মিশরের গ্রামীণ নারীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারিবারিক আয় বাড়াতে চীনা দূতাবাস ও স্থানীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার গিজা গভর্নরেটে চীন-মিশর “নিউ হোপ” পোল্ট্রি খামার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ উদ্বোধন করা হয়েছে।
মিশরে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিয়াও লিছিয়াং বলেন, এ বছর চীন ও মিশরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন যুগে একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎভিত্তিক চীন-মিশর সম্প্রদায় গঠনের লক্ষ্যে আরও এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি জানান, গত বছর কর্মসূচিটির প্রথম ধাপে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বছর কর্মসূচিটি আরও সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে গ্রামীণ উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়, নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার হয় এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
মিশরে নিউ হোপ গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক শাও ওয়েন বলেন, কর্মসূচির প্রথম ধাপ অংশগ্রহণকারী খামারিদের শুধু অতিরিক্ত আয়ই দেয়নি, বরং তাদের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, কর্মসূচির প্রযুক্তিগত ও পশুচিকিৎসা সেবা দল ভবিষ্যতেও স্থানীয় নারীদের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।
অন্যদিকে, ইজিপশিয়ান ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর সিভিল ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কের কারিগরি কমিটির সহ-সভাপতি হাতেম মেতওয়ালি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে মিশর অনেক কিছু শিখছে এবং সেগুলো দেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করছে। পোল্ট্রি খামার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তার একটি সফল উদাহরণ।
সিএমজি





















