এআইর সুফল বিশ্বজুড়ে সমান হওয়া উচিত বলে মনে করে চীন - Mati News
Wednesday, May 6

এআইর সুফল বিশ্বজুড়ে সমান হওয়া উচিত বলে মনে করে চীন

ফয়সল আবদুল্লাহ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) থেকে সৃষ্ট ডিজিটাল সুফল বিশ্বের সব মানুষের সমানভাবে পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু ছোং।

মঙ্গলবার এআই সক্ষমতা উন্নয়ন নিয়ে গঠিত ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন অন এআই ক্যাপাসিটি-বিল্ডিং’-এর বৈঠকে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অভূতপূর্ব গতিতে এগিয়ে চলছে এবং অর্থনীতি ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত একীভূত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি মানুষের জীবনধারার ধরনকেও বদলে দিচ্ছে এবং ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফু বলেন, এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এর বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকেও সময়োপযোগী করতে হবে।

গত দুই বছরে এই গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস চারটি উন্মুক্ত বৈঠক এবং চীনে তিনটি এআই সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মশালার আয়োজন করেছে। এতে বিভিন্ন সদস্য দেশের প্রায় ২০০ প্রতিনিধি অংশ নেন এবং তারা চীনে এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

তিনি এআই উন্নয়নে মানুষকেন্দ্রিক ও উদ্ভাবননির্ভর পদ্ধতির ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘এআই+’ প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্পখাতকে শক্তিশালী করতে হবে এবং বাস্তব সহযোগিতা বাড়াতে এই প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগাতে হবে।

বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে ফু ছোং বলেন, এআই উন্নয়নে পরামর্শ, যৌথ অবদান এবং সমান সুফল নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এআই বিষয়ক বৈজ্ঞানিক প্যানেল এবং বৈশ্বিক সংলাপকে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে এআই ব্যবস্থাপনায় বিস্তৃত ঐকমত্য গড়ে ওঠে এবং বাস্তব ফলাফল অর্জিত হয়।

চীন ইতোমধ্যে বৈশ্বিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এআই সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা, বৈশ্বিক এআই গভর্ন্যান্স কর্মপরিকল্পনা এবং ‘এআই+ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা উদ্যোগ’।

তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করে এআই উন্নয়নের সুফল আরও বিস্তৃত ও ন্যায্যভাবে ভাগ করে নিতে চায় চীন।

বৈঠকটি মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ফোরাম অন সায়েন্স, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত একটি পার্শ্ব-আলোচনা ছিল। এতে ৫০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ১২০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।

সিএমজি

 /VCG

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *