Health and Lifestyle Archives - Page 86 of 147 - Mati News
Sunday, March 22

Health and Lifestyle

তোকমার ৭ গুণ জেনে রাখুন

তোকমার ৭ গুণ জেনে রাখুন

Cover Story, Health and Lifestyle
  তোকমার ৭ গুণ জেনে রাখুন ছোট কালো রঙের একটি বীজ তোকমা, যা মূলত বিভিন্ন মিষ্টি পানীয় কিংবা শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও তোকমা বীজ অন্যতম একটি উপাদান। এটি স্থানভেদে সবজা বীজ, মিষ্টি বাসিল, ফালুদা বীজ কিংবা তুর্কমারিয়া বীজ হিসেবে পরিচিত। বহু গুণ রয়েছে বীজটির। ১. ওজন কমাতে দেহের ওজন কমাতে এ বীজের জুড়ি নেই। পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলেই বীজটি ফুলে ওঠে। এরপর সেই পানি কিংবা নানা মসলা দিয়ে তা সুস্বাদু করে পান করা যায়। তোকমার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ ছাড়া এর নানা উপাদান দেহের চর্বি কমাতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা বাড়তি ক্ষুধা দূর করে এবং পেট দীর্ঘক্ষণ পরিপূর্ণ থাকার অনুভূতি দেয়। ২. দেহের তাপ কমায় তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে। এটি সুস্বাদু করার জ...
পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : কর্টিসল হরমোনের সমতা রক্ষায় খাদ্য

পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : কর্টিসল হরমোনের সমতা রক্ষায় খাদ্য

Cover Story, Health and Lifestyle
কর্টিসল হরমোনের সমতা রক্ষায় খাদ্য মাহবুবা চৌধুরী স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলোর একটি হলো ‘কর্টিসল’। এটি এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, যাকে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ হরমোনও বলে। দেহের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিকভাবে কোনো সমস্যা হলে এই হরমোন তৈরি হয়ে স্বাভাবিক ভারসাম্য ঠিক রাখে। কর্টিসল রক্তের গ্লুকোজের সমতা বজায় রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, পরিপাকক্রিয়া চলমান রাখা, ঘুমচক্র ঠিক রাখাসহ দেহে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন সঠিকভাবে ব্যবহার হতে সহযোগিতা করে। এ ছাড়া মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বর্ধনে সহায়তা, দেহের অভ্যন্তরে প্রদাহজনিত সমস্যা, হাড়ের ক্ষয় ইত্যাদি রোধ করে।   সমতা বজায় রাখা জরুরী কর্টিসল নামক এই স্টেরয়েড হরমোন অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে বা অতিমাত্রায় কমে গেলে দেহে নানা সমস্যা তৈরি হয়। অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচা...
পিজি হাসপাতালের  রেসপিরেটরি  মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল অসুখ আইএলডি

পিজি হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল অসুখ আইএলডি

Cover Story, Health and Lifestyle
পিজি হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন বললেন, শ্বাসতন্ত্রের জটিল অসুখ আইএলডি ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজ বা আইএলডি হলো ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী প্রায় ২০০ রোগের সমাহার। এর ফলে রোগীরা তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগে। ক্রমান্বয়ে জটিলতার দিকে যেতে থাকে। তবে শুরুতে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা যায়। লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরেটরি  মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন শ্বাসতন্ত্রের জটিল অসুখ আইএলডি ফুসফুসের বায়ুথলির চারদিকের শূন্যস্থান ও টিস্যুর (যেমন—এথভিউলার এপিথেলিয়াম, ক্যাপিলারি এনডোথেলিয়াম, বেসমেন্ট মেমব্রেন ইত্যাদি) সমন্বয়ে অসংখ্য জালের মতো নেটওয়ার্ক রয়েছে, যাকে বলে ইনটেস্টিটিয়াম। এই ইনটেস্টিটিয়াম অতি সূক্ষ্ম বায়ুকণা ধারণ করতে পারে। ভেতরে থাকা রক্তপরিবাহী নালির মাধ্যমে বাতাস থেক...
ইউনিভার্সেল হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. ফারহানা ইসলাম বললেন, চাই নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন

ইউনিভার্সেল হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. ফারহানা ইসলাম বললেন, চাই নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন

Cover Story, Health and Lifestyle
চাই নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন ডা. ফারহানা ইসলাম কম ঝুঁকিপূর্ণ রক্তদাতা থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে যে রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয়, তাকে নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন বলে। এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলেও অনেকে এ বিষয়ে অবগত নয়। সাধারণত কম ঝুঁকিপূর্ণ রক্তদাতা নির্বাচন ও রক্ত সংগ্রহ, সব রক্তপরিসঞ্চালন কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস—এই পাঁচটি স্ক্রিনিং করা, অপ্রয়োজনে রক্ত পরিসঞ্চালন না করা এবং রক্তের সঠিক ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন কৌশল।   রক্তদাতার যোগ্যতা কেউ রক্ত দিতে চাইলে তার বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৬০ বছর, ওজন ন্যূনতম ৫০ কেজি, নাড়ির গতি ৬০-১০০, হিমোগ্লোবিন কমপক্ষে ১২.০ গ্রাম/ডিএল (৭৫ শতাংশ) পুরুষ এবং ১১.৫ গ্রাম/ডিএল (নারী)। তাপমাত্রা ৯৭-৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট, স্বাভাবিক রক্তচাপ (ওষুধ বা...
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান  ডা. আবিদ হোসেন মোল্লার পরামর্শ : শিশুদের ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসা ও করণীয়

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আবিদ হোসেন মোল্লার পরামর্শ : শিশুদের ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসা ও করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আবিদ হোসেন মোল্লার পরামর্শ : শিশুদের ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসা ও করণীয়   টাইপ-১ ডায়াবেটিসের প্রধান চিকিৎসা ইনসুলিন গ্রহণ বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও ডায়াবেটিস হয়। মূলত এটা টাইপ-১ ডায়াবেটিস। দিন দিন এর প্রকোপ বাড়ছে। তবে সময়মতো রোগ ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে শিশুটি সুস্থ থাকে। লিখেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা ও শিশু হরমোন বিভাগের প্রধান ডা. ফৌজিয়া মোহসিন   ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিক ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। এর মধ্যে ১৭ হাজারের বেশি শিশু টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে ভুগছে।   টাইপ-১ ডায়াবেটিস কী? আমাদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে। যদি কোনো কারণে এই বিটা সেল থেকে ইনসুলিন উৎপাদন না...
আল-রাজী হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ :  চিকিৎসা নিলে ব্রণের সমস্যা এড়ানো যায়

আল-রাজী হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ : চিকিৎসা নিলে ব্রণের সমস্যা এড়ানো যায়

Cover Story, Health, Health and Lifestyle
আল-রাজী হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসানের পরামর্শ : চিকিৎসা নিলে ব্রণের সমস্যা এড়ানো যায়   যৌবনের অবাঞ্ছিত একটি সমস্যা ব্রণ। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর ব্রণের প্রভাব বিরক্তির কারণ বটে। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে ব্রণের সমস্যা এড়ানো যায়। লিখেছেন আল-রাজী হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসান ব্রণ প্রথম দেখা দেয় বয়ঃসন্ধির সময়। ছেলেদের ১৬ থেকে ১৯ বছর বয়সে ও মেয়েদের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে যেকোনো বয়সেই তা হতে পারে। ৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্রণ হওয়ার হার কমে যেতে থাকে। তবে অনেকের ৩০-৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থেকেই যায়। ব্রণ সাধারণত মুখে দেখা গেলেও পিঠে, ঘাড়ে ও বুকেও হতে পারে।   কারণ ত্বকে অনেক সিবাসিয়াস গ্রন্থি থাকে, যা থেকে সব সময় সিবাম নামক এক ...
হজমের সমস্যা সমাধানের ৬টি উপায়

