জানুয়ারি ১৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের তাইওয়ান অঞ্চলে ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) কর্তৃপক্ষ নানা বাধা ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলেও তাইওয়ান প্রণালীর দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক যোগাযোগ, বিনিময় ও সহযোগিতা থেমে নেই।

চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের তাইওয়ান স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের গবেষক চাং হুয়া বলেন, ডিপিপি কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপ নিয়েছে, যা তাইওয়ানের সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, তথাকথিত ‘চীন বিরোধীতা ও প্রতিরোধ’ আখ্যান ব্যবহার করে ডিপিপি সামাজিক ফাটলকে উসকে দিচ্ছে এবং দুই পাড়ের সম্পর্ক সীমিত করার চেষ্টা করছে।
চাং হুয়া জানান, ২০২৫ সালের মার্চে ডিপিপি ‘১৭টি প্রতিক্রিয়াশীল কৌশল’ এবং নভেম্বরে আরও দুটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল মূল ভূখণ্ডের সাংস্কৃতিক প্রভাব কমানো। এর ফলে তাইওয়ানের মানুষকে মূল ভূখণ্ডের বই, সিনেমা ও গেম থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে।
তবে বাস্তবে সাংস্কৃতিক বিনিময় থেমে নেই। সম্প্রতি তাইপেইতে মূল ভূখণ্ডের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় চীনা কুনকু অপেরা ‘দ্য পিওনি প্যাভিলিয়ন’ মঞ্চস্থ হলে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। দর্শকদের প্রায় অর্ধেকই ছিলেন তাইওয়ানের তরুণরা।
প্রখ্যাত নাট্যকার পাই সিয়েন–ইয়ং বলেন, ‘এই ধ্রুপদী নাটকের মাধ্যমে দুই পাড়ের তরুণরা তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়কে আরও ভালোভাবে জানতে পারছে।
কুনকু অপেরা ২০০১ সালে ইউনেস্কোর মানবতার মৌখিক ও অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি চীনের প্রাচীনতম অপেরা ধারাগুলোর একটি। ‘দ্য পিওনি প্যাভিলিয়ন’ মিং রাজবংশের নাট্যকার তাং জিয়ানজু রচিত একটি বিখ্যাত প্রেমের গল্প।




















