২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। এ সফরের মধ্য দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন দেশের ব্যক্তিরা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এই সফরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
তারা মনে করেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বড় দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের সঠিক পথ অনুসন্ধান করলে তা শুধু দুই দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে না, বরং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক শক্তি যোগাবে।
আয়ারল্যান্ডের বিচার, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাথরিন আলডা বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি সহযোগিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এই সহযোগিতা কাঠামো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এই সহযোগিতা আরও সুসংহত করা এবং আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ যৌথভাবে মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজেসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান তাহির মালিক বলেন, ১১ বছর পর এটি প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই বৈঠকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফল অর্জিত হয়েছে এবং দুই পক্ষ আট দফা ঐকমত্যে পৌঁছেছে। পুরো বিশ্ব এই ঐতিহাসিক বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ছিল।
শিলার ইনস্টিটিউটের জাতিসংঘ প্রতিনিধি রিচার্ড ব্ল্যাক বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখতে যে সহযোগিতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও মনে করেন তিনি।
সূত্র: সিএমজি




















