stories Archives - Mati News
Thursday, April 16

Tag: stories

প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

Stories
টি এইচ মাহির গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছি।খুব তাড়া আছে। তাড়াহুড়ো করে বাসা থেকে বের হলাম। একটা জরুরী মিটিং আছে।বাসা থেকে প্রথমে সি‌এনজি নিয়ে যেতে হবে কদমপুর। তারপর টেম্পুতে করে যাবো সিকদারহাট। সিকদারহাটে জরুরি প্রেস মিটিং। সকাল দশটায় ফোন দিয়ে জানালো হাসান ভাই।না জানি কিসের মিটিং। ভাবতে ভাবতে পকেটে হাত দিয়ে দেখি আসার সময় পকেটে শুধু একটা বিশ টাকার নোট নিয়ে এসেছি। কিন্তু এখন তো আর আবার বাসায় যাওয়া যাবে না। এদিকে একটা সিএনজি ও এসে গেছে। যাইহোক সিএনজিতে উঠে পড়লাম।পথের দু'পাশের ধানক্ষেতের সবুজ দৃশ্য দেখতে দেখতে কদমপুর পৌঁছালাম।দশটাকা সিএনজি ভাড়া। পকেট থেকে বিশটাকার নোটটা ড্রাইভারকে দিলাম। দুটো পাঁচ টাকার নোট ফেরত দিলো ড্রাইভার। পকেটে পুরে তাড়াতাড়ি টেম্পুর জন্য র‌ওনা দিলাম। সিকদারহাট যেতে হবে। এদিকে হাসান ভাই কলের পর কল দিচ্ছেন।কল ধরে আশ্বস্ত করলাম আমি টেম্পুতে। সিকদারহ...
মং ও রঙিন পাখি

মং ও রঙিন পাখি

Stories
নীহার মোশারফ পাহাড়ের পাদদেশে সারে সারে ঘর। বাঁশ দিয়ে তৈরি। কী সুন্দর কারুকাজ! ঘরের সামনে উঠোন। উঠোনের পাশে ছোট্ট একটি বাগান। বাগানে কত রঙের ফুল। অন্যপাশে নলখাগড়ার বন। অপরূপ ঝরনাধারা। ঝরনার পানি দেখতে স্বচ্ছ। পানিতে ছোট ছোট পাথর। পাহাড়িরা সেই পানিতে গোসল করে। কেউ কেউ ঘরের কাজে নিয়ে যায় পানি। বাগানে অনেক পাখি। প্রজাপতি। ঘর থেকে মং পাখি ও প্রজাপতি দেখে। মাচান ঘরের জানলা দিয়ে পাহাড়ঘেঁষা নীল আকাশও দেখে। মং পাখি দেখে আর হাসে। মা মংকে মুড়ি-মুড়কি খেতে দেয়। মং তা না খেয়ে পাখিদের জন্য নিয়ে যায়। পাখিরা খাবার খুঁটে খুঁটে খায়। খাওয়া শেষে কিচিরমিচির করে। ওড়াউড়ি করে। এক ডাল থেকে অন্য ডালে যায়। পাখিসব মঙের কাছাকাছি থাকে। খুব ভালোবাসে ওকে। পাখিসব মঙের জন্য ঠোঁটে করে দূর থেকে কত্তকিছু নিয়ে আসে। আকাশের নীল, রংধনুর রং, নানা স্বাদের ফল, ঘাসপাতা, বিস্কুট, খেলনাসহ আরও কত কী! মং স্কুলে যায়...
ডিম নিয়ে এলাহিকাণ্ড

ডিম নিয়ে এলাহিকাণ্ড

Stories
 মোঃ আশতাব হোসেন  ঝুমুর মিয়া অনেকটাই অলস, তার মধ্যে সবেমাত্র  বিয়ে করে নতুন বধূ ঘরে এনেছে । বউকেও তেমন কিছু দিতে পারে না। যা দরকার ঝুমুর মিয়ার বাবাই কিনে দেয় বউকে। সবারই একান্ত ব্যক্তিগত কিছুর দরকার হয়।  বউরাও স্বামীর কাছে কিছু আশা করে।  কিন্তু ঝুমুর মিয়ার কিছু দেওয়ার সাধ্য নেই। বাবার ঘাড়ে খায় এটাইতো বেশী। এসব দেখে  বউ একদিন ভাবে বাবা-মা কেমন অলস জামাই দেখে বিয়ে দিয়েছে! সে কিছুই কিনে দিতে পারে না! এর পর ঝুমুর মিয়াকে বলে এই শোনো, এমন করে বসে থাকলে ভবিষ্যৎ জীবন চলবে কেমনে?  কিছু একটা তো করো। ঝুমুর বলে কি আর করব!  আমার কাছেতো কোনো টাকা পয়সা নেই। বউ বলে আচ্ছা  আমার কাছে কিছু টাকা আছে সেটা দিয়ে ডিমের ব্যবসা করবে। গ্রাম থেকে ডিম কিনে তা বাজারে বিক্রি করবে।  বাজারেতো ডিমের হালি ৪০ টাকা, আর গ্রাম থেকে কিনতে পারবে ৩০টাকা।  তুমি এই...
মায়ের গল্প: অভাগিনী

