Health and Lifestyle Archives - Page 77 of 147 - Mati News
Friday, January 16

Health and Lifestyle

রোগীদের জন্য রোজা : ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

রোগীদের জন্য রোজা : ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

Cover Story, Health and Lifestyle
রোগীদের জন্য রোজা রোজা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে কিছু কিছু জটিল রোগের ক্ষেত্রে রোজা রাখায় বিধিনিষেধ থাকে। রোগীদের মধ্যে কারা রোজা রাখতে পারবেন, আর কাদের রোজা রাখা উচিত নয়—এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ   হৃদরোগ রোগীদের জন্য রোজা জটিল বা ঝুঁকিপূর্ণ হৃদরোগী ছাড়া অন্য হৃদরোগীদের জন্য রোজা বেশ উপকারী। এ সময় বেশ নিয়ম মেনে চলা হয় বলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেই থাকে। ♦ রক্তচাপের রোগী, যাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে তাঁদের রোজা রাখতে বাধা নেই; বরং উপকারী। তবে খাওয়াদাওয়ায় লবণ, তেল-চর্বিযুক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার কম খেতে হবে। ♦ রান্না করা ছোলার পরিবর্তে ভেজানো কাঁচা ছোলা, পেঁয়াজ, মরিচ, আদা দিয়ে খেতে পারলে ভালো, পেটের জন্যও উপকারী। এর ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টি-অক্সিডেন...

ডায়াবেটিক রোগীদের সতর্কতা : ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলাম রাজন

Cover Story, Health and Lifestyle
ডায়াবেটিক রোগীদের সতর্কতা ডা. রাজিবুল ইসলাম রাজন রোজা রাখলে ডায়াবেটিক রোগীরা রক্তে সুগারের স্বল্পতা (হাইপোগ্লাইসেমিয়া), রক্তে সুগারের আধিক্য (হাইপারগ্লাইসেমিয়া), কিটোএসিডোসিস, পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন ইত্যাদি জটিলতার সম্মুখীন হতে পারেন। এ জন্য তাঁদের বেশ সতর্ক থাকতে হয়।   হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে রোজায় ডায়াবেটিক রোগীদের যে সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি হয় এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক, সেটি হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে সুগারের মাত্রা কমে গিয়ে তিন মিলিমোল বা লিটার অথবা তার কম হলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এ সময় রোগীর মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, চিকন ঘাম দেওয়া, শরীর কাঁপুনি, ঘুম ঘুম ভাব, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। দিনের যেকোনো সময় এ রকম লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। রোজা অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীর সুগারের মাত্...
ব্যথার জন্য পরামর্শ : পেইন ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী

ব্যথার জন্য পরামর্শ : পেইন ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী

Cover Story, Health and Lifestyle
ব্যথার জন্য পরামর্শ ডা. মোহাম্মদ আলী বাত-ব্যথা, বিশেষ করে হাঁটু বা কোমর ব্যথার রোগীদের জন্য রমজান মাসে দীর্ঘ সময় ধরে তারাবির নামাজ পড়া বেশ কষ্টকর। এই সময় একটু বাড়তি সতর্কতা নিয়ে ফিজিওথেরাপি নিয়ে কিছু নিয়ম মেনে চললে বেশ কর্মক্ষম থাকা যায়। ♦  সারা দিন রোজা রাখার পর ব্যথার ওষুধ পাকস্থলীর প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে বা শরীর দুর্বল করে দিতে পারে বলে এই মাসে ব্যথার ওষুধ সেবনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন। ♦   ব্যথানাশকের চেয়ে ফিজিওথেরাপি অনেক বেশি কার্যকর ও নিরাপদ। নিয়মিত ফিজিওথেরাপি ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে। তাই সম্ভব হলে নিয়মিত ফিজিওথোরপি নিন। ♦   সাহরির আগে বা ইফতারির দুই ঘণ্টা আগে বা পরে হালকা ব্যায়াম করুন। ♦   কোমরে বেল্ট পরে বা হাঁটুর ক্যাপ পরে নামাজ পড়বেন না, এতে অস্বস্তি আরো বাড়বে। ♦   যাঁদের ওজন বেশি, তাঁরা পরিমিত খাবার গ্রহণ করে ও...
উচ্চ রক্তচাপের নতুন গাইডলাইন : ডা. ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী

উচ্চ রক্তচাপের নতুন গাইডলাইন : ডা. ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী

Cover Story, Health and Lifestyle
উচ্চ রক্তচাপের নতুন গাইডলাইন নিয়ন্ত্রণে রাখলে উচ্চ রক্তচাপসংক্রান্ত জটিলতা এড়ানো যায়। কিন্তু এ ব্যাপারে অনেকেই সচেতন নয়। ঠিক কিভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে এই উচ্চ রক্তচাপ? নতুন গাইডলাইনসহ এ বিষয়ে লিখেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী   উচ্চ রক্তচাপ কী? নলের ভেতর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ার সময় ভেতরের দেয়ালে যেভাবে পার্শ্বচাপ পড়ে, ঠিক তেমনি রক্তনালির ভেতর দিয়ে রক্ত চলাচলের সময় রক্তনালির গায়ে পড়া অনুরূপ পার্শ্বচাপই রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার। এই চাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা থাকে, যা ১২০/৮০ মিলিমিটার মারকারির নিচে। যদি এই মাত্রা ১২০/৮০ থেকে ১২৯/৮০ মিমি পর্যন্ত থাকে, তখন তা উচ্চ রক্তচাপের পূর্বাবস্থা বা প্রি-হাইপারটেনশন। আর যদি এ পার্শ্বচাপ সব সময় ১৩০/৮০ মিলিমিটার মারকারি অথবা তার ওপরে থাকে, তখন তাকে হাই ব্লাড প্রেসার, হা...
পায়ে ঝি ঝি ধরার কারণ ও তাৎক্ষনিক প্রতিকার

পায়ে ঝি ঝি ধরার কারণ ও তাৎক্ষনিক প্রতিকার

Cover Story, Health and Lifestyle
পায়ে ঝি ঝি ধরার কারণ ও তাৎক্ষনিক প্রতিকার পায়ে ঝি ঝি ধরার অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই রয়েছে। হঠাৎ করে বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেলে পায়ে অসাড়তা বোধ আসে। কোনো অনুভূতি পাওয়া যায় না। মনে হয় দেহের সেই অংশ অবশ হয়ে গেছে। পায়ে ঝি ঝি ধরার কারণ অনেক কারণেই পায়ে ঝি ঝি ধরতে পারে। দীর্ঘ সময় একইভাবে বিশেষ ভঙ্গিতে বসে থাকলে পায়ে ঝি ঝি বোধ হতে পারে। আমাদের নিতম্ব, উরু এবং পায়ের পেশিগুলোতে সংবেদন প্রেরণ করে সায়াটিক স্নায়ু । এসব অংগের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ হয় সায়াটিক স্নায়ু দ্বারা। এই স্নায়ু নিতম্ব থেকে পা পর্যন্ত বিস্তৃত। দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে অনেক সময় সায়াটিক স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে। তখন পায়ে সংবেদন পাওয়া যায় না। আবার দীর্ঘ সময় বসে বিশেষ ভঙ্গিতে বসে থাকলে পায়ের গোড়ালি অঞ্চলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এর ফলে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ধমনীপথে বের হতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে পায়ে অক্সিজেনের ...
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সঠিক ব্যায়াম

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সঠিক ব্যায়াম

Cover Story, Health and Lifestyle
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সঠিক ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখার জন্য কেবল সুষম খাবারই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সঠিক ব্যায়ামের। আবার রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও ব্যায়ামের ভূমিকা রয়েছে। এর ফলে দেহের জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়, ফলে দেহের চর্বি ক্ষয় হয় এবং অ্যাড়োনাল গ্রন্থির মাংসপেশি ও লিভারের গস্নাইকোজেন থেকে গস্নুকোজ সরে যায়। আধুনিক জীবনযাত্রায় মানুষকে ক্রমে পরিশ্রম বিমুখ করে তুলছে। সারাদিন বসে কাজ করা, গাড়িতে যাতায়াত করা, বাড়ি ফিরে পত্রিকা পড়ে বা টিভি দেখে সময় কাটানো। এতে কোনো শারীরিক পরিশ্রম হয় না। এর ওপর রয়েছে তেল-ঘি-চর্বিজাতীয় উচ্চ ক্যালোরিসম্পন্ন আহার। সুতরাং তাদের দেহ যন্ত্রকে সচল রাখার জন্য প্রয়োজন খাবার কমানো এবং ব্যায়াম করা। প্রতিটি লোকেরই অবসর সময়ে শুয়ে-বসে না থেকে কিছুটা হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করা উচিত। এতে রক্ত সঞ্চালন যেমন স্বাভাবিক থাকে, তেমনি খাদ্য থেকে যে ক্য...

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : কোন পদ্ধতি অধিকতর কার্যকর?

