মতামত Archives - Mati News
Thursday, October 29

Tag: মতামত

স্বার্থ নয়, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির খোঁজে চীন

স্বার্থ নয়, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির খোঁজে চীন

China, Op-ed
লুৎফর কবির মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে ঝড়ছে বহু নিরীহ মানুষের জীবন। লাশ আর বারুদের গন্ধে রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছে অঞ্চলটি। বাস্তবতাটা হলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মানচিত্রে যুদ্ধের রেখা যতটা দৃশ্যমান, শান্তির পথ ততটাই অনিশ্চিত। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাযেলের হামলা, গাজায় বিপর্যয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অমীমাংসিত প্রশ্ন—সব মিলিয়ে অঞ্চলটির স্থিতিশীলতায় নানা সময় পশ্চিমারা এক টেবিলে বসলেও শান্তির মুখ দেখেনি। এ যখন পরিস্থিতি তখন সামরিক শক্তির প্রতিযোগিতার বাইরে রাজনৈতিক সংলাপকে সামনে রেখে কূটনৈতিক তৎপরতায় আরও মনোযোগ দিয়েছে চীন। ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও বাহরাইনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র ধারাবাহিক বৈঠক সেই প্রচেষ্টারই অংশ। বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, বেইজিংয়ের এমন তৎপরতার গুরুত্ব কেবল শান্তির আহ্বানেই নয় মধ্যপ্রাচ্যের পরস্পরবিরোধী অবস্থানের...
প্রিয়জন, প্রয়োজনে পাশে থেকো!

প্রিয়জন, প্রয়োজনে পাশে থেকো!

Op-ed, Stories
লেখক: মাওলানা মো. জয়নাল আবেদীন বিপদ কখনো আগাম বার্তা দিয়ে আসে না। জীবনের সুসময়ে চারপাশে মানুষের অভাব হয় না, কিন্তু দুঃসময়ে পাশে থাকার মানুষের সংখ্যা খুবই কম। বিপদ যেন জীবনের এক আয়না, যেখানে মানুষের প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ পায়। জীবনের পথে চলতে গিয়ে কত মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়; কত বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে; কতজন আপন ভেবে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। মনে হয়, পুথিবী জুড়ে আমাদের অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ছড়িয়ে আছে। কিন্তু সময়ের সামান্য পরিবর্তন কিংবা বিপদের একটি ঝাপটা এলেই বোঝা যায়, চারপাশে মানুষের ভিড় থাকলেও পাশে থাকার মতো মানুষ খুরই সীমিত। কেউ সামান্য আন্তরিকতা দেখালেই তাকে আপন ভেবে বসি; প্রয়োজনে নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করি না। অথচ কখনো সবচেয়ে গভীর আঘাত আসে সেই মানুষের কাছ থেকেই, যাকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করি। সুসময়ে সঙ্গী অনেক, দুঃসময়ে হাত ধরে রাখে প্রকৃত আপনজন। তবু বন্ধুত্বে বিশ্বা...
উন্নয়নের চীন দর্শন: মর্যাদাপূর্ণ জীবনই মোক্ষ

উন্নয়নের চীন দর্শন: মর্যাদাপূর্ণ জীবনই মোক্ষ

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ একটি দেশের উন্নয়নে সবার আগে কী দরকার? সোজাসাপটা উত্তর হলো, মানুষের উন্নয়ন। দেশের জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারে সেই রাষ্ট্র কখনই বড় বড় অবকাঠামো বা আমদানি-রপ্তানির পরিসংখ্যানকে উন্নয়নের মাপকাঠি দাবি করতে পারে না। একটি বিপুল জনগোষ্ঠীকে কর্মহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত রেখে কক্ষপথে স্যাটেলাইট পাঠালে রাষ্ট্র উন্নত হয় না। মানুষের জীবিকা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে স্রেফ মুখরক্ষার জন্য বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেই কি উন্নয়নের দাবি করা যায়? বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশের উন্নয়ন করতে গেলে এখন কী দরকার? সীমিত সম্পদ দিয়ে সব মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন সম্ভব? চীনের দিকে তাকালে প্রশ্নটার উত্তর মিলতে পারে। কেবল মাত্র একটি বিষয় নিশ্চিত করেই চীন পৌঁছে গেছে উন্নতির শিখরে। তা হলো সুশাসন। প্রতিষ্ঠার পর চীনের কমিউনিস্ট পার্টি দারিদ্র্য বিমোচনের সংজ্ঞাটা ঠিক করে...
চার হত্যার বিচার চাই, তবে আইনের শাসনও অটুট থাক 

চার হত্যার বিচার চাই, তবে আইনের শাসনও অটুট থাক 

Op-ed
মো. সামছুর রহমান সৈকত  রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশ শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। একটি পরিবারের চারজন মানুষকে একসঙ্গে হত্যা করার মতো ভয়াবহ ঘটনা যেকোনো বিবেকবান মানুষকে নাড়া দেবে। নিহতদের স্বজনদের কান্না, স্বজন হারানোর বেদনা এবং নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ—সবই স্বাভাবিক।  আমরা চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, প্রকৃত অপরাধীরা শনাক্ত হোক এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি&n...
মানুষ খাবার কিনতে বাজারে যায়: মৃত্যু কিনতে নয়

মানুষ খাবার কিনতে বাজারে যায়: মৃত্যু কিনতে নয়

Op-ed
মীর আব্দুল আলীম একজন মানুষ বাজারে গেলেন। মাছ কিনলেন, সবজি কিনলেন, ফল কিনলেন, মসলা কিনলেন, সন্তানের জন্য দুধ বা বিস্কুট কিনলেন। তারপর নিশ্চিন্ত মনে সেই খাবার পরিবারের সামনে তুলে দিলেন। কিন্তু তিনি কি জানেন, যে খাবারটি তিনি কিনে আনলেন, তার ভেতরে কী আছে? জানেন কি, সেটি তার শরীরের জন্য নিরাপদ কি না? জানেন কি, তার সন্তানের হাতে তুলে দেওয়া খাবারটি আগামী দিনের কোনো অসুখের বীজ বহন করছে কি না? আর যদি সাধারণ মানুষ না-ই জানেন, তাহলে প্রশ্নটি রাষ্ট্রের কাছে রাষ্ট্র কি জানে? রাষ্ট্র কি দেখে? রাষ্ট্র কি পরীক্ষা করে? আর যদি রাষ্ট্র জানে, দেখে এবং পরীক্ষা করে, তাহলে মানুষের বাজারে ভেজাল খাবার ঢোকে কীভাবে? এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। কারণ এটি শুধু খাদ্যের মানের প্রশ্ন নয়, এটি মানুষের জীবনের প্রশ্ন। একজন মানুষ রাষ্ট্রের কাছে খুব বেশি কিছু চান না। তিনি চান নিরাপদে বাঁচতে, নিরাপদ ...
কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ

কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ

Op-ed
শায়েখ শোয়েব কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ, বহুদিন থেকে শান্তি নেই’—পৃথিবীতে যে শান্তি নেই সে কথা কবি জীবনানন্দ দাশ অনেক আগেই লিখে গেছেন তার কবিতায়। সত্যিই তো পৃথিবীতে কখনো পূর্ণ শান্তি ছিল না। আসবে এটাও নিশ্চিত করে কারো পক্ষেই বলা সম্ভব নয়। পূর্ণ শান্তির ধারণাটাই যেন ‘ভুল চাওয়া’। পূর্ণতার ধারণাটাই কী তাহলে ভুল! পৃথিবীর দিকে তাকালে শান্তি প্রতিষ্ঠা যেন এক অযৌক্তিক আশা। পৃথিবী একটা জটিল সিস্টেম। জাতে, সংস্কৃতিতে, ভূপ্রকৃতিতে ভিন্নতা আছে। মানুষে মানুষে ভিন্নতা আছে। দেশের, সমাজের এই ভিন্নতা, ক্ষমতার প্রভাব বলয় সৃষ্টি ও তা বজায় রাখতে গিয়ে শান্তি এখন আর কোথাও নেই। রোবটদের সমাজ হলেই হয়তো পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে। তার পরও বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কাজ করে চলেছে। বৈশ্বিক পর্যায়েও জাতিসংঘ দেশে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। এর ...
উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ, সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা একটি দেশের উন্নয়নে সবার আগে কী দরকার? এ প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর হলো, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী যদি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারে সেই রাষ্ট্র কখনই বড় বড় অবকাঠামো বা আমদানি-রপ্তানির পরিসংখ্যানকে উন্নয়নের মাপকাঠি দাবি করতে পারে না। একটি বিপুল জনগোষ্ঠীকে কর্মহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত রেখে কক্ষপথে স্যাটেলাইট পাঠালে কি সেই রাষ্ট্র উন্নত হয়ে যায়? মানুষের জীবিকা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে স্রেফ মুখরক্ষার জন্য বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেই কি উন্নয়নের দাবি করা যায়? বিশেষ করে দেশটা যদি হয় বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ? এমন একটি দেশের সত্যিকার উন্নয়নের জন্য কী দরকার? সীমিত সম্পদ দিয়ে কি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর মানুষের জীবনমানের আসলেই উন্নয়ন সম্ভব? চীনের দিকে তাকালেই পাওয়া যাবে এ প্রশ্নের উত্তর। কেবল মাত্র একটি বিষয় নিশ্চিত করেই চীন ...
মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

Op-ed
সজীব আহমদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস থেকে আমার ধারনা, সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগকে শেষ করতে চান, নয়ত প্রযুক্তি বিষয়ে উনার জানাশোনা নেই। নইলে, এত কাঁচা গুজব একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ছড়ানোর কথা নয়। জনাব জয় 'আজকের নিউজ' নামের একটি ফেসবুক পেইজের ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন। যাতে বলা হয়েছে, "বিপুল পরিমাণ বোমা,ককটেল,ও বিস্ফোরক নিয়ে ধরা পড়ল তিন শিবির কর্মী! ঢাকায় নাশকতার উদ্দেশ্য ছিল।"জাস্ট গুগল ইমেজে সার্চ করে ৩০ সেকেন্ডে আসল ঘটনা পাওয়া গেলো। দেশের মূলধারার সব সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পেট্রোল বোমা, ককটেল ও গান পাউডারসহ বিপুল বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে; যেগুলো নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল।জড়িত অভিযোগে আটক ব্যক্তিরা হলেন— টাঙ্গাইলের আলতাফের ছেলে রাজ ইসলাম (২৫), চাঁদপুরের নুর মোহাম্মদের ছেলে রাকিব (২৪), সুনামগঞ্জের জালাল উদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান। ...
কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

Op-ed
সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের উপর আমাদের অনেকেরই ট্রেনিং নেই। অ্যামেরিকায় যেকোন প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করার প্রথম দিকেই কিছু অবশ্যম্ভাবী ট্রেনিংয়ের একটি হচ্ছে এই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ট্রেনিং। একেক কোম্পানি একেকভাবে ট্রেনিং দেয়, কিন্তু সবারই মূল বক্তব্য এক - অফিসে যদি কেউ কখনও কারও উপর যৌন নির্যাতন চালায়, তখন কিভাবে সিচুয়েশন হ্যান্ডল করতে হবে, তা নিয়েই আলোচনা। এই ট্রেনিংয়ের ফলে আমরা জানতে পারি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট নানান প্রকারের হতে পারে। কোন মেয়ের গায়ে হাত দেয়া, টেবিলের নিচে দিয়ে পা ঠুকা থেকে শুরু করে একই ঘরে একজন নারীর উপস্থিতিতে দুই পুরুষের অশ্লীল কথাবার্তা পর্যন্ত সবকিছুই এর আওতায় পড়ে। কোন নারী/পুরুষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য তাই ধর্ষণের সামিল। এরা এই ব্যপারে খুবই সিরিয়াস! প্রমোশনের প্রলোভন অথবা চাকরি কেড়ে নেয়ার ভয় দেখিয়ে বসের সাথে ডেটিংয়ে যাওয়ার প্রস্তাবনা আমাদের দেশে খুবই কমন। এই দেশের...
বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল মানুষ গড়ার কারিগররাই আজ হতাশায়ঃ প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জাতির ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি। একটি শিশু যখন বিদ্যালয়ে পা রাখে,তখন থেকে  তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানার্জনের কাজটি শুরু হয়। এই সময়টাতেই শেখানো হয়- কীভাবে চিন্তা করতে হয়, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে হয়,কীভাবে সমস্যা সমাধান করতে হয়। এই মহান দায়িত্বটি যিনি পালন করেন, তিনি হলেন আমাদের প্রাথমিক শিক্ষক। কিন্তু আজকের বাস্তবতা হলো, এই মানুষ গড়ার কারিগররাই চরম হতাশা আর বঞ্চনার অন্ধকারে ডুবে আছেন। সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে আন্তরিক। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত চলছে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তৈরি হচ্ছে ঝকঝকে নতুন অট্টালিকা ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। কিন্তু শুধু অবকাঠামো আর প্রশিক্ষণে হাজার কোটি টাকা ঢাললেই কি শিক্ষার মান বাড়ে? যদি শি...
অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল বিশ্ব অর্থনীতি এখন অদ্ভুত এক টানাপোড়েনে আছে। কোথাও যুদ্ধ, কোথাও নিষেধাজ্ঞা, আবার কোথাও মূল্যস্ফীতির দাপট। জ্বালানির দাম বাড়ছে,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সুদের হার লাফিয়ে উঠছে, ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এসে এই ঢেউ আছড়ে পড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা। তেলের দাম বাড়ায় বেড়েছে  পরিবহন ব্যয়। পণ্য উৎপাদন ও আমদানির খরচ বাড়ায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা আমাদের রপ্তানিতেও প্রভাব ফেলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থান কমে যাওয়া, সব মিলিয়ে অর্থনীতি যেন হাঁপাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কম নয়। হঠাৎ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা- এসবই কৃষি উৎপাদনে ক্ষতি করছে অপুরণীয়। ক...
ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

Op-ed
রাহেলা আক্তার  বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এর অর্থনীতির মূল উৎস কৃষি, তৈরি পোশাক, বিদেশি রেমিট্যান্স। গ্রামের মানুষ কৃষি কাজ করে, আর শহরের মানুষ বিভিন্ন কল-কারখানায়, ও অফিস আদালতে চাকরি করছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় একটা অংশ হচ্ছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থান কম। বর্তমান বিশ্বে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে লাখো মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান। একজন স্বজন যখন প্রবাসে যান, তখন তাঁর অনুপস্থিতিতে পরিবারের উপর কিছু ইতিবাচক, এবং নেতিবাচক প্রভাব দুটোই পড়ে।  প্রবাসে থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে স্বজনরা পরিবারের জন্য যে অর্থ পাঠান, তা পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করে তোলে। সেই অর্থে মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তানদের উন্নত  চিকিৎসা ও শিক্ষা  সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব হয়। অনেক পরিবার গ্রাম থেকে শহরে...
ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম, উনি যেমন

ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম, উনি যেমন

Op-ed
বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ আশিকের স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত: প্রথমেই বলি ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম ১। উনি সুদ খায়। ২। উনি আ্যমেরিকার দালাল। Dr. Muhammad Yunus বিএনপি ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানাচ্ছে: ১। উনি মুক্তিযুদ্ধ করে নাই। ২। উনি জিয়ার নাম না নিয়ে ভুল করসে। ৩। উনি নির্বাচন দিতে চায় না। আমি ফেসবুকে গত দুইদিন যা জানলাম: ১। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। সেখানে জন্মভূমির স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে নেমে পড়েন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের খবর পৌঁছে দিতে সেখানকার স্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনের সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজটি নিয়মিত করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযু'দ্ধের জন্য সমর্থন জোগাতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন। যুক্তরা...
আপনজনের মৃত্যু বলে দেয় জীবন কতটা বৈচিত্র্যময়

আপনজনের মৃত্যু বলে দেয় জীবন কতটা বৈচিত্র্যময়

Stories
জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়। সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে। সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা। জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্য...
বর্ণচোরা আরিফ

বর্ণচোরা আরিফ

Stories
মো আবুল কালাম: ভবিষ্যতে মহান হওয়ার সম্ভাব্য, সম্ভাবনাময় বর্ণচোরা 'আরিফ' সম্পর্কে আমার শালা হয়। তার বয়স বাড়েনা, তার মুখ মন্ডলের পশম সমূহ বিসর্জন দিয়ে ১৫ বছরের বালক বলে দিব্যি চালিয়ে দেয়া সম্ভব, যদিও তার বয়স ২৫! সে অনাহারে না থাকলেও তাকে মঙ্গাপিড়িত এলাকার ক্ষুধার্ত বলে চালিয়ে নিতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আকৃতি বা প্রকৃতি যেকোনভাবেই সে বয়স, পেশা, জন্ম বা পড়াশোনা সবকিছু লুকানোর সকল বৈশিষ্ট্যই তাহার বাহ্যিক আবয়বে বিদ্যমান। বর্ণচোরা শব্দটা তার জন্য আবিষ্কার হয়েছিল বললে শব্দটাকে যথার্থ মূল্যায়ন করা হবে বলে অন্তত আমার মনে হয়। এই চোরা (চোরা শব্দটি সম্পর্কের খাতিরে আমার জন্য প্রযোজ্য , আপনারা পড়ুন বর্ণচোরা) তার পরিবারের বড় সন্তান, মাস্টার্স ফাইনাল শেষ হতে মাস কয়েক অবশিষ্ট আছে। সে এখনো নিজের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত হতে পারেনি। তার পড়াশোনা ও আনুষাঙ্গিক খরচের জন্য মা-বাবা ...