বিষণ্নতা কমাতে ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে খাবার টেবিলে সঙ্গীর গুরুত্ব
খাবার কেবল ক্ষুধা মেটানোর মাধ্যম নয়, বরং এটি সামাজিক বন্ধন ও মানসিক সুস্থতার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, একসঙ্গে বসে খাবার ভাগ করে খাওয়ার এই অভ্যাসকে বলা হয় ‘কমেনসালিটি’। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জান-এমানুয়েল দে নেভের মতে, খাবার টেবিলে বসে সময় কাটানো মানুষের মধ্যে বিশ্বাস ও সংযোগ তৈরির একটি প্রাচীন ও কার্যকর উপায়। যখন আমরা একসঙ্গে খাই, তখন কেবল খাবার নয়, বরং হাসি, গল্প ও অনুভূতিও বিনিময় করি।আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা ও ডিজিটাল আসক্তির কারণে এই অভ্যাসটি আজ হুমকির মুখে। অনেকে একই বাড়িতে থেকেও আলাদা সময়ে খাচ্ছেন, আবার কেউ কাজের চাপে ডেস্কের সামনে একাই দুপুরের খাবার সারছেন। অথচ গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত অন্যদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে খাওয়ার অভ্যাস বিষণ্নতার ঝুঁকি কমাতে এবং সামাজিক সংযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।চীনের ঝেজিয়াং প্রভিন্সিয়াল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড...
