প্রথম দেখায় অ্যাপলের ‘আইপড’ মনে হলেও এটি আসলে স্মার্টফোন। গতানুগতিক স্মার্টফোনের তুলনায় চিকন এই স্মার্টফোনটি অনেক লম্বা। ‘জেম’ নামের এক প্রকল্পের আওতায় নতুন ঘরানার স্মার্টফোনটি তৈরি করছে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি রুবিনের প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল প্রডাক্টস।
ছোটখাটো রোগকে প্রতিরোধ করতে পারে এমন কয়েকটা অভ্যেস তো রুটিনে এনে ফেলতেই পার। একেবারে শতবর্ষ পরমায়ু না হোক, অন্তত যতদিন বাঁচবে সুস্থ ভাবে বাঁচতে কে না চায়! জন্মেছ যখন, মরতে তো হবেই। কিছুই না, একটু ‘কুল’ ভাবে বাঁচার চেষ্টা করতে মন্দ কী! এখন রোগ-বালাই হলে কিছু করার থাকে না। তবে সেসব মারণ রোগ না হলে, ছোটখাটো রোগকে প্রতিরোধ করতে পারে এমন কয়েকটা অভ্যেস তো রুটিনে এনে ফেলতেই পার—
শরীর ঠিক রাখতে ঘুম ঠিক হওয়া প্রয়োজন। রাত জাগার অভ্যেস থেকে থাকলে সেটাকে এখনই বাই-বাই জানাও। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোনোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অনেকসময় তার থেকে কম ঘুম হয়ে যায়, সেরকম হয়ে থাকলে দিনের কোনও সময় ‘পাওয়ার ন্যাপ’ নিয়ে নাও।
একটু যোগা করার অভ্যেস থাকা ভাল। সেটা না-করতে পারলে, খানিক হাঁটার অভ্যেস তৈরি করো। কলেজ থেকে ফেরার সময় কোনও একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা ভাল, যেখান থেকে প্রতিদিন ...
‘এই পরাগ, শুনে যা একবার। পালাচ্ছিস কোথায়?’’
পরাগ গলাটা শুনে ফিরে তাকাল না। কিন্তু দাঁড়িয়ে পড়ল। খেপিটা আবার পাকড়েছে। তোয়া ডাকলে পালানো মুশকিল।
স্বচ্ছতোয়া লাফাতে-লাফাতে এসে হাজির, ‘‘কী রে, দু’দিন ধরে হুটপাট কেটে পড়ছিস? আমার ভাইরাল ফিভার হল, একবার খোঁজও নিলি না। কেমন বন্ধু তুই?’’
পরাগের খুব অপরাধবোধ হল। তোয়া মেয়েটা খুব ভাল। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে এসে পরাগের প্রথম যে বন্ধু হয়েছে, সে হল তোয়া। তোয়া খুব মেধাবী। ও সবসময় পরাগকে হেল্প করেছে। শুরুতেই পরাগের জন্ডিস হয়েছিল। তখন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক থিওরির ক্লাসনোট্স ওকে হোয়াটসঅ্যাপ করে পাঠিয়েছিল তোয়া। পরাগ খুব অবাক হয়েছিল, ওর ফোন নম্বর ও তো তোয়াকে দেয়নি। পরে জেনেছিল, লাইব্রেরিয়ান সুধাম্যাডামের কাছ থেকে নম্বরটা ম্যানেজ করেছে তোয়া। লাইব্রেরির ফর্ম ফিল আপের সময় পরাগ ফোন নম্বর দিয়েছিল।
আসলে পরাগ ছোটবেলা থেকেই একটু লাজুক আর মুখচো...
কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুললেন সুরভিন চাওলা। তিনি বলেন, জীবনে ৩বার কাস্টিং কাউচের অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। যে সময় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলেও জানান সুরভিন।
সম্প্রতি পিঙ্কভিলার একটি সাক্ষাতকারে সুরভিন চাওলা বলেন, বিভাজিকা দেখান বলে জনৈক পরিচালক তাঁকে নির্দেশ দেন এক সময়। অন্য একজন তাঁর থাই দেখতে চান। আবার কেউ বলে বসেন, তাঁর শরীরের প্রতি ইঞ্চি মেপে দেখতে চান তিনি। এভাবে পরপর তিনবার কাস্টিং কাউচের সম্মুখীন হন সুরভিন চাওলা। সেই অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনতে গিয়ে যেন কেঁপে ওঠেন সুরভিন চাওলা।
তবে সুরভিন একা নন, বিভিন্ন সময় কাস্টিং কাউচ নিয়ে সরব হন বলিউডের একাধিক অভিনেত্রী। বিদ্যা বালান থেকে শুরু করে জারিন খান-রাও তাঁদের কাস্টিং কাউচের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনতে গিয়ে যেন কেঁপে উঠেছেন।...
উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা.) ছিলেন বিশিষ্ট সাহাবি আনাস বিন মালিক (রা.) এর মা। তিনি ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি তাঁর জীবন, সন্তান ও পরিবার সব কিছু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সেবায় নিয়োজিত করেন। উম্মে সুলাইম (রা.) এর মূল নাম কী ছিল, তা নিয়ে তিনটি মত পাওয়া যায়। তা হলো, রুমাইলা, গুমাইসা ও রুমাইসা। তাঁর প্রথম স্বামী মালিক বিন নজর উম্মে সুলাইম ইসলাম গ্রহণে অসন্তুষ্ট হয়ে শামে চলে যান। আর কখনো ফিরে আসেননি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথম স্বামীর ঔরসে আনাস (রা.)-এর জন্ম হয়। (আসাদুল গাবাহ : ৩৪৫/৭)
স্বামীর মৃত্যুর পর অনেকেই উম্মে সুলাইম (রা.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। আবু তালহা আনসারি তাঁদের একজন। তবে তিনি তখনো কাফের। অমুসলিম হওয়ায় উম্মে সুলাইম (রা.) তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও মানুষ হিসেবে তাঁকে পছন্দ হয়। তিনি তাঁকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে সেটাই হব...
মুফতি মুহাম্মদ আল আমিন : প্রিয় নবী (সা.) প্রতিদিন কমবেশি পানাহার করতেন। তিনি কীভাবে খাওয়া-দাওয়া করতেন এ বিষয়ে বিখ্যাত হাদিসগ্রন্থ শামায়েলে তিরমিজিতে অনেক হাদিস এসেছে। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (সা.) কখনো টেবিলে আহার করেননি এবং ছোট পেয়ালা বিশিষ্ট খাঞ্চায়ও খানা খাননি। আর তার জন্য কখনো চাপাতি রুটিও (চিকন পাতলা রুটি) তৈরি করা হয়নি।
ইউনুস বলেন, আমি কাতাদাহকে জিজ্ঞাসা করলাম, তাহলে কোন জিনিসের ওপর তারা খানা খেতেন? (অর্থাৎ খাওয়ার সময় কী বিছিয়ে খানা খেতেন?) তিনি বললেন এ (চামড়ার) দস্তরখানার ওপর। এ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, দস্তরখানা বিছিয়ে খাবার খাওয়া সুন্নত। বর্তমানে যে কোনো কাপড় বা রেক্সিন বিছিয়ে তার ওপর খাবারের প্লেট রেখে খেলে দস্তরখানা বিছানোর সুন্নত আদায় হবে। দস্তরখানা বিছানো সুন্নত এ কারণে যে, কোনো খাবার পড়ে গেলে তা যেন আবার তুলে খাওয়া যায়। এতে খাবারের অ...
১। শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ছাত্রদের অন্যতম ছিলেন কথাশিল্পী প্রমথনাথ বিশী। তো, একবার প্রমথনাথ বিশী কবিগুরুর সঙ্গে শান্তিনিকেতনের আশ্রমের একটি ইঁদারার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ওখানে একটি গাবগাছ লাগানো ছিল। কবিগুরু হঠাৎ প্রমথনাথকে উদ্দেশ করে বলে উঠলেন, ‘জানিস, একসময়ে এই গাছের চারাটিকে আমি খুব যত্নসহকারে লাগিয়েছিলাম? আমার ধারণা ছিল, এটা অশোকগাছ; কিন্তু যখন গাছটি বড় হলো দেখি, ওটা অশোক নয়, গাবগাছ।’
অতঃপর কবিগুরু প্রমথনাথের দিকে সরাসরি তাকিয়ে স্মিতহাস্যে যোগ করলেন, ‘তোকেও অশোকগাছ বলে লাগিয়েছি, বোধকরি তুইও গাবগাছ হবি।’
২। একবার রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীজি একসঙ্গে বসে সকালের নাশতা করছিলেন। তো গান্ধীজি লুচি পছন্দ করতেন না, তাই তাঁকে ওটসের পরিজ (Porridge of Oats) খেতে দেওয়া হয়েছিল; আর রবীন্দ্রনাথ খাচ্ছিলেন গরম গরম লুচি।
গান্ধীজি তাই না দেখে বলে উঠলেন, ‘গুরুদেব, তুমি জানো না যে তুমি বিষ খাচ্ছ।’ উ...
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এই লেখাটি দেশের সত্যিকারের শিক্ষাবিদ এবং নীতিবান ভাইস চ্যান্সেলরদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
যাঁরা খবরের কাগজ পড়েন, তাঁরা সবাই জানেন গত কিছুদিন দেশে দুই ধরনের দুর্নীতি নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড হচ্ছে। একটি হচ্ছে যুবলীগ নেতাদের ক্যাসিনো ব্যবসা, অন্যটি হচ্ছে ভাইস চ্যান্সেলরদের দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা। যুবলীগ কিংবা ছাত্রলীগের অপকর্মের কাহিনি শুনে কেউ বেশি অবাক হয় না। (তার পরও সরকারি ইঞ্জিনিয়ারদের হাজার কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার খবরটি মনে হয় হজম করা যথেষ্ট কঠিন। টাকাগুলো ট্রাকে করে নিতে হয় কি না ব্যাপারটা জানার আমার এক ধরনের কৌতূহল আছে।) যুবলীগ-ছাত্রলীগের অপকর্মের কথা শুনে দেশের মানুষ অবাক না হলেও ভাইস চ্যান্সেলরদের অপকর্মের কথা শুনে সবাই বুকের মাঝে এক ধরনের ধাক্কা খায়। একটা দেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানু...
দুনিয়াতে আমরা যা দেখি, বলা চলে তার সবই ঈমান হরণ করার আয়োজন চলছে। আর শয়তান এসব আয়োজনে ঘি ঢেলে দিচ্ছে। ঈমান হরণের এ আয়োজন থেকে মুক্তি পেতে মুমিন-মুসলমানের জন্য কিছু আমল করা জরুরি
ঈমানি জীবন-যাপন ও ঈমানি মৃত্যু লাভের অন্যতম উপায় হলো কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা। যা অনেক কঠিন এবং বড় সৌভাগ্যের বিষয়।
চারদিকে এতবেশি ফেতনা যে, ঈমানের সঙ্গে সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা করা অনেক দুষ্কর। আবার ঈমানি জীবন-যাপন করে ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়াও অনেক কঠিন কাজ। যারা ঈমানি জীবন-যাপন করতে পারে এটা তাদের জন্য অনেক বড় সাফল্যের বিষয়ও বটে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয় বান্দার আমলসমূহ, এটা নির্ভর করে জীবনের শেষ অবস্থায় সে কোন আমল নিয়ে যেতে পেরেছে।’
হাদিসের আলোকে জীবনের শেষ অবস্থায় বান্দার পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? এটার ওপর নির্ভর করবে মুমিন বান্দার আখেরাতে নাজাত...
মাতৃত্ব নিঃসন্দেহে যে কোনও মহিলার কাছেই একটি অত্যন্ত আনন্দদায়ক বিষয়। গর্ভধারণের পরই মেয়েরা জীবনের পরিপূর্ণতা লাভের অনুভূতি পান। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক মহিলাই গর্ভধারণের বেশ কয়েক মাস পরেও বুঝে উঠতে পারেন না যে, তিনি গর্ভবতী কিনা! এ দিকে গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস গর্ভস্থ শিশুর জন্য অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি। তাই চিনে নিন চিনে নিন প্রেগন্যান্সির লক্ষণগুলি আর সতর্ক ভাবে সুস্থ থাকুন...
গর্ভধারণের ৭ প্রাথমিক লক্ষণ:
১) পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব সঠিক সময়ে হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন। প্রতিমাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মহিলাদের পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ দিন পর পর)। মাঝে মধ্যেই পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব বিভিন্ন কারণে ৪-৫ দিন আগে বা পরে হতে পারে। এর চেয়ে বেশি সময় পেরিয়ে গেলে তা প্রেগন্যান্সির কারণে হতে পারে। তখন অন্যান্য লক্ষণগুলিও মিলিয়ে নিতে পারেন। পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেলেও প্রেগন্যান্সির শুরুর দিকে দু’-এক ফোঁট...
মাথায় মাথায় একবার ঠোকা লাগলে নাকি শিং গজায়! তাই একবার কোনও ভাবে মাথা অন্য কারও মাথায় ঠুকে গেলে আর একবার নিজেই ঠুকে নিয়ে ‘দোষ’ কাটিয়ে নিতে হয়। এটাই ‘নিয়ম’! না হলেই মাথায় শিং গজাবে। ছোট বেলাতেই এই কুসংষ্কারের সঙ্গে আমদের অনেকেরই পরিচয় হয়েছিল। ছোটবেলায় শোনা এই কুসংষ্কারের কথা মনে পড়লে আজও হাসি পায়। মানুষের মাথায় কি আবার শিং গজাতে পারে! অবশ্যই পরে। এমনই অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে।
৭৪ বছরের কৃষক শ্যামলাল যাদব সম্প্রতি মাথায় ৪ ইঞ্চি লম্বা শিং নিয়ে চিকিত্সার জন্য মধ্যপ্রদেশের সাগরের ভাগ্যদয় তীর্থ চিকিত্সালয়ে আসেন। মধ্যপ্রদেশের রহলি গ্রামের বাসিন্দা শ্যামলাল চিকিত্সকদের জানান, বছর পাঁচেক আগে আঘাত লেগে মাথা ফেটে গিয়েছিল তাঁর। সেরে যাওয়ার পর থেকেই মাথার ওই অংশ একটু একটু করে ফুলে বাড়তে থাকে। প্রথম প্রথম মাথার তালুতে গজানো শক্ত, অসাড় আঙুলের মতো অংশটি স্থানীয় সেলুনে গিয়ে চেঁচে আসত...
হাড়ের যত্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই হয় খুব উদাসীন, নয়তো তেমন ভাবে কিছুই জানি না! অতিরিক্ত নুন, সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস অতিরিক্ত প্রোটিন বা প্রাণীজ প্রোটিন হাড়ের খুব ক্ষতি করে। এমনই আরও অনেক বিষয় হয়তো আমরা জানি না, যেগুলি অজান্তেই আমাদের হাড়ের ক্ষতি করে চলেছে। কোন কোন কারণে আমাদের হাড়ের ক্ষতি হয়ে চলেছে, তা জানা সব সময় সম্ভব নয়। তবে কী ভাবে ক্ষয়-ক্ষতি হাত থেকে হাড় বাঁচানো সম্ভব, তা জেনে নেওয়া যেতেই পারে। এমন অনেক খাবার রয়েছে যেগুলি নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব মিটিয়ে হাড় হয়ে ওঠে মজবুত! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...