মায়ের গল্প: অভাগিনী

Stories
কবির কাঞ্চন জীবনের ঘানি টানতে টানতে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষদের অন্যতম বিল্লুরাণী। একমাত্র ছেলে দীলিপের মুখে ''বাবা' শব্দটা ফোটবার আগেই তিনি স্বামীকে হারালেন।স্বামী হরিপদ ছিলেন একজন প্রান্তিক জেলে। মহাজনের নৌকায় বছরব্যাপী কর্মচারী ছিলেন। সংসার খরচ মেটানোর জন্য আগে আগে মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিতেন বলে অনেকটা গৃহপালিত কর্মচারীর মতো আচরণ করা হতো তার সাথে। সেবার একটানা আকাশের অবস্থা খারাপ ছিল। তারওপর হরিপদের শরীরের অবস্থাও খারাপ ছিল। সে নৌকায় না গিয়ে বাসায় থেকে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে মহাজনের লোকজন এসে তাকে জোর করে কাজে নিয়ে যায়। যাবার বেলায় ছেলে দীলিপকে তিনি বলে গেলেন,  বাবা, ঠিকমতো লেখাপড়া করিস, তোকে অনেক বড় হতে হবে।এই কথাটাই ছিল শেষবারের মতো বাবার মুখে শোনা কথা। হরিপদরা নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে সমুদ্রে পাড়ি জমালেও আর ফিরে আসেনি। সেই থেকে অভাগিনীর ললাটে জুটেছে দিনে গার্মেন্টসে চাকরি ...
দেয়ালের ওপাশে

দেয়ালের ওপাশে

Stories
সাবিত রিজওয়ান তারা যেন প্রতিবেশী না, শত্রু। কেউ কারো ভালো চায় না। একই উঠান ভাগ করে থাকে, একই পথ দিয়ে হাঁটে, কিন্তু একে অপরের দিকে তাকালে চোখে শুধু কঠোরতা।  কবির এই উঠানে জন্মেছে। এই উঠানেই বড় হয়েছে। অথচ আজকাল তার নিজের বাড়িটাও তার কাছে অপরিচিত লাগে। পাশের বাড়ির আরশ, যার সঙ্গে একসময় একই গাছে উঠে আম পেড়েছে, আজ সে অদৃশ্য এক দেওয়ালের ওপাশের একজন মানুষ মাত্র।  সবকিছুর শুরু তিন হাত জমি থেকে।  আরশ আর তার মা বিশ্বাস করত, কবিরদের বাড়ির সীমানার ভেতরে তাদের তিন হাত জায়গা আছে। কতদিন আর নিজের জমি অন্যের দখলে থাকবে? এক সকালে তারা ইট এনে সীমানা গাঁথতে শুরু করল। প্রায় বিশটা ইট বসেও গেল। কবিরের বাবা এসে দাঁড়ালেন।“এইটা আমাদের জায়গা। আপনারা কেন এখানে দেয়াল তুলছেন?” আরশের মা বললেন,“এই জায়গা আমাদের। এতদিন চুপ ছিলাম, তাই বলে এটা আপনাদের হয়ে যায় না।” কথা বাড়ল। উত্তাপ বাড়ল। কিন...
শেখ সাদী 

