রাখেন। তবে মাছির উৎপাত লেগেই আছে। রান্নাঘরে অনেক কিছুই আপনাকে রান্না করে রাখতে হয়। কিন্তু রান্না করা গরম খাবারের মধ্যে যদি মাছি পড়ে তবে কিন্তু সর্বনাশ। খাবারের চারপাশে যদি দেখেন মাছি ভনভন করছে, তবে কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার। মাছি ভনভন করে ঘুরে মুহূর্তের অস্বাস্থ্যকর ও খাবারও বিষাক্ত ছাড়াবে। গবেষকরা বলছেন, ঘরোয়া মাছি প্রায় ৩৫১ রকম জীবাণু বহন করে। মাছি পা, পায়ের পাতা এবং পাখার সাহায্যে এসব ব্যাকটেরিয়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় খুব দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। তাই মাছি যদি খাবারে বসে তবে পেটের রোগ থেকে বড় ধরনের বিষক্রিয়াও হতে পারে। তাই ঘরের মাছি তাড়ানো জরুরি। আসুন জেনে নেই মাছি তাড়াতে কী করবেন? ১.মাছি তাড়তে রান্নাঘরে ছোট পুদিনা পাতার গাছ লাগান। পুদিনা পাতার গন্ধে মাছি পালাবে। ...
হেপাটাইটিস ভাইরাস আক্রমণ সমন্ধে জানুনঃ সচেতন হোন

হেপাটাইটিস ভাইরাস আক্রমণ সমন্ধে জানুনঃ সচেতন হোন

Cover Story, Health and Lifestyle
হেপাটাইটিস ভাইরাস আক্রমণ সমন্ধে জানুনঃ সচেতন হোন প্রতি বছর ২৮ জুলাই সারা বিশ্বে  পালিত হয় ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানে ৫ ধরণের হেপাটাইটিসের কথা বলা হয়। হেপাটাইটিস-এ, বি, সি, ডি এবং ই। দিবসটির উদ্দেশ্য হচ্ছে সারাবিশ্বে হেপাটাইটিসের এ, বি, সি, ডি ও ই সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি,  রোগনির্ণয়,  প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা ৷   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আহ্বানে ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছরের ২৮ জুলাই সারাবিশ্বে এই দিবসটি পালন করা হয়। ঘাতক হেপাটাইটিস ভাইরাসের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয়।   হেপাটাইটিস হলো ভাইরাসজনিত লিভারের রোগ। হেপাটাইটিসের সবকটি প্রকারেরই অস্তিত্ব বাংলাদেশে রয়েছে। তবে, সব ধরণের হেপাটাইটিস প্রাণঘাতী নয়। প্রাণঘাতী হচ্ছে হেপাটাইটিস বি এবং সি ভাইরাসের সংক্রমণ। অন্যদিকে,  হেপাটাইটিস এ ...
যেসব খাবার লিভার পরিস্কার রাখে

যেসব খাবার লিভার পরিস্কার রাখে

Cover Story, Health and Lifestyle
যেসব খাবার লিভার পরিস্কার রাখে অনেক কারণেই লিভারের সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত অথবা ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার খেলে, পরিবেশ দূষণ কিংবা মানসিক  চাপের কারণে লিভারের ওপর চাপ পড়ে। তখন লিভারকে বেশি কাজ করতে হয়। যখন এটি অতিরিক্ত কাজ করে তখন লিভার আর শরীর থেকে টক্সিন বা বিষক্রিয়া বের করতে পারে না। ধীরে ধীরে এখানে চর্বি জমতে থাকে। কিছু খাবারে আছে যা প্রাকৃতিকভাবে লিভার পরিষ্কার করতে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। আর লিভার সুস্থ থাকলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গও ঠিকমতো কাজ করে। লিভার পরিস্কার রসুনের এমন কিছু উত্তেজক উপাদান আছে যা শরীর থেকে টক্সিন বের করে লিভারের কার্যক্ষমতা বজায় রাখে। জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা প্রাকৃতিকভাবে লিভার পরিষ্কার করায় ভূমিকা রাখে। এছাড়া কমলা, লেবু, বাতাবিলেবু লিভারের জন্য দারুণ কার্যকরী।...