জানুয়ারি ৭: চীনা মহাকাশকেন্দ্রে “ইন-সিটু ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড অপটিক্যাল রিসার্চ অন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ফর স্পেস অ্যাপ্লিকেশন” শীর্ষক প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মহাকাশযান শেনচৌ-২১-এর মহাকাশচারী দল, এ প্রকল্পের আওতায়, কক্ষপথে এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করছে। চীনা বিজ্ঞান একাডেমির গবেষক চাং হোং ছাং একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে এ ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা কাজে লাগাচ্ছেন। চীনা বিজ্ঞান একাডেমি, আজ (বুধবার), এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

একাডেমি জানায়, উচ্চ শক্তি ঘনত্ব, দীর্ঘ চক্র জীবন, উচ্চ নিরাপত্তা, ও নির্ভরযোগ্যতার কারণে, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আধুনিক মহাকাশ অভিযানের “শক্তির হৃদয়” হিসেবে গণ্য হয়। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির কর্মক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান গবেষণা মাইক্রোস্কোপিক মেকানিজম স্তরে প্রবেশ করেছে।
তবে, স্থল-ভিত্তিক পরীক্ষায়, মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র সর্বদা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের সাথে জড়িত থাকে। যার ফলে, ব্যাটারির অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলোর ওপর মহাকর্ষের প্রভাব আলাদাভাবে স্পষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ে। মহাকাশের অনন্য মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশ এই গবেষণার বাধা অতিক্রম করার জন্য একটি আদর্শ পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র প্রদান করে, যা ব্যাটারির মধ্যে আয়ন পরিবহন, সন্নিবেশ ও নিষ্কাশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলোর আরও বিশুদ্ধ অধ্যয়নের সুযোগ করে দেয়। তবে, মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশ পরীক্ষাগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জও উপস্থাপন করে। এখানে ব্যাটারির ভিতরে তরলের আচরণ পৃথিবীর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে আলাদা, যা ব্যাটারির কর্মক্ষমতা হ্রাস ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করে। একাডেমি আরও জানায়, “ইন-সিটু ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড অপটিক্যাল রিসার্চ অন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ফর স্পেস অ্যাপ্লিকেশন” প্রকল্পটির লক্ষ্য, ব্যাটারির ভিতরের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলোর ওপর মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশের প্রভাব প্রক্রিয়া সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা।




















