আমাদের রোজকার কিছু অভ্যাসে ধীরে ধীরে বারোটা বাজতে থাকে ত্বকের। সেগুলো জানা থাকলেও রূপচর্চা নিয়ে টেনশন কমে আসবে অনেকটা।

- সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার অভ্যাস অনেকেরই। এতে রোদে ত্বক তো পোড়েই, বেড়ে যায় স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকিও। রোদে বের হলে অন্তত এসপিএফ-৩০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।
- খুব ক্লান্তি ভর করলে মেকআপসহই ঘুমিয়ে পড়ে কেউ কেউ। এতে ত্বকের পোরস তথা ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়। যার পরিণতিতে কোষে ব্রেকআউট ঘটে ও ত্বক আরও নেতিয়ে যায়।
- বেশি বেশি মুখ ধোয়ার বাতিকও ডেকে আনতে পারে অযাাচিত শুষ্কতা। কারণ এতে করে ত্বকের দরকারি তেল ও আর্দ্রতা চলে যায়। দিনে দুবার ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নিলেই হলো। আর ত্বকের ধরন বুঝে বেছে নিন ক্লিনজার।
- এখনকার দিনে ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার টনিকের কাজ করে। ত্বকে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখতে এর বিকল্প নেই। তাই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করার অভ্যাস থাকলে তা আজই বদলান।
- ব্রণ খোঁটা বা ত্বকে নখ দিয়ে খোঁচাখুচি করার বাতিক থাকলে সেটাও বন্ধ হোক আজ থেকে। ব্রণ খুঁটলে তাতে মুখে ব্যাকটেরিয়া আরও বেশি করে ছড়াবে, দেখা দেবে স্থায়ী দাগও।
- মাঝে মাঝে স্ক্রাব তথা এক্সফোলিয়েট করতে ভুলে যান অনেকে। এতে করে ত্বকের মরা কোষগুলো ঝরে পড়ার সুযোগ পায় না। তবে এ কাজ সপ্তাহে ১-২ বারের বেশি করা উচিত নয়।
- অনেকে ভাবেন পানি যত গরম হবে তা মুখ ধোয়ার জন্য তত ভালো। পানি বেশি গরম হলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা সরিয়ে দেয়। তাই মুখ ধুতে কুসুম গরম পানিই শ্রেয়।
জানতেন কি
লিচু
উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে লিচুগাছে ফল ধরে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। দক্ষিণ গোলার্ধে ধরে এপ্রিল থেকে আগস্টের মাঝে।
লিচুতে আছে ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন সি, বি-১, বি-৩, বি-৯, কপার, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। ১০০ গ্রামে আছে ৬৬ ক্যালরি।
লিচুর বীজে কিছু বিষাক্ত উপাদান আছে। তাই এটি গিলে ফেলা উচিত নয়।
কিডনির পাথর সংক্রান্ত ব্যথা কমায় লিচু। এমনকি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায় ফলটি। লিচু গাছ একশ বছরের বেশি সময় বাঁচে।
গৃহস্থালি
ঘরে বানানো চাটনি, সস, টমেটো পিউরি বা বাটা মসলা সংরক্ষণের জন্য বরফের ট্রে বেশ কার্যকর। ট্রে’র ছোট ছোট খোপে টেবলচামচে মেপে এসব সংরক্ষণ করুন। পরে টুকরোগুলো বের করে গলার জন্য অপেক্ষা না করেই সরাসরি রান্নায় ব্যবহার করতে পারবেন।




















