চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা। তাদের ধারণা, এআই নিয়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের পাশাপাশি এর বাস্তব অর্থনৈতিক সুফল ও বিনিয়োগের মুনাফা অর্জনের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বুধবার শেষ হওয়া পঞ্চম বৈশ্বিক অর্থায়ন সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিনিয়োগ ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হিলহাউস ইনভেস্টমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা চাং লেই বলেন, ‘এআই প্রযুক্তিকে অবশ্যই উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সক্ষম হতে হবে। বিপুল পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের পর এখন বিনিয়োগকারীরা আর্থিক সুফল দেখতে চান।‘
তার মতে, উৎপাদন, স্বাস্থ্যসেবা, পরিষেবা ও ভোগ্যপণ্যসহ প্রতিটি শিল্পখাতেই এআইয়ের ব্যবহার ছড়িয়ে পড়বে। এ ক্ষেত্রে এশিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেG কারণ বিশ্বের অন্য অঞ্চলের তুলনায় এখানে এআই ব্যবহারের কার্যকর ক্ষেত্র বেশি।‘
নিউইয়র্ক-ভিত্তিক একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারবিষয়ক প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা জেমস লিডোটেস সিনহুয়াকে বলেন, ‘বাস্তব জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির প্রয়োগে নেতৃত্ব দেবে চীন।‘
বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে চীনের কারখানাগুলোতে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনব্যবস্থার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বলেও জানান তিনি।
চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গত মাসের শেষ দিকে জানিয়েছে, পরবর্তী প্রজন্মের বুদ্ধিমান উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
প্রস্তাবিত পদক্ষেপের আওতায় উৎপাদনশিল্পের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন ধরনের উৎপাদন মডেলও গড়ে তোলা হবে। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ব্যয় কমানো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: সিএমজি




















