ই-জঞ্জালে সোনার খনি!
যে তথ্য-প্রযুক্তির ওপর ভর করে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ, সেই প্রযুক্তিপণ্যের ফেলনা জঞ্জালই আবার হয়ে উঠতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ। যথাযথ উদ্যোগ নিলে ই-জঞ্জাল থেকে সোনা, রুপা, তামাসহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু আহরণ সম্ভব। এতে উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানেরও বড় সুযোগ। জানাচ্ছেন আল-আমিন দেওয়ান
এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাতিল একটি সাধারণ সিআরটি টিভিতে গড়ে ৪৫০ গ্রাম তামা, ২২৫ গ্রাম অ্যালুমিনিয়াম এবং ৫ দশমিক ৬ গ্রাম সোনা থাকে। এই হিসাবে প্রতি টন ই-বর্জ্য থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা পাওয়া সম্ভব। অথচ একটি সোনার খনির প্রতি টন আকর থেকে পাওয়া যায় মাত্র পাঁচ বা ছয় গ্রাম সোনা। অর্থাৎ গতানুগতিক খনি খননের তুলনায় ই-বর্জ্য থেকে ধাতু সংগ্রহ অনেক বেশি লাভজনক।
স্বাস্থ্যঝুঁকি, পরিবেশ বিপর্যয়ের বিপদ এড়িয়...













