China Archives - Page 35 of 50 - Mati News
Monday, June 15

China

থিয়ানকংয়ে যত্নে আছে ইঁদুরগুলো, ‘ভর্তি পরীক্ষা’ হয়েছিল যেভাবে

থিয়ানকংয়ে যত্নে আছে ইঁদুরগুলো, ‘ভর্তি পরীক্ষা’ হয়েছিল যেভাবে

China
চীনা মহাকাশ স্টেশন থিয়ানকংয়ে নিয়ে যাওয়া চারটি ইঁদুর সুস্থ আছে। নভোচারীদের নিবিড় যত্নে তারা ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে শুরু করেছে কক্ষপথের পরিবেশে। তবে এরইমধ্যে তাদের ফেরার সময়ও ঘনিয়ে এসেছে। ইঁদুরগুলোর একটি ভিডিওচিত্র পাঠানো হয়েছে পৃথিবীতে। তাতে দেখা গেছে, চীনা মহাকাশচারীরা একটি বিশেষ পরিবহন ব্যাগ থেকে ইঁদুরগুলোকে বের করছেন। এরপর তারা ইঁদুরগুলোকে রাখার জন্য কিছু জিনিসপত্র ও যন্ত্র স্থাপন করেছেন এবং সেগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন। সক্রিয় হওয়ার পর ওই ডিভাইসটি ইঁদুরগুলোর নির্ধারিত বাক্সে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের স্থিতিশীল তাপমাত্রা বজায় রেখেছে। আরামদায়ক এ পরিবেশে ইঁদুরগুলো খাবার খেয়েছে। তাদের আচরণও স্বাভাবিক। ইঁদুরের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাটি যখন খোলা হয়, তখন দেখা যায় ওটার ভেতর শূন্য মাধ্যাকর্ষণের কারণে ইঁদুরের মল ও খাবারের কণা ভাসছে। পরে বাতাস প্রবাহিত করে সেই কণাগুল...
চীনা তরুণদের আবিষ্কার: পরিবেশবান্ধব শৌচাগার ও স্কোলিওডিটেক্ট

চীনা তরুণদের আবিষ্কার: পরিবেশবান্ধব শৌচাগার ও স্কোলিওডিটেক্ট

China
চীনের তরুণ উদ্ভাবকেরা শুধু প্রযুক্তি নয়—হৃদয় আর মানবিকতার মিশেলে গড়ে তুলছেন আনকোরা এক ভবিষ্যৎ। প্রথমেই আসা যাক চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণের তৈরি ‍উদ্ভাবনী এক শৌচাগারের প্রসঙ্গে। যার নাম পিউরেকো। সাশ্রয়ী  এই টয়লেটটি অতিশীতল ও খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা—এমনকি যেখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থারও দরকার নেই, সেখানেও ব্যবহার করা যাবে পিউরেকো। এর বড় বৈশিষ্ট্যটি হলো এতে ফ্ল্যাশ করতে কোনো পানি লাগবে না, সৌরশক্তি ও বাতাসের শক্তি ব্যবহার করে এটি বর্জ্য আলাদা করে, সেইসঙ্গে এর ভেতর আলো আর তাপ আসবে উপরে লাগানো সোলার প্যানেল থেকে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি এতে দূর করবে দুর্গন্ধ। আবার মানব বর্জ্য থেকে সারও বানাবে এই টয়লেট। অর্থাৎ, পানি বা বিদ্যুৎ ছাড়াই একটি স্যানিটেশন ব্যবস্থা এই পিউরেকো। কেন এ ধরনের শৌচাগার তৈরির চিন্তা এলো পিউরেকো দলের সদস্য লিয়াং চি ও তার ...
এপেক নেতাদের ৩২তম অনানুষ্ঠানিক সভার দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি’র বক্তৃতা

এপেক নেতাদের ৩২তম অনানুষ্ঠানিক সভার দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি’র বক্তৃতা

China
সম্মানীয় প্রেসিডেন্ট লি জাই-মিং, সহকর্মীরা, বর্তমানে, নতুন দফা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্প-বিপ্লব গভীরভাবে বিকশিত হচ্ছে, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অগ্রগামী প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি মানবজাতির জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। একই সময়ে, বিশ্ব-অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতি অপর্যাপ্ত, বৈশ্বিক উন্নয়ন ঘাটতি প্রসারিত হচ্ছে, এবং জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার মতো চ্যালেঞ্জগুলো তীব্রতর হচ্ছে। এপেক অর্থনীতিগুলোর পারস্পরিক সুবিধাজনক সহযোগিতা জোরদার, নতুন সুযোগ কাজে লাগানো এবং নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা উচিত, যাতে আমরা সম্মিলিতভাবে একটি টেকসই ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি। এ জন্য, আমি তিনটি প্রস্তাব দিতে চাই: প্রথমত, ডিজিটাল ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতায়ন শক্তিশালী করে এপেকের উদ্ভাবনী উন্নয়নে নতুন সুবিধা তৈরি করতে হবে। আমাদের নতুন প্রযুক্তির চালিকা ও ক্ষমতায়নমূলক...
একটি চীনা গ্রামের পুনরুজ্জীবনের গল্প

একটি চীনা গ্রামের পুনরুজ্জীবনের গল্প

China
শানতোং প্রদেশের পাহাড়ঘেরা ইইয়ুয়ান জেলার ছোট্ট একটি গ্রাম হৌচিয়াকুয়ানচুয়াং। দুপুরে এ গ্রামের এক ছোট্ট কমিউনিটি ক্যান্টিনে ভিড় জমে বয়স্ক মানুষদের। মেনুতে থাকে মাংস দিয়ে বাঁধাকপি ও সেমাই, আলুভাজা, বাজরার খিচুড়ি আর নরম পাউরুটি। পরিবেশন করেন লাল জ্যাকেট পরা স্বেচ্ছাসেবীরা। জনপ্রতি খরচ মাত্র ১ ইউয়ান। বাংলাদেশি টাকায় ২০ টাকারও কম। চীনের অনেক বয়স্কই এখন একা থাকেন। রান্না, দৈনন্দিন যত্ন আর চিকিৎসা—সবই কষ্টকর তাদের কাছে। তবে এ ধরনের ক্যান্টিন এখন তাদের জন্য শুধু খাবারের জায়গা নয়, হয়ে উঠেছে হাসি-আনন্দ আর প্রাণবন্ত এক আড্ডাখানা। সেইসঙ্গে গ্রামের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন ও মানুষের উন্নয়নকে ঘিরে যে চীনের যে শাসনব্যবস্থা, সেটার এক অনুকরণীয় উদাহরণও তৈরি করেছে। জেলাটির জনসংখ্যা ৫ লাখ ১৫ হাজারের মতো। এর মধ্যে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের হার ২৬ শতাংশ—জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি। গ্র...
চীনের তাকলামাকানে সবুজের জয়

চীনের তাকলামাকানে সবুজের জয়

China
একসময় যাকে বলা হতো ‘মৃত্যুর সাগর’, চীনের সেই সিনচিয়াং উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সুবিশাল তাকলামাকান মরুভূমি আজ জেগে উঠেছে নতুন প্রাণে। বহু বছরের নিরলস পরিশ্রমের পর, হাজার হাজার কিলোমিটারজুড়ে বালু রোধের এক দীর্ঘ বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে—যা মরুভূমিকে ঘিরে তৈরি করেছে এক সবুজ প্রাচীর। তারিম অববাহিকার কেন্দ্রে থাকা তাকলামাকান চীনের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। আর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চলমান বালুর মরুভূমি। প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই মরুভূমি সিনচিয়াংয়ের মোট ভূমির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে আছে। আশপাশের এলাকার উন্নয়নে এ মরু ছিল বড় বাধা। কিন্তু সাম্প্রতিক দশকগুলোতে সিনচিয়াং প্রশাসন একযোগে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে যুক্ত করে শুরু করে মরুভূমি রোধ ও সবুজায়নের অভিযান। তাকলামাকানের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত ছিয়েমো কাউন্টি এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা র...
শিনচিয়াংয়ের ‘চাঁদের ফুল’ ড. আন ইয়োংশিয়া

শিনচিয়াংয়ের ‘চাঁদের ফুল’ ড. আন ইয়োংশিয়া

China
উত্তর-পশ্চিম চীনের সিনচিয়াং উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের বোরতালা মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্তশাসিত প্রিফেকচারের বায়ারবুলাগ গ্রামে আছেন ডাক্তার আন ইয়োংশিয়া। গত তিন দশক ধরে হাসিমুখে সেবা দিয়ে আসছেন গ্রামের মানুষদের। স্থানীয়রা ভালোবেসে তাকে ডাকে ‘চাঁদের ফুল’। ১৯৯৫ সালের গোড়ার দিকে যখন ডা. আন এই গ্রামে আসেন, তখন এলাকাটিতে ছিল একটি জরাজীর্ণ ক্লিনিক আর উইগুর ভাষার মানুষজন, যে ভাষার কিছুই বুঝতেন ডা. আন। শুরুতে তাই বেশ হতাশায় কাটতো তার দিন। তবে তিন দশকে যেমন বদলে গেছে তার ক্লিনিক, তেমনি ডা. আনও এখন অনর্গল বলতে পারেন উইগুর ভাষা। ডা. আন ইয়োংসিয়ার ভাষ্যে, ‘যখন প্রথম আসি, তখন বয়স ছিল মাত্র ২১। ১৯৯৫ সালে গ্রামের ক্লিনিকটি ছিল গ্রামকমিটির মালিকানাধীন এক জীর্ণ কাদামাটির ঘরে। ভেতরে ছিল একটি ভাঙা কাঠের ওষুধের আলমারি, চার পায়ার একটি কাঠের খাট আর ছোট চেয়ার-টেবিল। শুরুতে যাতায়াতের অসুবিধা দেখ...
নিউট্রিনো শনাক্ত করবে চীনের বিস্ময় চুনো নিউট্রিনো ডিটেক্টর

নিউট্রিনো শনাক্ত করবে চীনের বিস্ময় চুনো নিউট্রিনো ডিটেক্টর

China
নাম তার চুনো। পুরো নাম চিয়াংমেন আন্ডারগ্রাউন্ড নিউট্রিনো অবজারভেটরি। সম্প্রতি চালু হওয়া চীনের অতিকায় এ গবেষণাগারটি মূলত একটি ডিটেক্টর। যার কাজ হলো সূক্ষ্মতম কণা নিউট্রিনো শনাক্ত করা। আর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী এ নিউট্রিনো ডিটেক্টরটি পুরোপুরি মেড ইন চায়না। আমরা শক্তিশালী টেলিস্কোপে যে মহাবিশ্ব দেখতে পাই, তা মূলত আসল মহাবিশ্বের একটি ক্ষুদ্র অংশ। এর বাইরেও আছে অসংখ্য অদৃশ্য কণা, শক্তি আর গোপন সব প্রক্রিয়া, যেগুলো বোঝা ছাড়া মহাবিশ্বকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। আর এসব রহস্যময় কণার মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত কণাটির নাম নিউট্রিনো। বিজ্ঞানীমহলে এ কণাকে বলা হয় ভুতুড়ে কণা। কারণ, এই নিউট্রিনো প্রায় সব কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। এমনভাবে এ কণা ছুটে বেড়ায়, যেন তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই। চীনের কুয়াংতোং প্রদেশের কাইপিং এলাকায় নির্মিত হয়েছে চুনো। ভূ-পৃষ্ঠের ৭০...
চীনে ফিরে এলো হারানো প্রস্রবণ

চীনে ফিরে এলো হারানো প্রস্রবণ

China
গত কয়েক দশকের ধারাবাহিক পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় চীনজুড়ে মোট ১০২টি প্রস্রবণে এখন প্রবাহিত হচ্ছে টলটলে পানি। শুধু প্রকৃতি নয়, স্থানীয় সংস্কৃতি, সৃজনশীল শিল্প ও পর্যটন খাতেও লেগেছে নতুন জোয়ার। শানতোং প্রদেশের রাজধানী চিনান শহরকে বলা হয় প্রস্রবণের শহর। এখানে রয়েছে বারোশ’রও বেশি প্রাকৃতিক প্রস্রবণ। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত বাওতু স্প্রিং, যা এ শহরের একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ১৯৬৬ সালের পর এবার এই প্রস্রবণে পানির স্তর রেকর্ড ৩০.২৯ মিটারে পৌঁছেছে। আগে এমন সময়ও গেছে, যখন টানা ৯২৬ দিন শুকনো থাকতো এই স্প্রিং। তাই স্থানীয় সরকার গত কয়েক বছর ধরে পানি পুনঃসরবরাহ, খালবিল পরিষ্কার ও আশপাশের পরিবেশ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয়। এখন বাওতুর তিনটি জলধারা একটানা ফোয়ারার মতো ছুটে চলছে। স্থানীয় ডিজাইনার লিউ সিনইয়া জানালেন, ‘আগে শুনতাম এই স্প্রিংটি দীর্ঘদিন শুকিয়ে ছিল। এখন এটি শুধু শহরের রূপ...
রেকর্ড গড়তে চলেছেন শেনচৌ-২০ নভোচারীরা

রেকর্ড গড়তে চলেছেন শেনচৌ-২০ নভোচারীরা

China
শেনচৌ-২০ মিশনের মহাকাশচারীরা ১৮৮ দিন ধরে কক্ষপথে অবস্থান করছেন। তারা চীনা মহাকাশচারী হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় কক্ষপথে থাকার রেকর্ড গড়তে চলেছেন বলে জানিয়েছে চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সির মুখপাত্র চাং চিংবো। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে সংবাদ অনুষ্ঠিত হয় উত্তর-পশ্চিম চীনের চিউছুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টারে। মিশনের কমান্ডার ছেন তোং চীনের প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে ৪০০ দিনেরও বেশি সময় মহাকাশে আছেন। তিনি মোট ছয়টি স্পেসওয়াক সম্পন্ন করেছেন, যা কোনো চীনা মহাকাশচারীর মধ্যে সর্বোচ্চ। ছেন চোংরুই ও ওয়াং চিয়ে প্রথমবার মহাকাশে গিয়ে তাদের যাবতীয় কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। মিশনের সময় দলটি চারটি স্পেসওয়াক এবং সাতটি কার্গো স্থানান্তর অপারেশন সম্পন্ন করেছে। কক্ষপথে ভাসতে থাকা নানা জিনিসপত্র থেকে স্টেশনকে সুরক্ষা দেওয়ার যন্ত্র বসানো, বাহ্যিক সহায়ক যন্ত্র সেট করা এবং এক্সট্রাভেহিকুলার সুবিধা ও...
পেরোভস্কাইট সৌরকোষে ৩০ শতাংশ দক্ষতার রেকর্ড চীনের

পেরোভস্কাইট সৌরকোষে ৩০ শতাংশ দক্ষতার রেকর্ড চীনের

China
প্রথমবারের মতো পেরোভস্কাইট সৌর কোষের দক্ষতা ৩০ শতাংশ ছাড়াতে সক্ষম হয়েছে চীনের একটি যৌথ গবেষণা দল। এ আবিষ্কারকে সৌরশক্তি প্রযুক্তিতে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন নানচিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থান হাইরেন এবং ন্যাশনাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট অব ইনোভেশনের অধ্যাপক ছাং ছাও। গবেষণার ফল নেচার জার্নালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। পেরোভস্কাইট সৌরকোষের কার্যকারিতা বাড়ানো কঠিন ছিল, কারণ কোষের ভেতরে চার্জ কীভাবে প্রবাহিত হচ্ছে তা কোষের ক্ষতি না করে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এ সমস্যার সমাধানে গবেষকরা টেরাহার্টজ নন-ডেস্ট্রাকটিভ স্ক্যানিং পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা কোষের কাজ বন্ধ না করেই চার্জের চলাচল রিয়েল-টাইমে দেখায়। এতে দেখা যায়, কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে প্রচুর শক্তি নষ্ট হচ্ছিল। এ সমস্যা দূর করতে অধ্যাপক থান একটি বিশেষ ‘ডাইপোলার প্যা...
গভীর সমুদ্রে অভিযান চালাবে চীনের এআই জেলিফিশ রোবট

গভীর সমুদ্রে অভিযান চালাবে চীনের এআই জেলিফিশ রোবট

China
চীনের শায়ানসি প্রদেশের সি’আন শহরের নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিকে ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এমন এক জেলিফিশ-নকশার রোবট তৈরি করেছেন যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চলে এবং গভীর সমুদ্র অন্বেষণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাইক্রো ও ন্যানো সিস্টেমস ফর অ্যারোস্পেস ল্যাবরেটরিতে তৈরি ‘আন্ডারওয়াটার ফ্যান্টম’ নামের বায়ো-মিমেটিক ঘরানার রোবটটির প্রস্থ ১২০ মিলিমিটার এবং ওজন ৫৬ গ্রাম। স্বচ্ছ দেহ ও ইলেকট্রোহাইড্রোলিক কৃত্রিম পেশি দিয়ে এটি প্রায় নীরবে কম বিদ্যুতে দীর্ঘ সময় চলতে পারে। রোবটটি মাত্র ২৮.৫ মিলিওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। রোবটটির এআই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন এবং পরিবেশ বুঝে নিজেকে পরিচালনা করতে পারে। সূত্র: সিএমজি বাংলা...
এআই’র নিরাপত্তা নিশ্চিতে চীনের সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী খসড়া

এআই’র নিরাপত্তা নিশ্চিতে চীনের সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী খসড়া

China
চীনের সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনীর খসড়া আগামী জাতীয় গণকংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটির অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। এই সংশোধনীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ ও সুষ্ঠু উন্নয়ন সম্পর্কিত নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।স্থায়ী কমিটির আইন বিষয়ক কমিশনের মুখপাত্র ওয়াং সিয়াং সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই খসড়া নতুন প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।তিনি বলেন, এতে আইনি দায়বদ্ধতা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তার দিকনির্দেশনা বিস্তৃত করা হয়েছে, এবং সিভিল কোড ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বাড়ানো হয়েছে।১৪তম জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ১৮তম অধিবেশন চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। সূত্র: সিএমজি বাংলা...
সাড়া ফেলছে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচারে চীনের নতুন প্রযুক্তি

সাড়া ফেলছে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচারে চীনের নতুন প্রযুক্তি

China
সম্প্রতি শাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ১০০ জন মেরুদণ্ড সার্জারি বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। সম্মেলনের মূল আকর্ষণ ছিল চীনে উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি—ইউনি-পোর্ট বাই-চ্যানেল ডুয়াল-মিডিয়া (ইউবিডি)। বলা যায় মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচারে বিপ্লব ঘটিয়েছে এটি। এর মাধ্যমে আগের মতো ২০ সেন্টিমিটারের পরিবর্তে মাত্র ১ সেন্টিমিটার ছিদ্র করে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব। জাপান, ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া ও ইকুয়েডরসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা এই প্রযুক্তিতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এটি সার্জারির নিরাপত্তা ও রোগীর সেরে ওঠার মান উন্নত করবে। অক্টোবর ১৬ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই প্রথম আন্তর্জাতিক ইউবিডি স্পাইনাল এন্ডোস্কোপি ও ইনোভেটিভ সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল চীনা প্রযুক্তি সম্পর্কে বৈশ্বিক ধারণা বাড়ানো। ভারতের একটি হাসপাতালের পর...
শেনচৌ ২১-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন

শেনচৌ ২১-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন

China, News
অক্টোবর ২৪, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীন শিগগিরই উপযুক্ত সময়ে শেনচৌ–২১ মানববাহী মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করবে বলে জানিয়েছে চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি (সিএমএসএ)। সংস্থাটি শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, শেনচৌ–২১ মহাকাশযান ও লং মার্চ–২এফ রকেট ইতোমধ্যে উৎক্ষেপণ এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। সিএমএসএ আরও জানায়, উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের সব সুবিধা ও যন্ত্রপাতি ভালো অবস্থায় আছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যকারিতা পরীক্ষা ও মহড়া চলছে। এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে চীন তার মহাকাশ স্টেশনে নতুন নভোচারী দল পাঠাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।...
চীন এখনও বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে গতিশীল উৎস: অর্থনীতিবিদ

চীন এখনও বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে গতিশীল উৎস: অর্থনীতিবিদ

China
চীন এখনও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে স্থিতিশীল ও গতিশীল উৎস—মঙ্গলবার এমন মন্তব্য করেছেন এক শীর্ষ অর্থনীতিবিদ। চীনের ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনের অধীনস্থ অ্যাকাডেমি অব ম্যাক্রোইকনমিক রিসার্চের অর্থনীতিবিদ লিউ শুয়েইয়ান জানান, চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে চীনের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের বছরের তুলনায় ৫.২ শতাংশ বেড়েছে, যা অন্যান্য বড় অর্থনীতির তুলনায় অনেক বেশি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে চীনের জিডিপি দাঁড়িয়েছে ১০১.৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে। শুধু তৃতীয় প্রান্তিকেই দেশটির অর্থনৈতিক উৎপাদন ছিল ৩৫.৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির ২০২৪ সালের পুরো বছরের সম্ভাব্য জিডিপিকেও ছাড়িয়ে গেছে। সূত্র: সিএমজি...