জলবায়ু পরিবর্তন Archives - Mati News
Friday, September 18

Tag: জলবায়ু পরিবর্তন

এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পে পর্বতারোহীদের কর্মকাণ্ডে গলছে হিমালয়ের বরফ

এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পে পর্বতারোহীদের কর্মকাণ্ডে গলছে হিমালয়ের বরফ

আন্তর্জাতিক
এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পে পর্বতারোহীদের ব্যবহৃত জ্বালানি পোড়ানোর তাপ এবং হিমবাহের ওপর সরাসরি ফেলা মূত্রের কারণে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন বরফ ও তুষার গলে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গবেষক দলের এই গবেষণার ফলাফল ‘রিজিওনাল এনভায়রনমেন্টাল চেঞ্জ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। নেপালের এভারেস্ট অঞ্চলের খুম্বু হিমবাহের ওপর অবস্থিত এই বেজ ক্যাম্পটি বসন্তের পর্বতারোহণ মৌসুমে হাজার হাজার পর্বতারোহী, গাইড ও সহায়ক কর্মীর উপস্থিতিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।গবেষকেরা ২০২৩ সালের বসন্ত মৌসুমের ৫০ দিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, ওই সময়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি তাঁবুতে রান্না, উষ্ণতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ৮২৪টি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের পাত্র, ১৮ হাজার ৯৩৫ লিটার কেরোসিন এবং ৫ হাজার ১৩০ লিটার পেট্রোল ব্যবহার করা হয়েছে। এই জ্বালানি পোড়ানো এবং মানুষের মূত্র থেকে উৎপন্ন তাপ মিলিয়ে ওই সময়ে মোট প্রায় ৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৪ মেগাজুল তাপশক্ত...
নেপালে বন্যার জেরে চীন-ভারতসহ তিন দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি

নেপালে বন্যার জেরে চীন-ভারতসহ তিন দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি

আন্তর্জাতিক
নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রভাবে সৃষ্ট এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য বৈশ্বিক উষ্ণায়নে শীর্ষে থাকা চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে নেপাল সরকার। দেশটির দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের দায়ভার বড় অর্থনীতির দেশগুলোর ওপরই বর্তায়।বিপর্যয়ের ভয়াবহতা ও পরিসংখ্যাননিহত: ১ হাজার ১২৭ জন।নিখোঁজ: প্রায় ৩ হাজার ৯০০ জন।ঘটনার কেন্দ্রস্থল: বাগমতী প্রদেশের ভোতেকোশি নদীর অববাহিকা।দুর্যোগের তারিখ: ২৬ আগস্ট।পুনর্নির্মাণ ব্যয়: ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার (জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ)।নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত পরিকাঠামো পুনর্গঠনে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ-সমর্থিত ‘ফান্ড ফর রেসপন্ডিং টু লস অ্যান্ড ড্যামেজ’-এর কাছে জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছে কাঠমান্ডু। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির...
স্পেনে তীব্র দাবদাহে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড: জুন-আগস্ট মাসে প্রাণ হারালেন ৫ হাজার ১১১ জন

স্পেনে তীব্র দাবদাহে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড: জুন-আগস্ট মাসে প্রাণ হারালেন ৫ হাজার ১১১ জন

আন্তর্জাতিক
চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত স্পেনে তীব্র তাপপ্রবাহে ৫ হাজার ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ক ‘কার্লোস থ্রি হেলথ ইনস্টিটিউট’-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই সংখ্যাটি ২০২২ সালের একই সময়ের আগের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৫২ জনের মৃত্যুর রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৭৭ এবং গত বছর ছিল ৩ হাজার ৬৫১ জন।স্পেনের মর্টালিটি মনিটরিং সিস্টেমের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। যদিও এই পদ্ধতি সরাসরি তাপমাত্রার সঙ্গে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারে না, তবে এটি তাপদাহজনিত মৃত্যুর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অনুমান প্রদান করে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখার প্রচেষ্টার ফলে সৃষ্ট হৃদরোগ ও স্ট্রোকই এই মৃত্যুর মূল কারণ। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আস...
হিমালয়ের দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের ফল, আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

হিমালয়ের দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের ফল, আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক
হিমালয় অঞ্চলে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্যোগকে কেবল একটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তিনি একে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব হিসেবে উল্লেখ করে এর ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসে কাদাপানি ও পাথরের ঢলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৩৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, রাসুয়ার ভোটেকোশি নদীতে নেমে আসা ঢল কোনো সাধারণ বন্যা ছিল না। এটি ছিল হিমালয় অঞ্চলে তুষার ও বরফের বিশাল ধসের ফল, যা এই অঞ্চলের ইতিহাসের অন্যতম বড় দুর্যোগ। যদিও এই ধসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ায় এ ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি যে বহুগুণ বেড়েছে, তা নিয়...
নেপাল ও তিব্বতে বন্যায় ৪৬৯ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ১৩০০

নেপাল ও তিব্বতে বন্যায় ৪৬৯ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ ১৩০০

আন্তর্জাতিক
নেপাল ও তিব্বতে আঘাত হানা প্রলয়ংকরী বন্যায় মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৪৬৯ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং এখনো ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বন্যায় স্ত্রী ও সন্তানসহ স্বজনদের হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই দুর্গত এলাকায় নতুন করে হ্রদ সৃষ্টির ফলে নতুন করে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ত্রাণ কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।চিলিমে এলাকার একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত কমল খারেল বন্যার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জানান, পুরো এলাকাটি যেন বিশাল কোনো ভূমিকম্পের মতো কাঁপছিল। তিনি জানান, বাইরে বেরিয়ে তিনি প্রমত্ত জলরাশি ও সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখেছেন। অন্যদিকে, নুয়াকোটের সোলে গ্রামের সাংবাদিক নিরাজন পৌড়েল তার বাবা-মা ও স্বজনদের সন্ধানে গিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন। ত...
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যার কারণ ভূমিকম্প নয়, জানাল ইউএসজিএস

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যার কারণ ভূমিকম্প নয়, জানাল ইউএসজিএস

আন্তর্জাতিক
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার নেপথ্যে কোনো ভূমিকম্প ছিল না বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এবং নেপালের আবহাওয়া ও জলবিজ্ঞান বিভাগ। পাহাড়ের ওপর থেকে বিশাল বরফখণ্ড ধসে পড়ার ফলে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী ভূমিধসই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ। এই আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আরও পাঁচ শতাধিক পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দা নিখোঁজ রয়েছেন।ঘটনার পরপরই নেপাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে বন্যার কারণ হিসেবে ধারণা করেছিল। তবে ইউএসজিএস-এর দীর্ঘমেয়াদি সিসমিক তরঙ্গ বিশ্লেষণের পর দেখা যায়, যে ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছিল তা মূলত হিমবাহের বিশাল পাথর ও বরফের স্তূপ নিচে পড়ার কারণেই সৃষ্টি হয়েছিল। আবহাওয়া ও জলবিজ্ঞান বিভাগের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, পাহাড় থেকে বরফের বিশাল স্তরটি ভেঙে পড়ার সময় বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নিচে টেনে নিয়ে ...