দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক সমাবেশের মাধ্যমে তিনি এই কার্যক্রমের সূচনা করেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণরা যে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম, তা ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহে বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছে।
তারেক রহমান জানান, দেশে হাইস্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করলে এই সংখ্যা আড়াই কোটিতে পৌঁছায়। তিনি বলেন, দেশের এই বিশাল তরুণ ও শিক্ষার্থী সমাজ যদি দেশ পুনর্গঠনে দায়িত্ব নেয়, তবে যেকোনো কঠিন লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণদের পরিবর্তনের সেই সক্ষমতা পুরো বিশ্ব দেখেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির লক্ষ্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস এই সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে। শতভাগ সফলতা অর্জন কঠিন হলেও অন্তত ৮০ শতাংশ সাফল্য পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। ডেঙ্গু বিস্তারের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ভাঙাচোরা জিনিসপত্র, প্লাস্টিক ও কাগজের বর্জ্যে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়। তাই সম্মিলিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক পরিবেশের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণরা চাইলে দেশকে পরিবর্তন করতে পারে—২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে।




