Cover Story, Health and Lifestyle
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : কোন পদ্ধতি অধিকতর কার্যকর? আমাদের শরীরে প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয় নামে একটি অরগ্যান বা অঙ্গ আছে। সেখান থেকে তৈরি হয় ইনসুলিন নামের এক ধরনের হরমোন। এই হরমোনের কাজ হলো রক্তের গ্লুকোজকে শরীরের বিভিন্ন কোষে ঢুকতে সাহায্য করা। আমাদের খাবার হজমের পর বেশিরভাগ গ্লুকোজ রক্তের মধ্য পৌঁছে যায়। গ্লুকোজ ইনসুলিনের উপস্থিতিতে শরীরের বিভিন্ন কোষে কোষে যায় যা আমাদের কাজ করার শক্তি যোগায়। ইনসুলিন হরমোন যদি যথেষ্ট পরিমানে তৈরি না হয় বা সঠিকভাবে কাজ না করতে পারে তাহলে রক্তের গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে পারে না। এর ফলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এই অবস্থাকেই বলে ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস হলে কোষগুলো গ্লুকোজের অভাবে কাজ করার শক্তি হারিয়ে ফেলে। অন্যদিকে, রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ প্রস্রাবের সাথে বেরিয়ে যেতে থাকে। এই কারণে ঘন ঘন প্রসাব হয় ও শরীরের শক্তি হ্রাস পায়। পানি পিপাসা লাগে ...
অকালে চুল পাকার কিছু কারণ

অকালে চুল পাকার কিছু কারণ

Cover Story, Health and Lifestyle
অকালে চুল পাকার কিছু কারণ অনেক কারণে চুল পাকতে পারে। অনেক চর্মরোগ এর জন্য দায়ী। এ ছাড়া জ্বর, ম্যালেরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রভৃতি রোগ শরীরকে চুল পাকানোর দিকে ঠেলে দেয়। এ জাতীয় অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে— মারাত্মক আঘাত, কয়েক প্রকারের রেডিয়েশনের শিকার হওয়া, হাইপার-থাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস, পুষ্টিহীনতা, ক্ষত, ব্যথা ও রক্তহীনতা। কীভাবে রাতারাতি চুল পেকে যায় তা বুঝতে হলে চুল বাড়ার স্বাভাবিক পদ্ধতি বুঝতে হবে। এটি তিন অবস্থার চক্রের মাধ্যমে আসে। প্রথমত, এনাজেনকাল বা চুল জন্মানোর সময় মাসে আধা ইঞ্চি হারে চুল বাড়তে থাকে। এভাবে দুই থেকে ছয় বছর বাড়ার পর দ্বিতীয় অবস্থায় পৌঁছে। ক্যাটাজেন বা বিশ্রামকালে এটি কয়েক সপ্তাহের জন্য থামে। তৃতীয় ও শেষ ধাপ হলো— টেলোজেন কাল। চুল তখন পেপিলা থেকে আলাদা হয়। পরে এনাজেলকাল শুরু হলে নতুন গজানো চুল পুরনো চুলগুলোকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। ...

হার্ট অ্যাটাক এর আগে যে সংকেত দেয় হৃদপিণ্ড

Cover Story, Health and Lifestyle
হার্ট অ্যাটাক এর আগে যে সংকেত দেয় হৃদপিণ্ড বিশ্বজুড়েই হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে অনেক কম বয়সীদেরও এই রোগ ভুগতে দেখা যায়। দিন দিন দূষণের মাত্রা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ও হার্টের সমস্যা। এক গবেষণায় জানা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের আগ থেকেই শরীরকে ক্রমাগত সংকেত দেয় হৃদপিণ্ড। এক্ষেত্রে ৬টি তথ্যও দিয়েছেন গবেষকরা। এগুলো হল: ১. শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ধমনীতে রক্তের প্রবাহ কমে যায় বলেই এমনটা হয়। ২. ঝিমুনির ভাব হবে। একই সঙ্গে রক্তের প্রবাহ কমে যাওয়ায় শরীরে একটা শীতল ভাবও অনুভূত হবে। ৩. হার্ট অ্যাটাক আসার প্রায় এক মাস আগে থেকেই বুকে ব্যথা অনুভূত হতে থাকবে। এই ব্যথা বুকে থেকে শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়বে। বিশেষ করে পিঠ, হাত ও কাঁধে ছড়িয়ে বড়বে ব্যথা। ৪. হার্ট অ্যাটাক আসার আগে কিছুদিন আগে থেকেই ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা বেড়ে যায়। ৫. সামান্য পরিশ্রম...
রক্তনালীর ব্লক রোধ করে যে ৭ খাবার

রক্তনালীর ব্লক রোধ করে যে ৭ খাবার

Cover Story, Health and Lifestyle
রক্তনালীর ব্লক রোধ করে যে ৭ খাবার রক্তনালী ব্লক রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। জীবন পরিচালনায় কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে এই রোগকে সহজেই প্রতিরোধ করা যেতে। সেজন্য নিচের সাতটি খাবার খেতে পারেন। ১. আপেল এই ফলটিতে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণা বলছে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমে যায়। ২. দারুচিনি এই দারুচিনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় লক্ষ্যকরা গিয়েছে প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো খেলে দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ৩. কমলার রস গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ২ কাপ বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক রাখ...
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয় হঠাৎ প্রেসার কমে যাওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হলো অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা ইত্যাদি। প্রেসার কমলে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড়, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হতে দেখা দেয়। তাই প্রেসার কমে গেলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। ১. স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন। ২. ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনাপাতা বেটে এতে মধু মিশিয়ে পান করলে কাজে দেবে। ৩. লবণে আছে সোডিয়াম, যা রক্তচাপ বাড়ায়। তব...
পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস

পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস

Cover Story, Health and Lifestyle
ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস মাহবুবা চৌধুরী পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে স্বাভাবিক ওজন রক্ষা আর সুস্থ শরীরের অধিকারী হওয়া যায়। এ জন্য কিছু করণীয় হলো— ► সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চলুন, যাতে পর্যাপ্ত কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড ও ফাইবার, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন এবং কম ফ্যাট থাকে। ► আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখুন। ► সব ধরনের চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ► প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ ফল ও শাকসবজি খান। ► অসময়ে খিদে পেলে স্বাস্থ্যসম্মত স্ন্যাক্স খান। ► দুপুর ও রাতের খাবারের মধ্যে অথবা খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি, টোস্ট বিস্কুুট, মৌসুমি ফল, ফলের রস, সবজির রস কিংবা সিদ্ধ শাকসবজি বা সালাদ খেতে পারেন। ► হেলদি ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, সফট ড্রিংকস ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। যেকোনো ধরনের কোমল পানীয় মোটা ...

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফজলুল কবির পাভেলের পরামর্শ : স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. ফজলুল কবির পাভেল বললেন, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক আলাদা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক সম্পূর্ণ ভিন্ন রোগ। স্ট্রোক মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ এবং হার্ট অ্যাটাক হূদপিণ্ডের রোগ। অথচ অনেক সময় স্ট্রোক হলেও রোগীকে দ্রুত হূদরোগ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে মূল্যবান সময় ও অর্থের অপচয় হয়। অথচ হার্ট অ্যাটাক হলে হূদরোগ বিশেষজ্ঞ, আর স্ট্রোক হলে ম্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে চিকিৎসার জন্য। স্ট্রোক : কোনো কারণে মস্তিষ্কের নার্ভকোষে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা রক্তনালি বন্ধ হয়ে গেলে (প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে) অথবা ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। তবে আঘাতজনিত কারণে কখনো স্ট্রোক হয় না। হার্ট অ্যাটাক : হূদপিণ্ডের কোষে রক্ত সরবরাহ না পেয়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়াই হার্ট অ্যাটাক। একিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন এবং আনস্ট্র্যাবল অ্যানজাইনায় এ রকম জটিল অবস্থা তৈরি হয়। ...
আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয়

আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ ডা. এম নজরুল ইসলামের পরামর্শ : ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী ও করণীয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির কারণে চোখ স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে রোগীর চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা সম্ভব। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ আই হসপিটালের গ্লুকোমা ও ফ্যাকো বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম নজরুল ইসলাম ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি   দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণেই বেশিরভাগ ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হয় ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি কী   চোখের পেছনে স্নায়ু দ্বারা তৈরি পর্দা রেটিনা, যা দৃষ্টির জন্য অপরিহার্য। বস্তু থেকে আলোকরশ্মি চোখের ভেতরে ঢুকে ওই বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনায় পড়ে বলেই দৃশ্যটি দেখা যায়। রেটিনা হলো চোখের সবচেয়ে সংবেদনশীল পর্দা, যাতে সামান্য সমস্যা হলেই দৃষ্টি কমে যেতে প...
খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ  মাহবুবা চৌধুরী

খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী

Cover Story, Health and Lifestyle
খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুলের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ডায়েট প্লানেট অ্যান্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্সির পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী ভুল-১ : খালি পেটে ফল খেলে গ্যাস হয়। শরীর সুস্থ রাখতে ফল খাওয়া জরুরি। নিয়মিত ফল খেলে শরীরের ভেতর জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যায়। বেশির ভাগ ফলে থাকা ভিটামিন ‘সি’, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়। পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টি ঘাটতির সমস্যা দূর করে। অনেকের ধারণা, খালি পেটে ফল খেলে এসিডিটির সমস্যা হয়—এটি ভুল ধারণা। গবেষণায় দেখা গেছে, ফল খাওয়ার পর এসিড হওয়ার কোনো আশঙ্কা তো থাকেই না; বরং শরীরে এসিড ও অ্যালকেলাইনের ভারসাম্য সঠিক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি খালি পেটে ফল খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ শরীর সতেজ ও কর্মক্ষম রাখে। তবে প্রতিদিন স...