পাইলট প্রকল্প পেরিয়ে বড় পরিসরে বাণিজ্যিক ব্যবহারের লক্ষ্যে হাইড্রোজেন উৎপাদন ও সংরক্ষণ খরচ কমাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন। ১০ম আন্তর্জাতিক হাইড্রোজেন ও ফুয়েল সেল ভেহিকেল কংগ্রেসে অংশ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি প্রদর্শন করেছে।
চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২৬-২০৩০) হাইড্রোজেন শক্তিকে ভবিষ্যতের শিল্প এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশজুড়ে ১ লক্ষ ফুয়েল-সেল চালিত গাড়ি নামানো এবং প্রতি কেজি হাইড্রোজেনের দাম ২৫ ইউয়ানের নিচে নামানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমান বাজারে ৩৫ ইউয়ানের বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদ্বৃত্ত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করে উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি ১০ ইউয়ানের নিচে নামানো সম্ভব।
এছাড়া, কার্বন ফাইবার প্রযুক্তির মাধ্যমে হাইড্রোজেন সংরক্ষণ ক্ষমতা ১ দশমিক ৫ গুণ বাড়ানো হয়েছে। বিগত এক দশকে চীনের হাইড্রোজেন খাত ব্যাপক সম্প্রসারিত হয়েছে; ২০১৬ সালে মাত্র ২৯টি হাইড্রোজেন গাড়ির বিপরীতে ২০২৫ সাল শেষে এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজারে এবং রিফুয়েলিং স্টেশন বেড়ে হয়েছে ৫৯০টি। প্রযুক্তিগত এই অগ্রগতি হাইড্রোজেন খাতকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রূপ দিচ্ছে।
সূত্র: সিএমজি





















