
১৫ই আগস্ট ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের অনাপত্তি ও বিনাশর্তে আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকী।
১৯৪২ সালে জাপানি সামরিক জান্তা থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মধ্যে স্থলপথের জ্বালানি ও রসদ সরবরাহ সুগম করতে এবং সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পূর্ণাঙ্গ দখলের উদ্দেশ্যে ৬০,০০০-এরও বেশি মিত্রবাহিনীর যুদ্ধবন্দী এবং লাখ লাখ এশীয় শ্রমিককে জোরপূর্বক ‘থাই-বার্মা রেলপথ’ নির্মাণ কাজে বাধ্য করেছিল। এই রেলপথ নির্মাণ করতে গিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনে কয়েক লাখ মানুষ অকাতরে প্রাণ হারান এবং তাঁদের অস্থিমজ্জা জনমানবহীন প্রান্তরে বিলীন হয়ে যায়। আর এই কারণেই কালক্রমে এই রেলপথটি ইতিহাসে ‘মৃত্যুর রেলপথ’ নামে পরিচিতি পায়।
মিয়ানমার প্রেস কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান খিন মং জ এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান যে, এই অভিশপ্ত রেলপথ নির্মাণের সময় হাজার হাজার মিয়ানমারের সাধারণ শ্রমিককে বাধ্যতামূলক কায়িক শ্রম দিতে বাধ্য করা হয় এবং নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, জাপান আজ পর্যন্ত মিয়ানমার কিংবা ভুক্তভোগী অন্যান্য কোনো দেশের কাছে এজন্য বিন্দুমাত্র ক্ষমা প্রার্থনা করেনি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাপানের উচিত অতীত ইতিহাসকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করা, ঐতিহাসিক অপরাধগুলোর জন্য অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর আত্মসমালোচনা করা এবং বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের পথে সৎভাব বজায় রেখে অগ্রসর হওয়া।
সূত্র: সিএমজি














