২ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা বা টিসিএমের প্রতি আমেরিকানদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে এই চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে জানছেন অনেকেই। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চিন কুয়ানইউয়ান যুক্তরাষ্ট্রে নিজের আকুপাংচার ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেখানে তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন।
চিন বলেন, “প্রায় ৩৭ বছর আগে আমি যখন প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে আসি, তখন অধিকাংশ আমেরিকানই আকুপাংচার চিকিৎসা গ্রহণ করেননি। কিন্তু এখন আমাদের কাছে আসা অধিকাংশ আমেরিকানের আকুপাংচার বিষয়ে প্রশ্ন করার ধরন থেকেই বোঝা যায় যে তাদের ধারণায় কতটা পরিবর্তন এসেছে।”
‘নিউ ইংল্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড হেলথ’-এর প্রতিষ্ঠাতা আব্রাম ওজুরে বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরুণ শিক্ষার্থীদেরও আমরা রোগী হিসেবে পাই, যাদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে টিসিএম- ব্যবহারের ধারণাটি আগে থেকেই রয়েছে।”
বেইজিংয়ে টিসিএমের মাধ্যমে সমন্বিত ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে গবেষণারত পিএইচডি শিক্ষার্থী ই চিংইয়ান মনে করেন, আমেরিকানদের মধ্যে বাড়তে থাকা এই আগ্রহ পশ্চিমা ও চীনা চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্যে আরও ভালো যোগাযোগ ও আদান-প্রদানের পথ তৈরি করতে পারে।
অনেক আমেরিকানের কাছে টিসিএম তুলনামূলকভাবে নতুন একটি ধারণা হলেও চীনাদের কাছে এটি হাজার বছরের বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা একটি চিকিৎসাপদ্ধতি।
সূত্র: সিএমজি বাংলা





















