
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্প নির্মাণশিল্পের পথিকৃৎ এবং দীপন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান আর নেই। তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দিবাগত রাত ১১টা ১ মিনিটে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
মরহুমের নামাজে জানাজা ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, আসর নামাজের পর গুলশান সোসাইটি মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে এবং জানাজা শেষে তাঁকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান ১৯৭০ সালে তাঁর ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি, পানি, বিদ্যুৎ ও বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
তাঁর নেতৃত্বে দেশের প্রধান প্রধান গ্যাস পাইপলাইন, ভারত-বাংলাদেশ তেল পাইপলাইন সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণেও তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহের সম্পৃক্ততা ছিল।
বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো ও নির্মাণশিল্প সংশ্লিষ্টদের কাছে আলহাজ্ব মাহমুদ হাসানের মৃত্যু একটি অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা, উদ্যোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান দেশের নির্মাণ ও জ্বালানি খাতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ব্যক্তিজীবনে আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক, অমায়িক ও পরোপকারী। তাঁর গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর, কর্মস্থল সাভারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনি অসংখ্য ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সহযোগিতা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সব সময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তাঁর ইন্তেকালের সংবাদে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, ব্যবসায়ী মহল এবং তাঁর অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমের পরিবার ও দীপন গ্রুপের পক্ষ থেকে আলহাজ্ব মাহমুদ হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।



















