কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা স্পষ্ট করেছেন যে, ডিসি, এসপি বা ইউএনও—কারও কাছেই তিনি কোনো ধরনের অবৈধ সুপারিশ নিয়ে যাবেন না। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি প্রশাসনের কাছে যা কিছু নিয়ে যান, তা কেবল জনগণের কল্যাণের জন্যই করেন, যাতে সাধারণ মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে। তিনি হলফনামার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জনগণের সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পাঁচ বছরে তার ব্যক্তিগত সম্পদ এক টাকাও বাড়বে না। তাই প্রশাসনের কাছে কোনো অনৈতিক আবদার করার প্রশ্নই আসে না।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। মুফতি আমির হামজা বলেন, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে না, তাদের তিনি রাখবেন না। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তিনি দুই ওসি ও এসপিকে পরিবর্তন করেছেন। তার মতে, আগে ডিসি-এসপিরা জনগণের সঙ্গে উদ্ধত আচরণ করলেও এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তারা কথা বলার সময় অত্যন্ত বিনয়ী থাকেন, কারণ তারা জানেন যে জনগণের স্বার্থে কোনো অনিয়ম হলে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে ঘেরাওয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি হাত মেলাতে গেলে প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছিলেন, ‘আপনিও তো প্রধানমন্ত্রী’। এ বিষয়ে আমির হামজা বলেন, ‘আমার কথা হলো, একটা দেশে প্রধানমন্ত্রী কয়জন থাকে! কুষ্টিয়া তো একটা দেশ নয়, একটি জেলা। এক আসনে প্রধানমন্ত্রী হয় কেউ! পাগলেও তো বলবে, এটি রূপক অর্থে বলা হয়েছে।’
সারা দেশে এই জবাবদিহিতার ব্যবস্থা চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছরে এই পদ্ধতি সারা দেশে কার্যকর করা সম্ভব। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সময়ের মধ্যে আল্লাহ এই জমিনকে তাদের জন্য অনুকূল করে দেবেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘আগে ডিসি-এসপিরা ঝাড়িমারা কথা বলত, আর এখন কথা বললে ৬০ সেকেন্ডের ৪০ সেকেন্ড স্যার স্যার করে।




















