ঢাবি ও চাইনিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবে এসআইআইএস-এর বই উপহার, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান - Mati News
Thursday, September 24

ঢাবি ও চাইনিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবে এসআইআইএস-এর বই উপহার, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২১, সিএমজি বাংলা: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদান আরও বেগবান করতে বাংলাদেশস্থ চাইনিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের সংকলন উপহার দিয়েছে শাংহাই ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ।

একইসঙ্গে ‘একাডেমি অব কনটেম্পোরারি চায়না অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড স্টাডিজ’ প্রকাশিত ‘কিওয়ার্ডস অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য কমন ডেভেলপমেন্ট অব এশিয়া’ বইটির বাংলা ও ইংরেজি দ্বিভাষিক সংকলনের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘শাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময়’ বিষয়ক দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ গোলটেবিল বৈঠকের ফাঁকে এই সংকলন হস্তান্তর ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। বইটি প্রকাশ করেছে অ্যাকাডেমি অব কনটেম্পোরারি চায়না অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড স্টাডিজ’।

অনুষ্ঠানে এসআইআইএস-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট লি খাইশেং বাংলাদেশস্থ চাইনিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব’ এবং ‘আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার’-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল চাং ছিং বিন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হাতে বইয়ের এই বিশেষ সংকলনটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন।

এসময় গবেষণা ও শিক্ষাদানে দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি সংলাপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে এ উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ‘বাংলাদেশস্থ চাইনিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব’ এবং ‘আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার’-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল চাং ছিং বিন-সহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চীনা দূতাবাসের কালচার কাউন্সেলর লি শাও ফেং এবং অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অনুবাদ কেবল ভাষা পরিবর্তনের মাধ্যম নয়, বরং এটি চিন্তাধারা ও বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যকে সীমান্ত পেরিয়ে বিস্তৃত সংলাপের সুযোগ তৈরি করে দেয়। ‘কিওয়ার্ডস অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য কমন ডেভেলপমেন্ট অব এশিয়া’ বইটির দ্বিভাষিক সংস্করণ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জ্ঞান ও শ্রদ্ধাপূর্ণ আদান-প্রদানে একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক সেতু হিসেবে কাজ করবে।

এটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, গবেষক ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যে এশিয়ার যৌথ উন্নয়ন বিষয়ে নতুন চিন্তার খোরাক জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *