Thursday, December 2
Shadow

Tag: story

রোমান্স গল্প : উপভোগ

রোমান্স গল্প : উপভোগ

Cover Story, Health and Lifestyle, Stories
রোমান্স গল্প : উপভোগ লিখেছেন মৌমতিা শকিদার লাবনী ১ সুপ্রভার মনে হলো তার উপমাগুলো বাক্সে পুরে তালা লাগিয়ে দেয়ার দিন এসে গেছে। এ যুগে নাকি এসব অচল। রুজুর ভাষায় এ নাকি সেকেলে গন্ধ ছড়ায়। রঞ্জিতকে রুজু ডাকে সুপ্রভা। এই রুজুই তার কবিতার সমঝদার। মাপ মতো প্রশংসা সমালোচনা দুটোই করে। তবে ইদানীং রুজু সবকিছুতে কেমন যেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। কবিতা-গদ্য সবই এড়িয়ে চলছে। সুপ্রভা বিজ্ঞানের ছাত্রী। তার সবকিছুতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তি আসবেই। রঞ্জিতকে সে মাঝে মাঝে বোঝানোর চেষ্টা করে, কবিতায় কাল ব্যাপারটা অন্যরকম। সুপ্রভার কাছে কবিতার সংজ্ঞা হলো, কালকে আলগোছে একপাশে সরিয়ে পরিচ্ছন্ন কিছু অনুভূতি। রঞ্জিত আবার এসব শুনতে পছন্দ করে না। ভ্রূ কুঁচকে অন্যদিকে তাকিয়ে থাকে। আজও যেমনটি আছে। সুপ্রভা বলল, এই যে তুমি এখনকার ভিজুয়াল প্রডাকশানগুলোকে অতিমাত্রায় মেলোড্রামাটিক বলছ, এটা ভুল। রঞ্জিত রিকশাওয়ালার পি...
বাংলা গল্প : কবি ও মুক্তা

বাংলা গল্প : কবি ও মুক্তা

Cover Story, Stories
বাংলা গল্প : কবি ও মুক্তা লিখেছেন - নাবিলা সিদ্দিকা   বেদনার নীল রং..। আব্বে রাহো তোমার কবিতা। কী কইলা? বেদনার কালারডা জানি কী? নীল? নীলতো অইবোই! ঠ্যাঙ্গের নলিতে পটাশ পটাশ দুইখান বাড়ি দিলে নীল রঙা ছোপতো পড়বোই। নতুন কিছু কও। কবি রানা মজুমদার তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কিছু বলতে পারে না। সে উঠতি কবি। এখনো আঙ্গুল টিপে মাত্রা গোনে। অক্ষরবৃত্তে যুগ্মধ্বণিতে সে প্রায়ই তালগোল পাকায়। মাত্রাবৃত্তকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চললেও চর্চায় তার ত্রুটি নেই। কবিতার জন্য চাই আইডিয়া। আইডিয়ার জন্য ভেরিয়েশন। সেই জন্যই দিন দশেক হলো পুরান ঢাকার একদল উঠতি বখাটের সঙ্গে রানার ওঠাবসা শুরু। আড়াই টাকার সিগারেটে টান দিতে কবির বেজায় কষ্ট। বখাটেরা এজন্য তাকে চার টাকার সিগারেট খাওয়ায়। কবিতার জন্য না, নিতান্ত ভদ্র ছেলে বলেই তারা পছন্দ করে। চা-সিগারেটের বিলটা তাই তারাই দেয়। বিল দেয়ার সময় রানা তাকিয়ে থাকে আকাশের দিকে। পেঁজা ...
ধ্রুব নীলের মজার ভূতের গল্প : থিংক লাইক ভূত

ধ্রুব নীলের মজার ভূতের গল্প : থিংক লাইক ভূত

Cover Story, Kidz, Stories, Stories for Kids
এ নিয়ে কয়েকশবার হাতে চিমটি কাটা হয়ে গেল। তবু একবারও ব্যথা লাগেনি! তারমানে এ নিশ্চয়ই স্বপ্ন। খুব খারাপ স্বপ্ন। কিন্তু স্বপ্ন মানুষ এতোক্ষণ দেখে কী করে! দু’চার মিনিট হলে না হয় কথা ছিল, তাই বলে টানা তিনদিন! তবে কি ঐ তিনচোখা দানবটার কথাই সত্যি! সে কি তাহলে..! না এ কিছুতেই সম্ভব নয়। এ হতে পারে না! সে একটা পুরনো পোড়াবাড়িতে না খেয়ে না ঘুমিয়ে তিনদিন একটা চেয়ারে টানা বসে থাকবে, এটা বিশ্বাস করা যায় না কিছুতেই। ঐ তিনচোখা দানব বললেই হলো! ব্যাটা নিজে তো একটা ভূত, বলে কিনা সেও ভূত হয়ে গেছে! অসম্ভব। - এ সম্ভব ম্যাডাম। পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই। দরজা নেই। তাই নক করার দরকার হলো না। বাইরে ফকফকা চাঁদের আলো। যিনি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে এ কথা বললেন তাকে বেশ ভয়ার্ত দেখাচ্ছে। তার হাতে একটা ব্রিফকেসের মতো ব্যাগ। দুবার কাশি দেয়ার মতো শব্দ করলেন। তবে তাতেও ঘরের ভেতরে যে বসে আছে তার কোনো সাড়া মিলল না। ...
তুমুল আলোড়ন তুলেছে ধ্রুব নীলের ‘রক্তদ্বীপ’

তুমুল আলোড়ন তুলেছে ধ্রুব নীলের ‘রক্তদ্বীপ’

Cover Story, Health and Lifestyle, Stories, Stories for Kids
এবারের বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে ধ্রুব নীলের রক্তদ্বীপ । রোমাঞ্চ, অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গে সায়েন্স ফিকশনের ফ্লেভার আছে এ বইতে। পরতে পরতে বিপদের গন্ধ ও বুদ্ধি খাটিয়ে তা থেকে বাঁচতে হবে দুই রোমাঞ্চপাগল বন্ধুকে। এ বইয়ের মধ্যে একইসঙ্গে জুলভার্ন, ম্যাকগাইভার ও মাসুদ রানাকে খুঁজে পাচ্ছেন পাঠকরা। লেখকও জানালেন, বেশ সময় নিয়েই তাকে এ টেকনো-থ্রিলার উপন্যাস দাঁড় করাতে হয়েছে। এটি প্রকাশ করেছে প্রসিদ্ধ পাবলিশার্স। প্রচ্ছদ এঁকেছেন জনপ্রিয় শিল্পী ধ্রুব এষ। এর আগে ধ্রুব নীলের অতিপ্রাকৃত গল্পের সংকলন ‘রক্তবন্দি’ বের করেছিল প্রকাশনাটি। সেটাও বেশ সাড়া ফেলে পাঠকমহলে। ধ্রুব নীলের ‘রক্তদ্বীপ’ বাংলার জুলভার্ন-এর ছায়া খুঁজে পেয়েছেন পাঠক সজল সরকার। তিনি জানালেন, ‘পুরোটা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো। ইদানীংকার বর্ণনা ও আর একই ধরনের মানবিক টানাপড়েনের উপন্যাস দেখে দেখে আমরা ক্লান্ত। রক্তদ্বীপ যেন একটু দম নেওয়ার ...
হরর-থ্রিলার গল্প পদ্মলতা

হরর-থ্রিলার গল্প পদ্মলতা

Cover Story, Stories
ধ্রুব নীল ভূতের প্রসঙ্গ উঠলেই নাঈমের দাদি খ্যাটখ্যাট করে ওঠেন। খ্যাটখ্যাটের একপর্যায়ে তিনি অশালীন গালিগালাজ শুরু করেন। গ্রামে এসব গালিগালাজ কমন ব্যাপার। নাঈমের সঙ্গে তার ভার্সিটির বান্ধবী উপমাও বেড়াতে এসেছে। উপমার সামনে দাদির অশ্লীল গালিগুলো হজম করতে হচ্ছে নাঈমকে। ‘যা যা। ভূত আমার ইয়ে করবে।’ তারপর ভূত আর কী কী করতে পারবে না সেটার একটা ফিরিস্তি দিলেন দাদি। ‘দাদি, উপমা এসেছে ঢাকা থেকে। ওর কথাই বলেছিলাম। ও এসেছে আমাদের বাড়ির ভূত দেখতে।’ দাদি একটা কিছু বলতে গিয়ে আটকে গেলেন। উপমা চোখ বড় বড় করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। এমন গোটা গোটা চাহনির সামনে গালিটালি মুখ দিয়ে আসে না। হামানদিস্তায় পান ছেঁচতে লাগলেন দাদি। চোখে ছানি পড়ায় কোন দিকে তাকিয়ে আছেন বোঝা গেলো না। রাত এগারোটা। এখনকার গ্রামে এগারোটা অতো গভীর নয়। অবশ্য আজ সম্ভবত অমাবস্যা। ঘুটঘুটে অন্ধকার বলে যে একটা বিষয় আছে সেটা মনে হয় এই প্র...
অতিপ্রাকৃতিক সায়েন্স ফিকশন গল্প : পরীবিবির দোলনা

অতিপ্রাকৃতিক সায়েন্স ফিকশন গল্প : পরীবিবির দোলনা

Stories, Stories for Kids
ধ্রুব নীল ১ ঘটনার কিছুটা কানে আসার পর জারা গোঁ ধরে, দাদির বাড়ি যেতেই হবে। কনকনে পৌষের শীতে জমজমাট রহস্য পেয়েছে। পরীবিবির বাড়িতে কদিন ধরে ভূতের উপদ্রব। পরীবিবি হলেন জারার দাদি। বয়স সত্তরের মতো। নামের মতো বাড়িটাও রাজকীয়। জমিদারবাড়ির মতো খিলান, কুয়ো সবই আছে। পেছনে জঙ্গলের মতো। বাঁশঝাড়ের ফাঁকে একে অন্যের লেজ কামড়ে হেঁটে বেড়ায় শিয়ালের দল। বাড়িতে যারা থাকে তারা সরাসরি ভূত না দেখলেও ভৌতিক কাণ্ড ঘটতে দেখেছে। আর সেটাকে স্বাভাবিক বলে মেনেও নিয়েছে। ‘ভূত থাকবে না কেন? আমরা তো আছি, ভূত থাকলে দোষ কোথায়!’ জারার বাবার ভূত বাবদ আগ্রহ নেই। তিনি আমুদে লোক। জারা ইনিয়ে বিনিয়ে দাদির কাছ থেকে ভূতের গল্পের আদিঅন্ত আদায় করে নিচ্ছে। ‘দোলনাটা আনছিল আমার আব্বা। আব্বার নাম জমিরুদ্দিন বাদশা। ১৩৫০ সনের কথা মনে হয়। ঠিক মনে নাই।’ ‘কী বলো! এত আগে...।’ ‘ওটা বাংলা সাল জারা।’ শুধরে দিয়ে গেলেন জারার বাবা। তিনি নি...
রোমান্টিক হরর গল্প : দম্পতি

রোমান্টিক হরর গল্প : দম্পতি

Cover Story, Stories
\   ধ্রুব নীল ‘আমার মনে হয় তোর ভাবী মানুষ না।’ ‘অ্যাঁ!’ ঝেড়েকেশে সরাসরি কথাটা না বললেও হতো। কিন্তু সজল ভ‚মিকা করতে পারে না। কথা পেটে থাকলে চিনচিনে একটা ব্যথা করে তার। ‘তা হলে ভাবী কি অমানুষ? মানে তোর ওপর নিদারুণ...।’ ‘আরে না! রেনুর মতো মানুষ হয় নাকি! ইয়ে মানে, ও অনেক ভালো। কদিন আগে আমার সামান্য জ্বর হয়েছিল, তাতেই পানিটানি ঢেলে একাকার অবস্থা। হে হে হে।’ ‘অ্যাঁ!’ বার বার অ্যাঁ অ্যাঁ করা লোকটা হলো সজল সরকারের ভার্সিটি লাইফের বন্ধু ইন্দ্রজিত। ওর কাছেই মাঝে মাঝে পেটের কথা উগড়ে আসে সজল। আজও সন্ধ্যায় দুজনের আড্ডা চলছে শ্যামলী পার্কে। ‘তা হলে?’ ‘বলছিলাম ও মানুষ না। অন্য কিছু। মানে.. ওই যে অশরীরী...।’ ধন্ধে পড়ে গেল সজল। তার স্ত্রী রেনু বাতাসে উড়ে বেড়ায় না। শরীরটা একটু রোগাপাতলা। তবে শক্তি আছে বেশ। পাড়ায় মারকুটে হিসেবে ভালো খ্যাতিও আছে। একবার তো দুই ছিনতাইকারীকে জুডোর প্যাঁচে খ...
শিশুতোষ সায়েন্স ফিকশন ভূতের গল্প: ভবিষ্যতের ভূত

শিশুতোষ সায়েন্স ফিকশন ভূতের গল্প: ভবিষ্যতের ভূত

Cover Story, Kidz, Stories for Kids
লিখেছেন ধ্রুব নীল এক মাস ধরে সমীকরণটা জ্বালিয়ে মারছিল বিজ্ঞানের শিক্ষক নেপাল চন্দ্র নাথকে। ঘুমের মধ্যে মানুষের রূপ ধরে হানা দিত সূত্র। কাঁচুমাচু করে বলতো, ‘স্যার আমার একটা গতি করেন। এত প্যাঁচ ভালো লাগে না।’ স্যার ধমকে বলতেন, ‘তোমার গতি করে দেশ-দুনিয়ার কী লাভ শুনি!’ সমীকরণটা তখন পকেট থেকে একটা ‘এক্স’ বের করে বলতো, ‘এই এক্স-এর মান বের করতে পারলে দুনিয়া বদলে যাবে স্যার।’ তো একদিন আচমকা নেপাল স্যারের মাথা খুলে গেল। রাত বারোটায় ঝটপট কাগজ কলম বের করে মিলিয়ে ফেললেন সূত্রটা। সমীকরণের দিকে নেপাল স্যার তাকিয়ে রইলেন ডায়াবেটিস রোগীর মতো। সূত্রটা যেন আস্ত রসগোল্লা। এরপর নাকে এক ফোঁটা সরষের তেল মেখে গোটা তিনেক হাঁচি দিয়ে ঘুমুতে গেলেন তিনি। দীর্ঘদিনের গবেষণায় অবশেষে টাইম মেশিনের সূত্র আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানী নেপাল চন্দ্র। শোঁ.. ফোঁস.. ভিপ ভিপ ঠুঁ ঠুঁ। বিচিত্র যান্ত্রিক শব্দে ঘুম ভেঙে গেল নেপাল স্...
হরর গল্প : মৃত্যুছায়া

হরর গল্প : মৃত্যুছায়া

Stories
ধ্রুব নীলের হরর গল্প  ‘কেউ মারা যাবে কিনা সেটা আমি আগেভাগে বলে দিতে পারি। চেহারা দেখলেই বুঝতে পারি।’ ‘আপনার নামটা কী যেন...।’ ‘সিদ্দিকুর রহমান। আমার বয়স পঞ্চাশ। ডায়াবেটিস আছে।’ সিদ্দিকুর রহমানকে দেখেই বোঝা যায় তিনি অস্বস্তিতে আছেন। মাথা নিচু করে পায়ের নখ দিয়ে ফ্লোর খোঁটার চেষ্টা করছেন। টাইলস শক্ত হওয়ায় পারছেন না। অস্বস্তিতে পড়ার কারণ হলো তিনি এর আগে কোনোদিন মনরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে আসেননি। তার ধারণা, মনরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে আসবে মাথা খারাপ হওয়া লোকজন। তার মতে, তার মাথা পুরোপুরি ঠিক আছে। তা না হলে টানা বিশ বছর ব্যাংকের চাকরি করতে পারতেন না। ডা. কায়সার বয়সে তরুণ। চেম্বারে রোগী কম। সিদ্দিকুর রহমানের দিকে তাকিয়ে প্রথমে একটা কিছু বোঝার চেষ্টা করলেন। মুখে নকল হাসি টেনে বললেন, ‘আপনার ডায়াবেটিস আছে কিনা সেটা দিয়ে তো আমার কাজ নেই। আমার কাজ মনের কারবার নিয়ে। তবে ডায়াবেটিস খুব খারাপ জিনিস। শরীরের ...
শিশুটির দু’লাইনের চিঠিতে সবার চোখে পানি

শিশুটির দু’লাইনের চিঠিতে সবার চোখে পানি

Cover Story
শিশুটির দু'লাইনের চিঠিতে সবার চোখে পানি ক্রিসমাস মানেই শিশুদের কাছে খেলনা আর খাবার, কিন্তু এই চিঠি মানুষকে মুদ্রার ওপিঠ দেখতে বাধ্য করেছে ডিসেম্বর মানেই ক্রিসমাস। খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব হলেও আজকাল যেকোনো ধর্মীয় উৎসবে সবার অংশগ্রহণ দেখা যায়। তাই একের উৎসব মানে সবার উৎসব। ডিসেম্বর মানেই আবার নতুন বছরের আগমনী বার্তা। এ উৎসবের অপেক্ষায় থাকে শিশুরা। ক্রিসমাস মানেই নতুন নতুন উপহার, খেলনা আর মজার সব খাবার। সান্তা ক্লসের দেখা পেলেই হলো। শিশুদের আনন্দের শেষ নেই। কিন্তু ক্রিসমাসের আগেই সান্তা ক্লসের কাছে লেখে এক শিশুর চিঠি গোটা ইন্টারনেটকে কাঁদিয়ে চলেছে। শিশুটির চিঠি পড়ে কাঁদতে হবে সাধারণত আমরা যেটা ভাবি. বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের এই উদযাপনে শিশুরা সান্তা ক্লসের কাছ থেকে দারুণ সব খেলনা উপহার চায়। কিন্তু টেক্সাসের এক স্কুলে এই ৭ বছর বয়সী শিশুর চাওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন। সান...
error: Content is protected !!