শেখ সাদী 

Stories
ওমর ফারুক (সভাকবি) একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিলেন এবং অনুমতি লইয়া খাবার টেবিলে বসেছিলে।তাহার সামনে খাবার রাখা হইলো।তিনি খাওয়া আরম্ভ করিবেন তখনই বাড়িওয়ালা আসিয়া উপস্থিত হইলো।বলিল,কে এই ভিখারি?গর্দান ধরিয়া ওকে বাহির করিয়া দাও।সবাই তাহাকে বাহির করিয়া দিলো।সাদী বলিল,আমি ভিখারি নহে;বাড়িওয়ালা বলিল,কে তুই? তোর পোশাকেই তো বুঝা যায় তুই অধম ভিখারী। মন খারাপ করিয়া চলিয়া আসিলেন। বছর শেষে আবার ওই বাড়িতে উৎসবের ঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে।এইবার শেখ সাদীও দাওয়াত পাইয়াছেন।তিনি তার সবচেয়ে দামি পোশাকে পরিয়া বাড়িতে হাজির।সবাই তাহাকে দেখিতে ভিড় করিল। যথেষ্ট আপ্যায়ন করিলো।খাব...
আত্মার বন্ধন : রোমান্টিক গল্প

আত্মার বন্ধন : রোমান্টিক গল্প

Stories
রাহেলা আক্তার  অবনী থার্ড ইয়ারের ছাত্রী। সামনে ফাইনাল এক্সাম। ভীষণ চিন্তায় ভুগছেন। একমাত্র ভাই এবার এস এস সি এক্সাম দিবে। ছোট বোন ক্লাস এইটে পড়ে। তিন ভাই বোনের মাঝে অবনীই বড়। অবনীর "মা" নীলিমা চৌধুরী আজ দশ বছর ব্রেস্ট ক্যান্সারে ভুগছেন। প্রথম চার বছর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও বছর খানেক পরে আবার দেখা দেয়। এবার ফারমেন্ট চট্টগ্রাম মেরিন সিটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিন মাস পরপর কেমোথেরাপি চলে, থেরাপি দিতে দিতে নীলিমা চৌধুরীর চুল প্রায় উঠে গেছে, পশম খসে পড়তেছে। অবনী রাতদিন হাসপাতালে মায়ের সেবা করে যাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে মায়ের শারীরিক অবস্থা একটু ভালো দেখা দিলে মাকে নিয়ে হাসপাতালের পাশেই অবনীর আন্টিদের বাসায় বেড়াতে নেন। অবনীর বাবা আদনান চৌধুরী নিউইয়র্ক থাকেন। স্ত্রী অসুস্থ হবার পর থেকে তিনি তেমন দেশে ফিরেন না। চিকিৎসা বাবদ কিঞ্চিৎ খরচ দেন। অবনীর নানার বাড়ি থেকেই বেশির ভাগ খ...
মাথায় হাতটি রেখো

মাথায় হাতটি রেখো

Stories
  আব্দুস সাত্তার সুমন পৃথিবীতে এসে আমি  কান্না করি যখন, বুকের মাঝে আপন নীড়ে  ধরে রাখো তখন। ছোট্ট যখন ছিলাম আমি   বলতে পারিনা, আমার ভাষা বুঝতে তুমি ছেড়ে যেতে না। ধীরে ধীরে বড় হই  কত বাধা আসে! অশুভ ওই ছায়া দেখে  থাকতে আমার পাশে। আমি যখন বুঝতে শিখি  ভুল করে শেষে অন্যায় গুলো শুধায় ধর ভালোবাসার বেশে। সারা জীবন এভাবেই  আমার পাশে থেকো, দোলনা থেকে মৃত্যু অবধ  মাথায় হাতটি রেখো। Get a Great offer...
কাছে আসার গল্পটা এমনও হতে পারে

কাছে আসার গল্পটা এমনও হতে পারে

Stories
সাবরিনা তাহ্সিন  রাতের অন্ধকারে, ঘুমের ভেতর একটি অদ্ভুত ঘটনা যেন জীবন্ত হয়ে উঠল। স্বপ্নের শুরুটা ছিলো হঠাৎ একটি বড়সড় এক্সিডেন্ট দিয়ে। রাগে ভরা মনে বাসা থেকে বেরিয়েছিলাম, দিগ্বিদিকশূন্যভাবে হাঁটছিলাম। কখন যেন রাস্তার মাঝখানে চলে এলাম, আর সেই মুহূর্তে মোটরবাইক ও প্রাইভেট কারের ত্রিমুখী সংঘর্ষ—সবকিছু একসাথে থমকে গেল। মোটরবাইক চালক আহত হলো, আর আমার অবস্থা গুরুতর। সবাই দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালো। প্রাইভেট কারের লোকেরা ভেবেছিল অনিক এবং আমি সম্পর্কিত, তাই তারা অনিকের পরিবারকে খবর দিল। অনিকের মা, ভাই, ভাবী এবং বড় বোন হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে এলেন। “হ্যাঁ রে, তুই ঠিক আছিস? কোথায় লেগেছে?”—মায়ের কণ্ঠে উদ্বেগ। “মা, আমি ঠিক আছি। মাথায় একটু আঘাত পেয়েছি। চিন্তা করো না।” অনিক শান্ত স্বরে বলল। হঠাৎ তার স্মৃতিতে ভেসে উঠল, “সে ঠিক আছে তো? তার কিছু হয় নি তো?” অনিকের মা অবাক হয়ে জিজ্ঞ...
তুমি কার প্রেমে বিভোর 

তুমি কার প্রেমে বিভোর 

Stories
আব্দুস সাত্তার সুমন  তুমি কার প্রেমে বিভোর, বলো তো? এই দুনিয়ার রঙিন মরীচিকায়? নাকি সেই আখিরাতের আলোয়, যেখানে প্রেমের মৃত্যু নেই? দুনিয়ার প্রেম যেন হঠাৎ বৃষ্টির মতো, আসে, ছুঁয়ে যায়, মিলিয়ে যায়। তোমার হাসিতে যেমন সূর্যের ঝলক, তেমনি তোমার চোখে লুকানো এক অজানা প্রস্থান যা তুমি ঘিরে আছো, সবই ক্ষণস্থায়ী, সবই চলে যাবে। কিন্তু আখিরাতের প্রেম– যে প্রেমে দেহ নেই, কেবল আছে আত্মার শুদ্ধির জ্যোতি। যেখানে ভালোবাসা আর ইবাদত একসাথে জ্বলে, যেখানে হৃদয় কারও জন্য নয়, বরং আল্লাহর পথে নিবেদিত। তুমি কার প্রেমে বিভোর? যদি দুনিয়ার জন্য হও, তবে সে এক ক্ষণিক জ্বাল আর যদি আখিরাতের প্রেমে বিভোর হও, তবে তুমি নিজেই আলোর প্রতিচ্ছবি। দুনিয়ার প্রেমে চোখ ভিজে, আখিরাতের প্রেমে আত্মা শান্ত হয় আর এই দুইয়ের মাঝে তুমি দাঁড়িয়ে আছো, এক অনন্ত প্রশ্নের মুখোশ পরে অ...
কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

Op-ed, Stories
আপনার সঙ্গী কি আপনার সাথে শোয়, কিন্তু কথা বলে না? তাহলে অভিনন্দন, আপনি এক জীবন্ত লাশের সাথে বসবাস করছেন। statement টা শুনেই আপনার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠলো? মনে হচ্ছে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কেউ নোংরাভাবে উঁকি মারছে? নিজের ভালোবাসার সম্পর্কটাকে এতটা কদর্যভাবে আক্রমণ করায় লেখকের গলা টিপে ধরতে ইচ্ছে করছে? করুন। আপনার সব ক্ষোভ, সব অপমান আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। কিন্তু এই লেখাটি যদি আপনার ভেতরের সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিটাকে জাগিয়ে তুলতে না পারে, যদি আপনার সাজানো-গোছানো সম্পর্কের মিথ্যার দেওয়ালটা কাঁপিয়ে দিতে না পারে, তবে বুঝবেন আমার কলম ধরাটাই বৃথা। আমরা এক অদ্ভুত ডিজিটাল কসাইখানায় বাস করি, যেখানে আমরা সম্পর্কগুলোকে লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার দিয়ে ওজন করি। আমরা একে অপরের শরীর চিনি, কিন্তু আত্মাটাকে চিনি না। আমরা একসাথে ডিনার করি, কিন্তু কথা বলি ফোনের স্ক্রিনের সাথে। আমরা একসাথে বিছানায় যা...
হৃদয়ের যত্ন নিও

