চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশে চীনের বিশেষ দূত: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য - Mati News
Thursday, April 23

চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশে চীনের বিশেষ দূত: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

ঢাকা, এপ্রিল ২৩, সিএমজি বাংলা: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং শিক্ষা-গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেছেন, যেসব বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা শেষ করে ফিরেছেন, তারাই মূলত বাংলাদেশে চীনের ‘ফ্ল্যাগশিপ’ বহনকারী বিশেষ দূত।

ইয়ুননান প্রদেশ বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক হান্নান চৌধুরী তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি নিজেকে অনেক ক্ষেত্রে চীনের ইতিহাসের অংশ মনে করি। শাংহাই বিশ্ববিদ্যালয়, ফুতান, পিকিং থেকে শুরু করে ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। আমি ইয়ুননান নরমাল ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর এবং নানচিং অডিট ইউনিভার্সিটির অনারারি প্রফেসর হিসেবে কাজ করেছি। প্রতি বছর চীনে যাতায়াতের মাধ্যমে আমি সেদেশের সংস্কৃতি ও শিক্ষাকে বাংলাদেশে বয়ে আনার চেষ্টা করি।”

নতুন গঠিত এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতি চারণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দেবে।চীনা প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং শিক্ষার নতুন উৎসগুলো বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করবে।শিক্ষার্থীরা চীনের ভাষা ও সংস্কৃতি শিখে দুই দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

উপাচার্য বলেন, “চীন সরকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত উদারভাবে বৃত্তি প্রদান করছে। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নত চীনা ল্যান্ডস্কেপে বিচরণ করার বড় সুযোগ করে দিয়েছে।” তিনি আরও জানান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে চীনা ভাষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যা তাদের কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে সাহায্য করছে।

বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পগুলোতে চীনের অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু অবকাঠামো নয়, বরং শিক্ষা ও গবেষণাতেও এই বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। বিশেষ করে কৃষি, শিল্প এবং প্রযুক্তিতে চীনের উন্নয়ন থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করতে তরুণ শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে তিনি নবগঠিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাফল্য কামনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের দুই দেশের সম্পর্কের প্রধান শক্তি হিসেবে অভিহিত করেন।

তথ্য ও ছবি-সিএমজি

C:\Users\USER\Downloads\Sequence 04.01_58_15_19.Still019.jpg

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *