মার্চ ২৫, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক বিমান হামলার মধ্যেও এখন পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বড় কোনো সংকট দেখা যায়নি। এমন তথ্য উঠে এসেছে চায়না মিডিয়া গ্রুপ সিএমজির প্রতিবেদক লি চিয়াননানের এক প্রতিবেদনে।
মঙ্গলবার তেহরানে অবস্থানরত এই প্রতিবেদক জানান, তিনি শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার সাইরেন শুনেছেন। স্থানীয় সূত্রের বরাতে তিনি নিশ্চিত করেন যে, ইরানের মধ্যাঞ্চলের ইসফাহান এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খোররামশাহর শহরের জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার রাত থেকে তেহরান, কারাজ ও তাবরিজ শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ইসফাহানের গ্যাস কোম্পানির অফিস ও গ্যাস চাপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং খোররামশাহরের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্যাস পাইপলাইন লক্ষ্যবস্তু ছিল। তবে এসব হামলায় বড় ধরনের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং বিদ্যুৎ বা পানির সরবরাহও বন্ধ হয়নি।
এদিকে তেহরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি আটতলা আবাসিক ভবনের অর্ধেক অংশ বিমান হামলায় ধ্বংস হয়েছে।
ইরান রেড ক্রিসেন্টের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলায় দেশজুড়ে মোট ৮২ হাজার ৪১৭টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৬২ হাজার ৪৪০টি আবাসিক ভবন।
শুধু তেহরানেই ২৫ হাজার ২৮০টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দেশজুড়ে ২৮১টি হাসপাতাল, ৪৯৮টি স্কুল এবং ১৭টি রেড ক্রিসেন্ট কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।






















