নভেম্বর ৭: গত বৃহস্পতিবার শাংহাইয়ে নবম হংছিয়াও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের ‘উচ্চমানের উন্মুক্ততার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন—চীনের খাবার টেবিলে বিশ্বের নানা দেশের সুস্বাদু খাবার’ শীর্ষক বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অধিবেশনের যৌথ আয়োজক ছিল চায়না মিডিয়া গ্রুপের কৃষি ও গ্রামীণ বিষয়ক অনুষ্ঠান কেন্দ্র এবং ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস। এতে সরকারি বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, কৃষি ও খাদ্যপণ্য খাতের প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদসহ প্রায় ৩০০জন অংশ নেন।
অধিবেশনে মূল বক্তব্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা আমদানি করা কৃষি ও খাদ্যপণ্যের ভবিষ্যৎ প্রবণতা, বাণিজ্য সহজীকরণ, সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয় এবং খাদ্যব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মাধ্যমে চীন ও বিদেশের কৃষি ও খাদ্যশিল্পের সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে যোগাযোগ, মতবিনিময় ও সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের প্রেসিডেন্ট উ ওয়েইশিং বক্তব্যে বলেন, উন্মুক্ততার সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রতিফলন দেখা যায় সাধারণ মানুষের খাবার টেবিলে। এক দশকেরও বেশি আগে যেসব খাবার ছিল বিরল ও দুর্লভ, এখন সেগুলো সাধারণ সুপারমার্কেটেই পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, চীন বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম কৃষিপণ্য আমদানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সুস্বাদু খাবার এখন চীনের অসংখ্য পরিবারের ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে। উচ্চমানের উন্মুক্ততার ফলে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এটাই একটি বাস্তব পরিবর্তন।
তিনি আরও বলেন, আমদানি করা পণ্যের প্রতিযোগিতা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদকদের পণ্যের গুণগত মান উন্নত করতে এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে। উন্মুক্ততা ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান—এই দুটি বিষয় খাবার টেবিলেই একসূত্রে গাঁথা।
সূত্র: সিএমজি



















