Stories Archives - Mati News
Monday, January 26

Stories

ধারাবাহিক: তিন রেখা প্রেম পর্ব ৪-৬ (শেষ)

ধারাবাহিক: তিন রেখা প্রেম পর্ব ৪-৬ (শেষ)

Stories
আগের পর্বের লিংক ১ ২ ৩ পর্ব–৪ : ছায়ার কৌশল শোবিজে গুজব বাতাসের মতো—কেউ দেখায় না, কিন্তু সবাই শ্বাস নেয়। ফারিণের নামের পাশে হঠাৎ প্রশ্নচিহ্ন জুড়ে যায়। সাদিয়া ল্যাপটপ বন্ধ করে বলল,“খবরটা ছড়িয়েছে।” মাহি ধীরে জিজ্ঞেস করল,“আমরা কি খুব দূরে চলে যাচ্ছি?” সাদিয়া তাকাল।“আমরা আগেই দূরে ছিলাম। এখন শুধু ফিরছি।” ফারিণ শুটিং সেটে দাঁড়িয়ে।ক্যামেরা তার দিকে, কিন্তু চোখ খুঁজছে আলমকে। “আজ তুমি চুপ কেন?”সহশিল্পী জিজ্ঞেস করল। ফারিণ হালকা হাসল।“কারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর ক্যামেরায় দেওয়া যায় না।” রাতে— “তারা কি আমাকে সরাতে চায়?”ফারিণ সরাসরি জিজ্ঞেস করল। আলম উত্তর দিল না। ফারিণ শান্ত গলায় বলল,“নীরবতা যদি তোমার সিদ্ধান্ত হয়, আমাকে জানিও।” পর্ব–৫ : ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে একটি অনুষ্ঠানে— মাহি ফারিণের সামনে দাঁড়িয়ে বলল,...
ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

Stories
: ফেরার আলো প্রথম পর্ব “আপনি কি আলম আলমগীর?”মেয়েটার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, চোখে অভ্যস্ত আলো। “হ্যাঁ,” আলম বলল।“আপনি…?” “ফারিণ,” সে হেসে বলল।“ফারিণ আহমেদ। কাজ করি ক্যামেরার সামনে।” “আমি ক্যামেরার বাইরে মানুষ খুঁজি,” আলম অস্বস্তি লুকিয়ে বলল। ফারিণ থামল।“তাহলে কথা বলা যাক।” সময় গড়াল। শুটিং সেট, কফি, রাতের দীর্ঘ কথা। একদিন ফারিণ বলল,“তুমি সব সময় মাঝখানে থেমে যাও কেন?” আলম দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল।“কারণ আমি একসময় দুজনকে ছেড়ে এসেছি।” “তারা কি তোমাকে ছেড়েছিল?” ফারিণ জিজ্ঞেস করল। “না,” আলম বলল।“তারা আমাকে বাঁচাতে চেয়েছিল।” ফারিণ শান্ত কণ্ঠে বলল,“আমি বাঁচাতে চাই না। আমি পাশে থাকতে চাই।” ইনস্টাগ্রামে ছবি ওঠে— Alam & Farin ✨ ছবিটা প্রথম দেখল সাদিয়া। “সে ফিরে এসেছে,” সে ফিসফিস করল।“কিন্তু এবার আলো নিয়ে।” মাহি ফোনে বলল,“আলো থাকলে ছায়া...
বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

Stories
লেখক: এআই চট্টোপাধ্যায় “তুমি আবার আমার জায়গায় বসেছ কেন?”সাদিয়ার কণ্ঠে বিরক্তি। মাহি চোখ তুলে তাকাল।“এই বেঞ্চে তোমার নাম লেখা আছে নাকি?” “আছে,” সাদিয়া ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল, “আলম বসে এখানে। আমি তার পাশে বসি।” মাহি হেসে ফেলল।“আলম সবার বন্ধু। শুধু তোমার না।” দূরে দাঁড়িয়ে আলম আলমগীর সব শুনছিল। সে শুধু বলল,“এই এই, যুদ্ধ বন্ধ করো। দুজনেই আমার বন্ধু।” সাদিয়া মুখ ফিরিয়ে নিল।মাহিও চুপ করে গেল। ক্যাম্পাসে এই দৃশ্য নতুন না। সাদিয়া—শান্ত, গভীর চোখের মেয়ে। মাহি—চঞ্চল, সরাসরি কথা বলা। দুজনের একটাই মিল—মাহি আলমকে ভালোবাসে, আর সাদিয়াও। কিন্তু আলম?সে শুধু বন্ধু হিসেবেই জানে। একদিন ক্যান্টিনে— মাহি বলল,“তোমার সমস্যা কী আমার সাথে?” সাদিয়া শান্তভাবে জবাব দিল,“সমস্যা নেই। শুধু… তুমি আলমকে নিয়ে বেশি কথা বলো।” “কারণ আমি তাকে ভালোবাসি,” মাহি সোজাসাপ্টা বলল...
বরপুত্র তারেক জিয়া 

বরপুত্র তারেক জিয়া 

Stories
জাহাঙ্গীর চৌধুরী  গণতন্ত্রের উন্মুক্ত দ্বার  মহান শহীদ জিয়ার,  বেগম জিয়া রেখেছিলেন সফলতায় বারবার।  স্বৈরাচারীর হস্তে কর্তন  গণতন্ত্রের মাথা, দেড়যুগ ধরে দেশের মানুষ  ভুগছে বিষের ব্যাথা।  স্বৈরাচারী দেশ ছেড়েছে বরপুত্র আজ দেশে,  গণতন্ত্রের সুত্র নিয়ে  চলে বীরের বেশে। পরিচয় তার তারেক জিয়া  বাংলাদেশের হিয়া,  ছিনিমিনি বন্ধ করবে  সোনার বাংলা নিয়া। হে বীর সন্তান জাগ্রত হও পূতপবিত্র কাজে,  বাংলাদেশকে সাজাও এবার  গণতন্ত্রের সাজে। বনশ্রী হাউজিং,রামপুরা,ঢাকা। ...
শেখ সাদী 

শেখ সাদী 

Stories
ওমর ফারুক (সভাকবি) একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিলেন এবং অনুমতি লইয়া খাবার টেবিলে বসেছিলে।তাহার সামনে খাবার রাখা হইলো।তিনি খাওয়া আরম্ভ করিবেন তখনই বাড়িওয়ালা আসিয়া উপস্থিত হইলো।বলিল,কে এই ভিখারি?গর্দান ধরিয়া ওকে বাহির করিয়া দাও।সবাই তাহাকে বাহির করিয়া দিলো।সাদী বলিল,আমি ভিখারি নহে;বাড়িওয়ালা বলিল,কে তুই? তোর পোশাকেই তো বুঝা যায় তুই অধম ভিখারী। মন খারাপ করিয়া চলিয়া আসিলেন। বছর শেষে আবার ওই বাড়িতে উৎসবের ঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে।এইবার শেখ সাদীও দাওয়াত পাইয়াছেন।তিনি তার সবচেয়ে দামি পোশাকে পরিয়া বাড়িতে হাজির।সবাই তাহাকে দেখিতে ভিড় করিল। যথেষ্ট আপ্যায়ন করিলো।খাব...
শেষ আমন্ত্রণ : উপন্যাস

শেষ আমন্ত্রণ : উপন্যাস

Stories
সাবিত রিজওয়ান তুফান সীমাকে ভালবাসে। সীমাও বলেছিল— “তোমায় অনেক ভালবাসি।” প্রেমের আট মাস কেটে গেছে ফোনে নিয়মিত আলাপে। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে কথা। সীমার কাছে সবসময় টাকা থাকে না—বাবা বা ভাই যেদিন দেয়, সেদিনই। তুফানও একইরকম—শিক্ষার্থী, নিজের আয় নেই। বাবা কিছু টাকা দিলেও কোনো মাসে দুইবার কোনো মাসে একবার দেয়, তবে মাসে একবার দেওয়া এটাই বেশি ঘটেছে। তাই তুফান চেষ্টা করে মাসে অন্তত এক-দুইবার কল দিতে। কখনো কথা হয়, কখনো ফোন বন্ধ, কখনো ব্যস্ত। এরপরের মাসে তুফানের নিজেরও টাকা প্রয়োজন পড়ে—ফোন রিচার্জ করতে পারে না। দু’মাস তারা কথা বলে না। সীমাও আর কোনোদিন কল দেয়নি। তারপরের মাসে তুফান ফোন দিলে বারবার ব্যস্ত। এভাবে তিন-চার-ছয় মাস কেটে যায়। কখনো ফের সীমার ফোন ধরেছিলেন তার বাবা-মা। সাত মাস ধরে তুফান আর সীমার কথাই হয়নি।  গাইবান্ধা যাত্রা তুফান রংপুরে থাকত। হঠাৎ বাবা তাকে গাইবান...
আত্মার বন্ধন : রোমান্টিক গল্প

