নোয়াখালীতে ডিবি পরিচয় দিয়ে ব্যাংক এজেন্টের ১২ লাখ টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় - Mati News
Friday, September 11

নোয়াখালীতে ডিবি পরিচয় দিয়ে ব্যাংক এজেন্টের ১২ লাখ টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে এক ব্যাংক এজেন্টের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরের দিকে চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এম মজিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আবদুর রহমান ইসলামী ব্যাংক আবু মদিনা আউটলেট এজেন্ট শাখার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন।

আবদুর রহমানের ভাষ্যমতে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার দিকে ব্যাংক শাখা থেকে ১২ লাখ টাকা তুলে মোটরসাইকেলে গন্তব্যে ফিরছিলেন তিনি। পথে এম মজিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে একটি প্রাইভেট কারে আসা পাঁচজনের একটি দল তাঁর গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাঁর কাছে মাদক রয়েছে বলে মিথ্যা অভিযোগ তোলে। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত আবদুর রহমানকে কালো জ্যাকেট পরা পাঁচজন ঘিরে ধরে প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে যায়। গাড়ির ভেতরে তাঁর চোখ-মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয় এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ১২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে কবিরহাট উপজেলার নবীর দোকানের কাছে তাঁকে হাত ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুল হাকিম জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত এজাহার বা আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর তাঁর কাছে মাদক রয়েছে বলে দাবি করে তারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিছুক্ষণ পর তাঁরা জানতে পারেন, আবদুর রহমান ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন এবং তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একপর্যায়ে তাঁর গায়ে পিস্তল ঠেকিয়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে জোর করে গাড়িতে তোলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হতে এবং অপরাধীদের শনাক্ত ও অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *