৬জি উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে চীন - Mati News
Friday, July 17

৬জি উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে চীন

ফয়সল আবদুল্লাহ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, ওয়্যারলেস সেন্সিংসহ বিভিন্ন প্রযুক্তির সমন্বয়ে সিক্স-জির মূল প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ চলছে। ২০২৯ সালের মধ্যে নিজস্ব সিক্স-জি প্রযুক্তি সমাধান তৈরি এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের ভিত্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে চীন। ইমার্সিভ যোগাযোগ, নিম্ন উচ্চতার অর্থনীতি, এমবডিড ইন্টেলিজেন্স ও স্মার্ট সমুদ্রসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে সিক্স-জি প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির।

২০২৬ সালের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস বা এমডব্লিউসি সাংহাইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশটির শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশলীরা জানান, ৬জি’র মূল প্রযুক্তি ও মান নির্ধারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রকৌশলী চোং চিহোং জানান, ‘যোগাযোগ ও বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ের পাশাপাশি যোগাযোগ ও সেন্সিং প্রযুক্তির একীভূতকরণের মতো প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটানো হচ্ছে। আমরা ৬জি’র মূল প্রযুক্তি ও মান উন্নয়ন ত্বরান্বিত করছি এবং একটি বৈশ্বিক সমন্বিত ৬জি মান প্রতিষ্ঠায় কাজ করছি।’

চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একাধিক প্রদেশে যৌথ পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করেছে। এর লক্ষ্য হলো ২০২৯ সালের মধ্যে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর একাধিক ৬জি সমাধান তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক ব্যবহারের ভিত্তি তৈরি করবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬জি শুধু দ্রুতগতির ইন্টারনেট নয়, বরং এটি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্মার্ট ডিভাইস, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এবং নতুন ধরনের ডিজিটাল সেবার সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম।

চীনের ৬জি পরিকল্পনায় যোগাযোগ প্রযুক্তির সঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গভীর সংযোগ, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, ওয়্যারলেস সেন্সিং এবং উন্নত নেটওয়ার্কের ওপর। একইসঙ্গে ৬জি শিল্প ক্লাস্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভবিষ্যতে ৬জি প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রয়োগের মধ্যে রয়েছে ইমার্সিভ কমিউনিকেশন, নিম্ন আকাশ অর্থনীতি বা লো-অল্টিটিউড ইকোনমি, মানবসদৃশ রোবট বা এমবডিড ইন্টেলিজেন্স এবং স্মার্ট সমুদ্র ব্যবস্থাপনা।

বিশ্বে এখনও কোনো দেশ বাণিজ্যিক সিক্স-জি চালু করতে পারেনি। চীন এ প্রচেষ্টা শুরু করেছে এবং প্রথম পরীক্ষামূলক ধাপ সম্পন্ন করেছে। এই পরীক্ষায় তিন শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি যাচাই করা হয়েছে এবং প্রায় ৪০ শতাংশ গ্লোবাল সিক্স-জি কোর পেটেন্টও রয়েছে চীনের।

সূত্র: সিএমজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *