এপ্রিল ১৫: আজ (বুধবার) সকালে চীন সফররত ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডেন্ট তো লাম এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে দু’দেশের যুবক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সি চিন পিং তাঁর ভাষণে বলেন, গত বছর সাধারণ সম্পাদক তো লামের সঙ্গে যৌথভাবে ‘বিপ্লবী ইতিহাস অন্বেষণ যাত্রা’ উন্মোচন করা হয়েছে। গত এক বছরে দু’দেশের যুবকরা যৌথভাবে বিপ্লবী ইতিহাস অনুসন্ধান করেছে, চীনা বৈশিষ্ট্যময় আধুনিকায়নের পরিবর্তন অনুভব করেছে এবং চীনের বিভিন্ন এলাকায় পারস্পরিক শেখার অভিজ্ঞতা ও গল্প তৈরি করেছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামের হ্যানয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশি ভাষা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চীনা ভাষার চিঠি পেয়েছেন, যাতে তারা চীনে পড়াশোনার অনুভূতি তুলে ধরেছে এবং দু’দেশের মৈত্রীর সম্প্রচারক ও উত্তরাধিকারী হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। যা তাঁর বেশ ভালো লেগেছে।
সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, যুবকরা সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং দু’দেশের রাজনৈতিক দলের কর্তব্যের উত্তরাধিকারী। তিনি দু’দেশের যুবকদের তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন। তা হলো- চীন ও ভিয়েতনামের ভাই ও কমরেড মৈত্রীকে আরও গভীরতর করা, কাঁধে দায়িত্ব বহন করে প্রাণশক্তি দিয়ে উদ্ভাবন করা এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ বাস্তবায়নে নিজের অবদান রাখা।
এদিকে জনাব তো লাম বলেছেন, চীনে ‘বিপ্লবী ইতিহাস জানার যাত্রা’র মাধ্যমে হাজারো ভিয়েতনামী তরুণ পূর্বপুরুষদের যাত্রা অনুসরণ করে চীনের বিপ্লবের ধ্বংসাবশেষ সফর করেছেন এবং দু’দেশের বিপ্লবের ঐতিহ্য ও গভীর মৈত্রী অনুভব করেছেন। দু’দেশের তরুণরা আদর্শ ও বিশ্বাসকে দৃঢ়ভাবে সমুন্নত রাখবে, বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান অর্জন করবে এবং নিজ নিজ দেশের উন্নয়ন ও বন্ধুত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা করেন।
(সুবর্ণা/তৌহিদ/স্বর্ণা)





















