চীন ডায়েরি: এক বাংলাদেশি ছাত্রের চোখে চীন-জীবনের গল্প
আব্দুর রউফ
যে দিনটার কথা বলব, সেটা ২০২২ সালের নভেম্বর, তখন বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারীর প্রকোপ কিছুটা কমেছে। গুয়াংঝৌ বিমানবন্দরে নেমে প্রথম যে জিনিসটা খেয়াল করলাম, তা হলো নীরবতা। চারপাশে মানুষ হাঁটছে, কথা বলছে, কিন্তু আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনো সিনেমার সাউন্ডট্র্যাক ছাড়া দৃশ্যে আছি, সবকিছু দৃশ্যমান, কিন্তু অর্থহীন। হাতে একটা লাল স্যুটকেস, পকেটে চার শব্দের চীনা ভাষাজ্ঞান "নী হাও" (হ্যালো), "শিয়ে শিয়ে" (ধন্যবাদ), "দুই বু চি" (সরি), আর "ওয়া বু মিংবাই" (আমি বুঝি না)। শেষ শব্দটা পরবর্তী ছয় মাসে আমার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা বাক্য হতে যাচ্ছে সেটা তখনো জানি না।
লেখক
এখন বসে আছি নানজিং-এর জিয়াংজুন রোডে, নানজিং ইউনিভার্সিটি অব অ্যারোনটিকস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনটিকস (এনইউএএ)-র লাইব্রেরির সামনে। হাতে এক কাপ গরম লংজিং চা। সামনে ক্যাম্পাসের প্লেন ট্রি-গুলোর পাতা ...