আত্মার বন্ধন : রোমান্টিক গল্প

Stories
রাহেলা আক্তার  অবনী থার্ড ইয়ারের ছাত্রী। সামনে ফাইনাল এক্সাম। ভীষণ চিন্তায় ভুগছেন। একমাত্র ভাই এবার এস এস সি এক্সাম দিবে। ছোট বোন ক্লাস এইটে পড়ে। তিন ভাই বোনের মাঝে অবনীই বড়। অবনীর "মা" নীলিমা চৌধুরী আজ দশ বছর ব্রেস্ট ক্যান্সারে ভুগছেন। প্রথম চার বছর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও বছর খানেক পরে আবার দেখা দেয়। এবার ফারমেন্ট চট্টগ্রাম মেরিন সিটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিন মাস পরপর কেমোথেরাপি চলে, থেরাপি দিতে দিতে নীলিমা চৌধুরীর চুল প্রায় উঠে গেছে, পশম খসে পড়তেছে। অবনী রাতদিন হাসপাতালে মায়ের সেবা করে যাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে মায়ের শারীরিক অবস্থা একটু ভালো দেখা দিলে মাকে নিয়ে হাসপাতালের পাশেই অবনীর আন্টিদের বাসায় বেড়াতে নেন। অবনীর বাবা আদনান চৌধুরী নিউইয়র্ক থাকেন। স্ত্রী অসুস্থ হবার পর থেকে তিনি তেমন দেশে ফিরেন না। চিকিৎসা বাবদ কিঞ্চিৎ খরচ দেন। অবনীর নানার বাড়ি থেকেই বেশির ভাগ খ...
মাথায় হাতটি রেখো

মাথায় হাতটি রেখো

Stories
  আব্দুস সাত্তার সুমন পৃথিবীতে এসে আমি  কান্না করি যখন, বুকের মাঝে আপন নীড়ে  ধরে রাখো তখন। ছোট্ট যখন ছিলাম আমি   বলতে পারিনা, আমার ভাষা বুঝতে তুমি ছেড়ে যেতে না। ধীরে ধীরে বড় হই  কত বাধা আসে! অশুভ ওই ছায়া দেখে  থাকতে আমার পাশে। আমি যখন বুঝতে শিখি  ভুল করে শেষে অন্যায় গুলো শুধায় ধর ভালোবাসার বেশে। সারা জীবন এভাবেই  আমার পাশে থেকো, দোলনা থেকে মৃত্যু অবধ  মাথায় হাতটি রেখো। Get a Great offer...
একটি করুণ অধ্যায়ের যবনিকা

একটি করুণ অধ্যায়ের যবনিকা

Stories
রকিবুল ইসলাম প্রতিটা সম্পর্কেরই একটা মানে থাকে,একটা অর্থবহ নামও থাকে। এই সম্পর্কের জেরেই মানবকূল তথা প্রাণীজগতের সকল পাত্র-পাত্রীই একে অন্যের নিকটে আসে,ঘনিষ্ঠ হয়,স্বপ্ন দেখে,ঘর বাঁধে।  তারা নিমজ্জিত হয় সুখের সাগরে। এই সম্পর্কের মাঝেই আবার টানাপোড়েন থাকে।  সুখের ক্ষণে ছেদ পড়ে।ভালবাসা,মায়া-মমতায় পড়ে ভাটা।  এই ধরণীর সকল সুখপ্রত্যাশী পাত্র-পাত্রীরাই তখন হয়ে পড়ে কিংকর্তব্যবিমুঢ়,হতাশাগ্রস্থ। পানসে হয়ে যায় অতীব মধূর সম্পর্কটা। সম্পর্কের মান আর অবশিষ্ট থাকে না।শুধুমাত্র মান-মর্যাদাহীন সম্পর্কের নাম রাখতেই এবং এর পতাকা বহন করতেই এখন তারা সদা-সর্বদা ব্যস্ত,তটস্থ। প্রাপ্তিযোগ চাওয়ার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় তালমিলিয়ে চলতে চলতে একটা সময় তারা হাফিয়ে ওঠে।  কারণ,এর মাঝে তখন আর কোন আন্তরিকতার বিন্দুমাত্র অবশিষ্ট  থাকে না। কৃত্রিমতা দি...
কাছে আসার গল্পটা এমনও হতে পারে

কাছে আসার গল্পটা এমনও হতে পারে

Stories
সাবরিনা তাহ্সিন  রাতের অন্ধকারে, ঘুমের ভেতর একটি অদ্ভুত ঘটনা যেন জীবন্ত হয়ে উঠল। স্বপ্নের শুরুটা ছিলো হঠাৎ একটি বড়সড় এক্সিডেন্ট দিয়ে। রাগে ভরা মনে বাসা থেকে বেরিয়েছিলাম, দিগ্বিদিকশূন্যভাবে হাঁটছিলাম। কখন যেন রাস্তার মাঝখানে চলে এলাম, আর সেই মুহূর্তে মোটরবাইক ও প্রাইভেট কারের ত্রিমুখী সংঘর্ষ—সবকিছু একসাথে থমকে গেল। মোটরবাইক চালক আহত হলো, আর আমার অবস্থা গুরুতর। সবাই দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালো। প্রাইভেট কারের লোকেরা ভেবেছিল অনিক এবং আমি সম্পর্কিত, তাই তারা অনিকের পরিবারকে খবর দিল। অনিকের মা, ভাই, ভাবী এবং বড় বোন হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে এলেন। “হ্যাঁ রে, তুই ঠিক আছিস? কোথায় লেগেছে?”—মায়ের কণ্ঠে উদ্বেগ। “মা, আমি ঠিক আছি। মাথায় একটু আঘাত পেয়েছি। চিন্তা করো না।” অনিক শান্ত স্বরে বলল। হঠাৎ তার স্মৃতিতে ভেসে উঠল, “সে ঠিক আছে তো? তার কিছু হয় নি তো?” অনিকের মা অবাক হয়ে জিজ্ঞ...
সব হারালাম

সব হারালাম

Stories
নবী হোসেন নবীন আলেয়াকে ভালোবেসে আলো হারালাম আলোর মিছেলে গিয়ে দীপ নিভালাম। প্রেমের পরশ পেতে প্রেম হারালাম জোছনা পানের আশে চাঁদ হারালাম। পথের প্রান্তে এসেও পথ হারালাম আশার তরণী বেয়ে নাও ডুবালাম। আশার পিছনে ছুটে আয়ু হারালাম আজ নয় কাল হবে বলেই গেলাম। পাওয়ার কথা ভুলে চেয়েই গেলাম। বেশি চেয়ে অবশেষে সব হারালাম। গ্রাম-বাঁশিল,ডাকঘর-কাঠালী উপজেলা-ভালুকা,ময়মনসিংহ...
ক্ষুদ্র জীবন

ক্ষুদ্র জীবন

Stories
আব্দুস সাত্তার সুমন  দিনের আকাশে যখন তাকিয়ে থাকি, দূর ওই নীল আসমানে, বিশাল এই অট্টালিকা  দাঁড়িয়ে আছে আপন মনে। রাতের আকাশে তারা গুলো জ্বলজ্বল করে জ্বলে,  কে বানালো এই চাঁদ সূর্য? কে বানালো আমাকে? পরিবর্তন হচ্ছে সবই– পরিবর্তন নেই জীবনের, মৃত্যু যখন আসবে আবার যেতে হবে ওই চরণে। ক্ষুদ্র জীবনের কত মায়া, কত আবেগ, কত স্মৃতি, সব মুছে যাবে এক পলকে। যেতে হবে বাস্তব! অদৃশ্য এই জগতে। যেখানে রয়েছে অসীম সময়ের দীর্ঘক্ষণ, হবে যার যার কর্মফল! কেউ ঘুরে বেড়াবে, কেউ ছুটে চলবে, পুলসিরাতের পালোকে। কেন এত ঘৃণা? কেন এত অবহেলা? একদিন সবকিছুই স্তব্ধ হবে নিথর ওই দেহ যে। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বাংলাদেশ , ২০২৫...
তুমি কার প্রেমে বিভোর 

তুমি কার প্রেমে বিভোর 

Stories
আব্দুস সাত্তার সুমন  তুমি কার প্রেমে বিভোর, বলো তো? এই দুনিয়ার রঙিন মরীচিকায়? নাকি সেই আখিরাতের আলোয়, যেখানে প্রেমের মৃত্যু নেই? দুনিয়ার প্রেম যেন হঠাৎ বৃষ্টির মতো, আসে, ছুঁয়ে যায়, মিলিয়ে যায়। তোমার হাসিতে যেমন সূর্যের ঝলক, তেমনি তোমার চোখে লুকানো এক অজানা প্রস্থান যা তুমি ঘিরে আছো, সবই ক্ষণস্থায়ী, সবই চলে যাবে। কিন্তু আখিরাতের প্রেম– যে প্রেমে দেহ নেই, কেবল আছে আত্মার শুদ্ধির জ্যোতি। যেখানে ভালোবাসা আর ইবাদত একসাথে জ্বলে, যেখানে হৃদয় কারও জন্য নয়, বরং আল্লাহর পথে নিবেদিত। তুমি কার প্রেমে বিভোর? যদি দুনিয়ার জন্য হও, তবে সে এক ক্ষণিক জ্বাল আর যদি আখিরাতের প্রেমে বিভোর হও, তবে তুমি নিজেই আলোর প্রতিচ্ছবি। দুনিয়ার প্রেমে চোখ ভিজে, আখিরাতের প্রেমে আত্মা শান্ত হয় আর এই দুইয়ের মাঝে তুমি দাঁড়িয়ে আছো, এক অনন্ত প্রশ্নের মুখোশ পরে অ...
কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

Op-ed, Stories
আপনার সঙ্গী কি আপনার সাথে শোয়, কিন্তু কথা বলে না? তাহলে অভিনন্দন, আপনি এক জীবন্ত লাশের সাথে বসবাস করছেন। statement টা শুনেই আপনার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠলো? মনে হচ্ছে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কেউ নোংরাভাবে উঁকি মারছে? নিজের ভালোবাসার সম্পর্কটাকে এতটা কদর্যভাবে আক্রমণ করায় লেখকের গলা টিপে ধরতে ইচ্ছে করছে? করুন। আপনার সব ক্ষোভ, সব অপমান আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। কিন্তু এই লেখাটি যদি আপনার ভেতরের সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিটাকে জাগিয়ে তুলতে না পারে, যদি আপনার সাজানো-গোছানো সম্পর্কের মিথ্যার দেওয়ালটা কাঁপিয়ে দিতে না পারে, তবে বুঝবেন আমার কলম ধরাটাই বৃথা। আমরা এক অদ্ভুত ডিজিটাল কসাইখানায় বাস করি, যেখানে আমরা সম্পর্কগুলোকে লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার দিয়ে ওজন করি। আমরা একে অপরের শরীর চিনি, কিন্তু আত্মাটাকে চিনি না। আমরা একসাথে ডিনার করি, কিন্তু কথা বলি ফোনের স্ক্রিনের সাথে। আমরা একসাথে বিছানায় যা...
হৃদয়ের যত্ন নিও

হৃদয়ের যত্ন নিও

Stories
জলের অভাবে মরতে বসা ছাদের ফুল গাছটার মতো একটু নিজের হৃদয়ের যত্ন নিও। আব্বার পাঞ্জাবির পকেট গলিয়ে পড়া খুঁচরা পঁয়শা তুলে মাটির ব্যাংকে সঞ্চয় করার মতো বুকের ভিতরে অনুভূতি সঞ্চয় করো। মায়ের যে দুঃখ আছে সে দুঃখ যেমন বিশ্বাস করো তেমন করে বিশ্বাস করো চিরকাল কেউ কাঙাল থাকে না। সবার একখান মানুষ হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর খুনির শুষ্ক ঠোঁটেও কোনএক নারী কাঁপা কাঁপা আবেগ নিয়ে চুমু খায়, রাতের রানী নিশিকন্যাকেও দারুণ প্রেম নিয়ে জড়িয়ে ধরে কোন এক যুবক। মনের দরজায় তুমি যে তালা লাগিয়েছো, তোমার চারপাশে তৈরী করেছে যে অভিমানের দেওয়াল, অনেকদিন খুলোনি বলে মাকড়সা ছোটোখাটো একটা সংসার পেতে বসেছে যে জানালায়। ওই দরজার সামনে কেউ একজন বিশ্বাস নিয়ে কড়া নাড়বে, ওই দেয়াল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে হু-হু করে ঢুকে যাবে তোমার মনের এফোঁড়ওফোঁড় প্রেম নিয়ে, ওই জানালা খুলে তোমাকে দেখাবে নতুন ভোর। একদ...