হৃদয়ের যত্ন নিও

Stories
জলের অভাবে মরতে বসা ছাদের ফুল গাছটার মতো একটু নিজের হৃদয়ের যত্ন নিও। আব্বার পাঞ্জাবির পকেট গলিয়ে পড়া খুঁচরা পঁয়শা তুলে মাটির ব্যাংকে সঞ্চয় করার মতো বুকের ভিতরে অনুভূতি সঞ্চয় করো। মায়ের যে দুঃখ আছে সে দুঃখ যেমন বিশ্বাস করো তেমন করে বিশ্বাস করো চিরকাল কেউ কাঙাল থাকে না। সবার একখান মানুষ হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর খুনির শুষ্ক ঠোঁটেও কোনএক নারী কাঁপা কাঁপা আবেগ নিয়ে চুমু খায়, রাতের রানী নিশিকন্যাকেও দারুণ প্রেম নিয়ে জড়িয়ে ধরে কোন এক যুবক। মনের দরজায় তুমি যে তালা লাগিয়েছো, তোমার চারপাশে তৈরী করেছে যে অভিমানের দেওয়াল, অনেকদিন খুলোনি বলে মাকড়সা ছোটোখাটো একটা সংসার পেতে বসেছে যে জানালায়। ওই দরজার সামনে কেউ একজন বিশ্বাস নিয়ে কড়া নাড়বে, ওই দেয়াল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে হু-হু করে ঢুকে যাবে তোমার মনের এফোঁড়ওফোঁড় প্রেম নিয়ে, ওই জানালা খুলে তোমাকে দেখাবে নতুন ভোর। একদ...
তুমি আকাশ ছুঁয়ে আছো

তুমি আকাশ ছুঁয়ে আছো

Stories
অ.কে.এম. নাজমুল আলম  পাহাড়ি ঢালে বসে আকাশের দিকে চেয়ে ছিলো মেয়েটি। নাম তার তৃষা। রাঙামাটির অদূরে, একটি ছোট্ট গ্রামে তার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই পাহাড়, মেঘ, পাখির ডাক আর অদ্ভুত এক নিঃসঙ্গতা তার নিত্যসঙ্গী। তবে তৃষার চোখে ছিল স্বপ্ন—যে স্বপ্ন শুধু পাহাড় ছুঁয়ে নয়, তার চেয়ে অনেক ওপরে। তৃষার জীবনটা ছিল সহজ নয়। মা নেই, বাবা একজন কাঠুরে। স্কুলে যেতে যেতে কাঠ বহন করে আনার অভ্যাসও তার ছিল। তবুও সে ক্লাসে প্রথম হতো। শিক্ষকরা বলতেন, “তৃষা একদিন বড় কিছু করবে।” এক বর্ষার দুপুরে শহর থেকে এক যুবক এল পাহাড় দেখতে, নাম সফল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র, গবেষণার কাজে এসেছে। তৃষাকে সে প্রথম দেখে গ্রাম্য স্কুলে ক্লাস নিতে, বাচ্চাদের শেখাতে। কাঁধে খোলা চুল, চোখে পাহাড়ের ভাষা—তৃষাকে দেখে সফল থেমে যায়। শুধু একটিই বাক্য বলে, “তুমি কি সবসময় এভাবে আকাশের দিকে তাকিয়ে থ...
কনফুসিয়াসের বাণী : যে শেখে ও যে ভাবে

কনফুসিয়াসের বাণী : যে শেখে ও যে ভাবে

Stories
কনফুসিয়াসের এই চিরন্তন বাণী জ্ঞানের প্রকৃত স্বরূপ তুলে ধরে। তিনি বলেন, শুধু শেখাই যথেষ্ট নয়— সেই শেখাকে যদি চিন্তার আলোয় না দেখা যায়, তবে তা দিকহারা এক যাত্রার মতো। আবার কেবল ভাবনা, কিন্তু শেখার প্রতি অনীহা— সেটিও বিপজ্জনক, কারণ চিন্তা তখন বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়াতে পারে না। শেখা ও ভাবনা— এ দুয়ের মিলেই গড়ে ওঠে সত্যিকারের প্রজ্ঞা। এই শিক্ষাই আমাদের শেখায় ভারসাম্যের গুরুত্ব, যেখানে জ্ঞান ও চিন্তা হাতে হাত ধরে এগিয়ে যায় জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে। Confucius quotes, wisdom of Confucius, Chinese philosophy, learning and thinking, Confucius sayings, life lessons, ancient wisdom, philosophical quotes, moral education, knowledge and reflection, Confucius teachings, inspirational philosophy, wisdom quotes...
The game of blood

The game of blood

Stories
"How about we play a game? Kabaddi is the name of the game. The guidelines are…"* "Who’s there?!" * The shouter was the first to awaken. Upon acclimating his eyes to the faint illumination of a flickering tube light, he brushed off his coat and observed the worn furnishings of the old room, as well as rumpled garments strewn about like discarded rags. The other corpses were entangled in strange positions. He heard a recorded voice, followed by a sudden sting of music that sounded like a radio show's intermission jingle: "Let's play a game…" "Who's talking? Present yourself! Who are you? * The voice on the tape ignored it. * "For the six of you, there are six bottles…"* it went on. Another man stirred slowly. Based on his attire, the first man assumed he was either a clerk in a lar...