জুলাই মাসে চীনের বাল্ক পণ্যের মূল্যসূচক (বাল্ক কমোডিটি প্রাইস ইনডেক্স) দাঁড়িয়েছে ১২৮ দশমিক ৬ পয়েন্টে। এটি আগের মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কম হলেও, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। বুধবার চীনের সরবরাহ ও ক্রয় ফেডারেশন এ তথ্য জানায়।
ফেডারেশনের পর্যবেক্ষণে থাকা ৫০টি প্রধান বাল্ক পণ্যের মধ্যে জুলাইয়ে ১৪টির দাম আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে। এর মধ্যে কোক, প্রাসিওডিমিয়াম-নিওডিমিয়াম অক্সাইড এবং ঢেউতোলা কাগজের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এসব পণ্যের দাম যথাক্রমে ৭ দশমিক ১ শতাংশ, ৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে যাওয়া, মৌসুমি চাহিদা হ্রাস এবং তীব্র তাপপ্রবাহ, ভারি বৃষ্টি ও টাইফুনের মতো বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে রাসায়নিক, লৌহজাত ধাতু এবং খনিজ পণ্যের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় কমেছে।
অন্যদিকে, সরবরাহ সংকট এবং বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় কৃষিপণ্যের মূল্য উপসূচক আগের মাসের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে যাওয়া এবং তীব্র গরম ও বর্ষাকালের কারণে মৌসুমি সমন্বয় হওয়ায় জুলাই মাসে মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় কমেছে। জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দেশের কিছু খাতে কার্যকর চাহিদা দুর্বল থাকলেও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ বজায় রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিগুলোও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
তাদের মতে, বছরওয়ারি মূল্যসূচকের বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, চীনের বাল্ক পণ্যের বাজারের মৌলিক ভিত্তি এখনও সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী। আর মাসওয়ারি এই মূল্যহ্রাস মূলত কাঠামোগত সমন্বয়ের ফল, যা বাজারের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রবণতাকে পরিবর্তন করে না।
সূত্র: সিএমজি




