১) মজবুত হাড় পেতে নিয়মিত ব্রোকলি খেয়ে দেখুন। ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সবজিটি শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
২) টক জাতিয় ফল হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। মুসম্বি, কমলালেবু, পাতিলেবুর মতো যে কোনও লেবুতেই থাকে...
সুস্থ থাকার জন্য প্রাতরাশ বা ব্রেকফাস্ট খুবই জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, ব্রেকফাস্টে কী খাচ্ছেন, সেটা খুব জরুরি। কারণ, রোগা হওয়ার জন্য ব্রেকফাস্টে তেমন কিছুই মুখে তুললেন না বা এক সঙ্গে অনেক কিছু খেয়ে নিলেন— দু’টোতেই ফল হবে উল্টো! হালকা ব্রেকফাস্টের নামে আমরা এমন কিছু ভুল করে ফেলি যেগুলি ওজন কমানোর বদলে উল্টে বাড়িয়ে দেবে ওজন! এমন বেশ কিছু খাবার আমরা অনেকেই ব্রেকফাস্টে খাই, যেগুলি বাড়িয়ে দেয় আমাদের ওজন। আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...
১) অনেকেই এক কাপ কফি খেয়ে সকালটা শুরু করেন। সকালে খালি পেটে কফি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। অ্যাসিডিটির সমস্যায় অন্যান্য একাধিক শারীরিক সমস্যা বা মানসিক উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। বেড়ে যেতে পারে ওজনও।
২) সকালে কাজে বেরনোর আগে অনেকেই এক গ্লাস জুস খেয়ে নেন। সকালে খালি পেটে ফলের রস খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হা...
সাইনোসাইটিসের (সাইনাসের সমস্যা) সমস্যায় অনেককেই ভুগতে হয়। সারাক্ষণ নাক-মাথা ভার ভার লাগা, সারাক্ষণ মাথায় কপালে অস্বস্তি-সহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এই সাইনোসাইটিসের ফলে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার কারণে এই সমস্যা আরও বাড়ে। এ ছাড়াও ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ ও আবহাওয়া তো আছেই।
মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে যেগুলিকে সাইনাস বলা হয়। কোনও কারণে যদি সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে প্রদাহ (জ্বালা) হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। কিছু উপায় রয়েছে যেগুলির সাহায্যে এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক সাইনোসাইটিসের কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়...
১) তেল মালিশ: তিল, ল্যাভেন্ডার, ইউক্যালিপটাস বা যে কোনও মেন্থল (মিন্ট যুক্ত) তেল মালিশ করলে আরাম পাবেন।
২) মধু ও লেবুর রস: লেবুর রসে রয়েছে প্রচুর প...
অলস দুপুর কিংবা মন খারাপের রাতে যদি মনের সুরখানা টুং টাং করে বাজিয়ে নিতে পারো, তবেই খুলে যাবে আনন্দের ঝাঁপি। কারো পছন্দ তারের ঝংকার, আবার কি-বোর্ড, হারমোনিয়ামে কারো আঙুল খেলা করে প্রজাপতির ছন্দে। তোমাদের পছন্দের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে লিখেছেন মুসাররাত আবির জাহিন
দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদের আজকাল আধুনিক বাদ্যযন্ত্রও দেখা যাচ্ছে। কে কোন বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে, আর কেনই বা বাজাচ্ছে, সেটা তোমাদের জানাতেই আজকের এ আয়োজন।
ক্লাস এইটে থাকতে শখের বশে গিটার কেনে নাশিতা তাহসিন খান। এখন সে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। প্রথমে নিজে নিজে বাজানোর চেষ্টা করত। গিটার কেনার প্রায় আড়াই বছর পর, বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে আজিমপুরের হিমু ভাইয়ার নাম শুনে তাঁর কাছে তালিম নিতে শুরু করে নাশিতা। কর্ড শিখে গান বাজাতে পারলেও গিটারে ‘প্লাকিং’ আর ‘সলো’ যুক্ত করতে পারলে সৌন্...