যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লীগ সকারে (এমএলএস) সময়টা মোটেও ভালো কাটছে না ইন্টার মায়ামির। জিওডিস পার্কে স্বাগতিক ন্যাশভিলের বিপক্ষে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। এই ম্যাচে ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে চরম হতাশার মুখে পড়েছেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ম্যাচের ২৩ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম ক্যারিয়ারে টানা তিনটি পেনাল্টি মিসের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরুতে অ্যান্ডি নুহারের গোলে মায়ামি পিছিয়ে পড়লেও প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলে সমতায় ফিরেছিল সফরকারীরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ন্যাশভিলের হানি মুখতারের জোড়া গোল এবং স্যাম সারিজের ব্যাকহিল ফিনিশে মায়ামির রক্ষণভাগ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ম্যাচে মেসির দুর্ভাগ্যও ছিল সঙ্গী; ইনজুরি টাইমে তার একটি শট দুই পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং অফসাইডের কারণে তার একটি গোল বাতিল হয়।
বাবা হোর্হে মেসির প্রয়াণের পর মাঠে ফেরা ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড পুরো ম্যাচেই বেশ হতাশ ছিলেন, এমনকি রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে হলুদ কার্ডও দেখেছেন। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে এই হার মায়ামির জন্য বড় ধাক্কা। ম্যাচ শেষে কোচ গুইলের্মো হোয়েস দলের মানসিক দৃঢ়তা ধরে রাখার প্রত্যয় জানিয়ে বলেন, এই হার তাদের থামিয়ে দেবে না, বরং তারা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন। তিনি আরও যোগ করেন, বড় ব্যবধানের হার সত্ত্বেও দলে কিছু ইতিবাচক দিক ছিল যা তাদের পরবর্তী লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাবে। বর্তমানে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়া মায়ামি আগামী বুধবার পরবর্তী ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে।
ম্যাচের ২৩ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারে টানা তৃতীয় পেনাল্টি মিস।
২০১৪ সালের পর এমন ঘটনা আর কখনো ঘটেনি।
এছাড়া দুর্ভাগ্যও পিছু ছাড়েনি মেসির।
মাঠের ভেতরের মানসিক চাপ এবং পরিশ্রম যারা খেলেছে, কেবল তারাই বুঝতে পারে।


