চীন-মিশরীয় সম্পর্কের মহাকাশ সহযোগিতা মডেল - Mati News
Thursday, September 3

চীন-মিশরীয় সম্পর্কের মহাকাশ সহযোগিতা মডেল

মহাকাশ বিজ্ঞান ও অনুসন্ধান চীন ও মিশরের মধ্যে সহযোগিতার একটি মডেলে পরিণত হয়েছে। ছ্যাং’ই-৭ মিশনের মাধ্যমে এই অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। এ মিশনের আওতায় চাঁদে একটি মিশরীয় পেলোড পাঠানোর কথা রয়েছে চীনের।

চীন ইতোমধ্যে মিশরকে ধ্বংসাবশেষ ও উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিকে লেজার-সজ্জিত টেলিস্কোপসহ প্রয়োজনীয় সব প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে। দুই দেশ মহাকাশে বেশ কয়েকটি টেলিযোগাযোগ ও দূর অনুধাবন উপগ্রহ উৎক্ষেপণেও একসঙ্গে কাজ করেছে।

বেনি সুয়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেভিগেশন বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ওসামা শালাবিয়া বলেন, “চীন বিশ্বের কাছে তার মহাকাশ কর্মসূচি উন্মুক্ত করতে শুরু করেছে। আফ্রিকায় এই প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানকে পরিচিত করানোর প্রবেশদ্বার হিসেবে এটি মিশরের সঙ্গে সহযোগিতা শুরু করেছে।”

চীন, মিশরে একটি সংযোজন, সমন্বয় ও পরীক্ষাকেন্দ্রও স্থাপন করেছে। সেখানে মহাকাশে উৎক্ষেপণের আগে পেলোডের নকশা তৈরি, সংযোজন ও পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম রয়েছে।

আসন্ন ছ্যাং’ই-৭ উৎক্ষেপণ এই প্রযুক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরেকটি মাইলফলক স্থাপন করবে। কারণ, এই চন্দ্রাভিযানের জন্য চীন ও মিশর বাহরাইনের সঙ্গে জোটবদ্ধ হচ্ছে।

প্রযুক্তির পাশাপাশি চীন মিশরীয় শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর বৃত্তিও প্রদান করছে।

চীনের সঙ্গে সহযোগিতা মিশরকে তার মহাকাশ কর্মসূচিতে অগ্রগতি অর্জনে সহায়তা করেছে। এই উন্নত প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বে ছ্যাং’ই-৭ নতুন মানদণ্ড স্থাপন করায়, মিশর মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার প্রথম দেশগুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে, যারা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ক্যামেরা পাঠিয়েছে।

সূত্র: সিএমজি

C:\Users\USER\Desktop\১১১.JPG

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *