জাপানি কর্তৃপক্ষের উচিত জনগণের কথা শোনা এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ করা। গত ৭ আগস্ট, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান, বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।
মুখপাত্র বলেন, প্রায় ৮০ শতাংশ জাপানি ‘তিন দফা পারমাণবিক-অস্ত্রবিহীন নীতি’ মেনে চলার পক্ষে এবং অন্য কোনো দেশের সাথে জাপানের ‘পারমাণবিক অংশীদারিত্বের’ বিরোধিতা করে। এটা জাপানের মূলধারার জনমতের স্পষ্ট পারমাণবিক-বিরোধী অবস্থান এবং জাপানি জনগণের কষ্টার্জিত শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতি ভালোবাসাকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত করে। বস্তুত, তথাকথিত ‘পারমাণবিক বিকল্প’ ঘিরে জাপানি কর্তৃপক্ষের প্রকাশ্য প্রচারণা এবং ‘তিন দফা পারমাণবিক-অস্ত্রবিহীন নীতি’ লঙ্ঘনের প্রচেষ্টা, জাপানের ডানপন্থী শক্তিগুলোর ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে উন্মোচিত করে, যা ১০ কোটিরও বেশি জাপানির ভবিষ্যত্ নিয়ে জুয়া খেলার সামিল।
উল্লেখ্য, জাপান পাবলিক ওপিনিয়ন রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ অনুসারে, ৭৬ শতাংশ জাপানি বিশ্বাস করেন যে, ‘অধিকার না রাখা, উত্পাদন না করা, এবং আমদানি না করা’-র ‘তিন দফা পারমাণবিক-অস্ত্রবিহীন নীতি’ সমুন্নত রাখা উচিত। অন্যদিকে, ৭৭ শতাংশ জনগণ যুক্তরাষ্ট্রকে জাপানে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দেওয়ার বিরোধিতা করে। সূত্র: সিএমজি



