হজমের সমস্যা সমাধানের ৬টি উপায়

Cover Story, Health and Lifestyle
  হজমের সমস্যা সমাধানের ৬টি উপায় হজমের সমস্যা কম-বেশি প্রায় সকলকেই ভুগতে হয়। কখনও বেশি খেয়ে ফেললে, তেলেভাজা বা মশলাদার খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কিছু দিন পর পরই হজমের সমস্যায় পড়তে হয় অনেককে। তবে কয়েকটি প্রাকৃতিক সহজ উপায় রয়েছে, যেগুলি হজমশক্তি বাড়িয়ে খুব সহজেই হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক... ১) হজমের সমস্যা কাটাতে হলে খাবার ভাল করে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। অনেকেই খাবার সামান্য চিবিয়েই গিলে ফেলেন। এতে হজমের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। খাবার যতোটা বেশি চিবিয়ে খাওয়া যায়, ততোই পাচক রস খাবারের সঙ্গে মিশে আপনার হজমে সাহায্য করবে। আরো পড়ুন : যৌন তৃপ্তি পুরোপুরি কীভাবে পেতে পারেন? ২) হজমের সমস্যা দূর করতে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার বেশি করে খান। আমাদের হজমশক্তি উন্নত করতে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত কার্যকর। ক্যালসিয়াম আমাদের পরিপাকতন্ত...
ক্যান্সার চিকিৎসায় গবেষকদের নতুন সাফল্য

ক্যান্সার চিকিৎসায় গবেষকদের নতুন সাফল্য

Cover Story, Health and Lifestyle
  ক্যান্সার চিকিৎসায় গবেষকদের নতুন সাফল্য ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে নতুন সাফল্যের খবর দিলেন যুক্তরাজ্যের গবেষকরা। একই সঙ্গে তাঁরা চিকিৎসার জন্য নতুন কিছু ধারণাও নিয়ে এসেছেন। গবেষকদের ভাষ্য, নতুন পদ্ধতিতে পুরো শরীরের জন্য ওষুধ না দিয়ে শুধু আক্রান্ত কোষগুলোর চিকিৎসা সম্ভব। সম্প্রতি এসংক্রান্ত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত হয়েছে। ওয়েলকাম স্যাংগার ইনস্টিটিউটের একটি দল ৩০ ধরনের ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৬০০ নতুন ধরনের ঝুঁকি নিরসন করা সম্ভব হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। বর্তমানে ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। আর এর প্রতিক্রিয়ায় পুরো শরীরেই কমবেশি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। গবেষকদের একজন ডা. ফিওনা বেহান। তাঁর মা ক্যান্সারে দুইবার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। প্রথম দফায় ডা. বেহানের মাকে যে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তাতে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি হয়। ফ...
যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে যে ৫টি খাবার

যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে যে ৫টি খাবার

Cover Story, Health, Health and Lifestyle
যৌন শক্তি বাড়াতে চান? সেটা তো আর টুক করে হয়ে যাবে না। কিছু না কিছু করতে হবে আপনাকে। না, না, ভয় পাবেন না। তেমন কিছু পরিশ্রমের কাজ করতে হবে না। যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে যে ৫টি খাবার নিয়ম করে কিছু জিনিস খেলেই বাড়বে আপনার কামশক্তি। শরীরে আসবে উত্তেজনার চোরাস্রোত। তাহলে আর দেরি না করে, ঝট জলদি জেনে নিন, কী কী নিয়ম করে খেলে, আপনি হতে পারেন, যথার্থ কামুক পুরুষ। তাহলে জেনে নিন নিচের পাঁচ খাবারের নাম। ১) বিট- হ্যাঁ, এখন বাজারে বিট-গাজর পেতে আপনার কোনও অসুবিধার কথা নয়। রোজই বাজারে পাবেন মেরুন আর কমলা রঙের এই দুই সবজি। তাই নিয়ম করে বাজার থেকে বিটটা রোজ কিনে আনবেন। আর অবশ্যই খাবেন। দেখবেন, বিছানাতেও আপনি আগের থেকে কত চনমনে। ২) তরমুজ - অবশ্যই তরমুজ খাবেন। এমনিতেই গ্রীষ্মকালে তরমুজ খেতে সকলেরই খুব ভাল লাগে। ফলটা দেখতে যেমন সুন্দর, গরমে শরীর ঠাণ্ডা করতেও এর তুলনা নেই...
যৌনতা সম্পর্কে ১১টি বাস্তব সত্য, যা অনেকেই জানেন না

যৌনতা সম্পর্কে ১১টি বাস্তব সত্য, যা অনেকেই জানেন না

Cover Story, Health, Health and Lifestyle
যৌনতা সম্পর্কে ১১টি বাস্তব সত্য, যা অনেকেই জানেন না হতে পারে বেশ কয়েক বছর ধরে যৌনজীবনটাকে উপভোগ করছেন আপনি। কিন্তু যৌনতা সম্পর্কে বেশ কয়েকটি সত্য তথ্য সম্পর্কে হয়তো ধারণাই নেই আপনার। এখানে জেনে নিন, সেক্স বিষয় সম্পর্কে ১১টি বাস্তব সত্য। মানুষের নানা ভুল ধারণা বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য তুলে ধরেন। ১. যৌনতা আকার কোনো বিষয় নয়। এটা এক ধরনের কাজ। দক্ষতার ওপর ভর করে উপভোগ্য হয়ে ওঠে যৌনতা। ২. দুটো কনডম একসঙ্গে ব্যবহার করা মানেই বেশি নিরাপত্তা নয়। ৩. প্রথমবার সেক্স করার সময় যদি কোনো গান বাজিয়ে পরিবেশটাকে রোমান্টিক করার চেষ্টা করেন, তবে ওই গানটি আজীবন আপনাকে তাড়া করে ফিরবে। ৪. নিয়মিত ধূমপান পুরুষের যৌনাঙ্গের আকার গড়ে এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। ৫. যৌনকর্মের পর নারীর দেহে পুরুষের শুক্রাণু টানা ৫ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে পারে। ৬. সেক্স না করা হলে ধীরে ধীরে পুরুষের যৌনাঙ্গের আ...
ভালোবাসার মানুষকে স্পর্শ করুন, দুজনই ভালো থাকবেন

ভালোবাসার মানুষকে স্পর্শ করুন, দুজনই ভালো থাকবেন

Cover Story, Health and Lifestyle
ভালোবাসার মানুষকে স্পর্শ করুন, দুজনই ভালো থাকবেন জন্মের পর শিশুর ইন্দ্রিয় প্রথম সাড়া দেয় অন্যের স্পর্শে। এই ভালোবাসার স্পর্শই মা ও শিশুর মধ্যকার সম্পর্ককে উন্নত করে, শিশুর মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। যখন আমরা বৃদ্ধ হই তখনও স্পর্শ আমাদের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বিদ্যমান রাখে। এই অনুভূতির ভিত্তিতে আমরা রোমান্টিক হই, সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে অবস্থান করি।   গবেষণা বলছে, স্পর্শের ফলে শরীরের পিটুইটারি গ্রন্থি হতে অক্সিটোসিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি 'লাভ' বা 'কাডল' হরমোন নামে পরিচিত। প্রতিদিনের স্পর্শ, অর্গাজমের সময় কিংবা শিশু জন্মদানের সময় এই হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি মানুষের মধ্যে আকর্ষণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মনস্তাত্ত্বিক স্থায়ীত্ব, বিশ্বাস এবং বিনোদনের মাত্রা উন্নয়নে ভূমিকা রাখে অক্সিটোসিন। এই হরমোন উদ্বেগ ও চাপ কমাতেও ভূমিকা রাখে বলে প্রমাণ পাওয়া গ...
ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে গ্রিন টি

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে গ্রিন টি

Cover Story, Health and Lifestyle
চা একটি জনপ্রিয় পানীয়। ঘরোয়া আড্ডায় ও সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে এককাপ চা। তবে চা যদি খেতেই হয় তবে গ্রিন টি খান। গ্রিন টি ওজন কমায়, শরীর ভালো রাখে ও রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গ্রিন টি কেন খাবেন? কেন গ্রিন টি গ্রিন টিতে রয়েছে ফ্লেভোনয়েড নামক একটি উপাদান, যা আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি এমন একটি শক্তিশালী উপাদান যা সব দিক থেকে শরীরকে চাঙ্গা রাখে। গ্রিন টি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া কেটেচিন নামেও একটি উপাদান থাকে এই চায়ে, যা ভিটামিন 'ই' ও 'সি'-এর থেকেও বেশি শক্তিশালী, যা শরীরে প্রবেশ করে একাধিক উপকার করে। তবে গ্রিন টির আরেকটি গুণের কথা আমরা অনেকেই হয়তো জানি না। গ্রিন টি নারীদের সুস্বাস্থ্যের জন্য বেশি প্রয়োজন। সাম্প্রতি অ্যান্টিক্যান্সার রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, সকালে নিয়মিত গ্রিন টি পানে নারীদের মাঝে ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রত...
নিকডু’র সাবেক পরিচালক, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শামীম আহমেদ বললেন, স্থূলতা যখন কিডনি রোগের কারণ

নিকডু’র সাবেক পরিচালক, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শামীম আহমেদ বললেন, স্থূলতা যখন কিডনি রোগের কারণ

Cover Story, Health and Lifestyle
স্থূলতা যখন কিডনি রোগের কারণ   নেফ্রাইটিস, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের মূল কারণ। তবে ধীরগতির কিডনি রোগ হওয়ার অন্যতম কারণ স্থূলতা। স্থূলতাজনিত কিডনি রোগ বর্তমানে পৃথিবীতে সুপ্ত মহামারির আকার ধারণ করেছে। এ নিয়ে লিখেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির (নিকডু) সাবেক পরিচালক, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ দেহে চর্বি জমা হয়ে মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ অধিক খাদ্য গ্রহণ। এ ছাড়া বংশগত কারণ, কর্ম সম্পাদনে ধীরগতি, নানা হরমোন, ওষুধের প্রভাব ইত্যাদিও দায়ী। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে হজমের পর কিছুটা চর্বিতে রূপান্তর হয়ে দেহে জমা হয়। এই অতিরিক্ত চর্বির কারণে স্থ্থূলতা তৈরি হয়, ওজন বৃদ্ধি পায়। তখন কিডনির ছাঁকনিকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এতে ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায়। একসময় দুটি কিডনিই বিকল হতে পারে। শুধু কিডনি রোগ নয়, ডায়াব...
ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. আমজাদ হোসেনের পরামর্শ : ককসিডাইনিয়া : মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে ব্যথা

ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. আমজাদ হোসেনের পরামর্শ : ককসিডাইনিয়া : মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে ব্যথা

Cover Story, Health and Lifestyle
ককসিডাইনিয়া : মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে ব্যথা মেরুদণ্ডের একেবারে শেষ প্রান্তে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। এর কারণে কোনো শক্ত জায়গায় বসাও অসম্ভব হয়ে যায়। মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করার জন্য এই অসুখটির নাম ককসিডাইনিয়া, যা বেশ ভোগায়। লিখেছেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন কোমরের ব্যথায় আক্রান্তদের এক ভাগেরও কম এই অসুখে আক্রান্ত হন। এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা পুরুষের চেয়ে নারীদের পাঁচ গুণ বেশি। সাধারণত ৪০ বছরের পর এই রোগ বেশি হয়। লক্ষণ ♦         কোমরের একেবারে শেষ প্রান্তে ব্যথা অনুভূত হয় ♦         শক্ত জায়গায় বসলে ব্যথা বাড়তে থাকে ♦         সাইকেল চালানো বা এ রকম কোথাও বসলে যেখানে সরাসরি পশ্চাদদেশে চাপ পড়ে, তাহলে ব্যথা বাড়ে ♦         কোষ্টকাঠিন্যের সময় ব্যথা বাড়ে ♦         অনেক সময় শারীরিক মিলনের সময় ব্যথা অনুভূত...
যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা অনুচিত

যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা অনুচিত

Cover Story, Health and Lifestyle
যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা অনুচিত খাবার ভালো রাখতে ফ্রিজই আমাদের ভরসা। রান্না করা খাবার হোক বা সবজি ফ্রিজ ছাড়া যেন সব অন্ধকার। কিন্তু জানেন কি, কিছু কিছু খাবার একেবারেই ফ্রিজে রাখা উচিৎ নয়। জেনে নিন সেই খাবারগুলো সম্পর্কে- পেঁয়াজ: ফ্রিজে পেঁয়াজ রাখা উচিত নয় অনেকেই জানেন। কারণ ফ্রিজের বদ্ধ জায়গায় ঠিকমতো বায়ু চলাচল হয় না। ফলে পেঁয়াজ পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। আলু-পেঁয়াজকে সবসময় বায়ু চলাচল করে এমন জায়গায় রাখা উচিত। কলা: কলাও কিন্তু রয়েছে এই তালিকায়। ফ্রিজের ঠাণ্ডায় কলা পাকতে পারে না। ফলে কলা পচতে শুরু করে দ্রুত। হয়ে যায় কালোও। তাই কলা বাইরের খোলা হাওয়াতেই রাখুন। আপেল: আপেলের ক্ষেত্রেও তাই। যদিও অনেকেই আপেল ফ্রিজেই রাখেন। তবে মাথায় রাখবেন এই ফল ফ্রিজে রাখলেও খাওয়ার অন্তত ৩০মিনিট আগে বের করে বাইরে রাখুন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে তারপরেই ধুয়ে খান। টমেটো: চেষ্টা করুন টাটক...