Friday, December 2
Shadow

Tag: রোমান্টিক গল্প

ভালোবাসার গল্প : ভালবাসায় ভাল না বাসায়

ভালোবাসার গল্প : ভালবাসায় ভাল না বাসায়

Stories
নেহা অনেকদিন পর যেন একটু শ্বাস ফেলে বাঁচলো।বিয়ের ছয়মাস পেরিয়ে গেছে ওদের।অনিকের সাথে এখনো সহজ সম্পর্ক শুরু করতে পারেনি ও।স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক তো নয়ই। এজন্য নেহা কৃতজ্ঞ অনিকের কাছে।আসলে বাবার কথাতেই নেহা বিয়েটা করতে বাধ্য হয়েছে। গল্প : ভালবাসায় ভাল না বাসায়, লিখেছেন: মিমোসা মওলা নুপুর অনিক;নেহার বাবার বন্ধুর ছেলে।নেহার বাবা নাকি অনেক আগেই বিদেশে থাকা অনিকের সাথে নেহার বিয়ের পাকা কথা বলে রেখেছিল।অনিকের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় বেশ তড়িঘড়ি করেই ওদের বিয়েটা হয়ে যায়।আর বিদেশে ফিরে যায় নি অনিক।বাবার এতদিনের ইচ্ছে টা পূরণ করেছে সে। ওর বাবার ইচ্ছে ছিল,তাদের একমাত্র ছেলে যেন তাদের পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দেয়।তাই দিয়েছে অনিক।কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা চাপা অসন্তোষ রয়ে গেছে ওর।ডেনমার্ক এ খুব ভাল একটা অবস্থান তৈরি করে ফেলেছিল ও।এখন এভাবে সব ছেড়েছুড়ে ওর কাছে কেমন যেন অসহায় লাগছে।তার উপর বিয়ের রা...
স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক কষ্টের গল্প : বিচিত্র জীবন

স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক কষ্টের গল্প : বিচিত্র জীবন

Stories
স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক কষ্টের গল্প : বিচিত্র জীবন লেখক: রাজু আহাম্মেদ জুলাই মাসের তের তারিখ। মিনু'র জীবনে বিশেষ দিন আজ। সেজেগুজে অপেক্ষা করছে প্রিয়তম স্বামীর জন্য। রাত ন'টা নাগাদ ঘরে ফিরলো জামাল রহমান। স্ত্রীর সাজসজ্জ্বায় বিন্দুমাত্রও বিস্মিত হলো না সে। ড্রয়ার থেকে একটা ফাইল বের করেই বেরিয়ে যাচ্ছিলো। মিনু পথ আগলে বললো, কই যাচ্ছো? আজ না গেলে হয় না? স্বাভাবিক বিনয়ের অনুরোধ তবু জামাল রাগের স্বরে বললো, না। হয় না। আর এই রাত্রিবেলা এত সেজেছো কেন? -কেন, সেজেছি? তুমি জানোনা? -না। পথ ছাড়ো। অফিসে যেতে হবে, অনেক কাজ আছে। মিনু সরে দাঁড়ালো। কর্মব্যস্ত মানুষটাকে বলাই হলো না, আজ তাদের বিবাহ-বার্ষিকী। আর বলেই বা লাভ কি! মানুষটা কাজ ছাড়া কিচ্ছু বোঝে না। বিয়ের পরপর'ই একটু একটু করে কতটা বদলে গেছে সে। মিনু সাজ নষ্ট করে দরজা আটকিয়ে শুয়ে পড়লো। শখের রান্না রান্নাঘরেই রয়ে গেলো। রাত সাড়ে দশ'...
সামাজিক গল্প : সেরা উপহার

সামাজিক গল্প : সেরা উপহার

Stories
লেখক: জাহানারা পারভীন শাশুড়ী মা শুভ্রার ঘরে উঁকি দিয়েই বলল, তা তোমাকে না কতবার বলেছি, ছেলেটা প্রেস থেকে আসার আগেই একগ্লাস লেবু শরবত টেবিলে রাখবে। এদিকে গরমটা বাড়ছে। তোমার আর জ্ঞান হবে না বাপু? পুরুষ মানুষকে একটু যত্নের উপর রাখতে হয়। বাবারে ভালবাসাকে মজবুত করা কি অত সহজ? শুভ্রা তাড়াতাড়ি ফ্রিজে খুলে লেবুটা চটকে চিনি গুলতে লাগলো। গ্লাসটা আঁচল দিয়ে মুছে পিরিচ দিয়ে ঢেকে টেবিলের উপর রাখলো। ওর চোখটা টেবিলের কোনে রাখা নতুন একটা বইয়ের দিকে চলে গেল। নতুন বইয়ের গন্ধ নিতে শুভ্রার বরাবরই ভালো লাগে। দু একটা পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে শাশুড়ী মায়ের হাঁক শুনে বেড়িয়ে গেল। শুভ্রা এবাড়িতে এসেছে তিন বছর হলো। স্বামী সাজেক রহমান পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া বইঘর প্রকাশনীর দেখভাল করে। অতি ভদ্র মানুষ। মায়ের প্রতি অপার মমতা। শুভ্রা যদি শাশুড়ীকে নিয়ে কিছু অভিযোগ আনে তখনই সাজেক ওর হাত ধরে বলে, একটু মেনে না-ও গো। ম...
রোমান্টিক গল্প : মিথ্যার আশ্রয়

রোমান্টিক গল্প : মিথ্যার আশ্রয়

Stories
লেখক: মিশক আল মারুফ আমার নতুন গার্লফ্রেন্ড তিথির সাথে আজ দেখা করতে যাচ্ছি। এই নিয়ে আমার উত্তেজনার শেষ নেই কেননা এখন পর্যন্ত যতগুলো মেয়েকে পটিয়েছি তার থেকে তিথির মতো সুন্দরী মেয়ে আর দুটো নেই। তিথির সাথে আমার পরিচয়টা গত একমাস যাবৎ ফেইসবুকের কল্যাণেই। মূলত আমার ফেইক আইডি দিয়েই ওর সাথে পরিচয়। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে আসল প্রোফাইল বাদ দিয়ে কেনো আমি ভুয়া আইডি দিয়ে প্রেম করছি? এর উত্তরটাও বেশ সহজ, মূলত আমার চেহারা তেমন একটা ভালো না তাছাড়া গায়ের রংটা কালো না হলেও বেশ শ্যামবর্ণের। অপরদিকে তিথির প্রোফাইল ঘেটে আমি ওর যতগুলো ছবি দেখেছি তাতে আমার মনে হয়েছে ওর চেহারায় একটু খানি তামিল নায়িকাদের রেশ বয়ে গেছে। যেমনি ধবল সুন্দর ওর শরীর তেমনি চেহারার সুনিপুণ কারুকার্য। অপরদিকে আমার প্রোফাইলে দেওয়া ছিল এক সুদর্শন পুরুষের বেশ কয়েকটি ছবি। আমার যতটুকু ধারণা তিথিও আমার এসব ভুয়া ছবি দেখেই হয়তো প...
রোমান্টিক থ্রিলার : ছায়া এসে পড়ে : পর্ব ৬

রোমান্টিক থ্রিলার : ছায়া এসে পড়ে : পর্ব ৬

Stories
রোমান্টিক উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-৬ রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার বইটি মধ্যবয়সী পুরুষ তৈয়ব আখন্দকে ঘিরে। জীবন সংসারের প্রতি খানিকটা উন্নাসিক কিন্তু বুদ্ধিমান এ মানুষটা পালিয়ে বেড়াতে চায়। কিন্তু আচমকা টাঙন নদী ঘেঁষা গ্রাম পদ্মলতায় এসে সে আটকা পড়ে চাঁদের আলোয় ঝুলতে থাকা একটা লাশ আর লাবনীর জালে। তৈয়ব নিজেকে বের করে আনার চেষ্টা করে। চলতে থাকে জড়িয়ে পড়া ও ছাড়িয়ে আনার মাঝে এক সমঝোতা। রোমান্টিক প্রেমের গল্প ও একই সঙ্গে থ্রিলার স্বাদের উপন্যাস ছায়া এসে পড়ে । লেখক ধ্রুব নীল কুরিয়ারে হার্ড কপি পেতে এই পেইজে অর্ডার করুন   ছায়া এসে পড়ে পর্ব -১  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -২  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -৩  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -৪  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -৫  এর লিংক ৬ গ্রাম দেখাটা বিশেষ উপভোগ করতে পারলো না তৈয়ব। শামীমের জোরাজুরি এটা ওটা দেখতে হলো। তৈয়ব যেন বিদেশি পর্যটক।...
রোমান্টিক-থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-২

রোমান্টিক-থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-২

Stories
রোমান্টিক-থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-২ রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার বইটি মধ্যবয়সী পুরুষ তৈয়ব আখন্দকে ঘিরে। জীবন সংসারের প্রতি খানিকটা উন্নাসিক কিন্তু বুদ্ধিমান এ মানুষটা পালিয়ে বেড়াতে চায়। কিন্তু আচমকা টাঙন নদী ঘেঁষা গ্রাম পদ্মলতায় এসে সে আটকা পড়ে চাঁদের আলোয় ঝুলতে থাকা একটা লাশ আর লাবনীর জালে। তৈয়ব নিজেকে বের করে আনার চেষ্টা করে। চলতে থাকে জড়িয়ে পড়া ও ছাড়িয়ে আনার মাঝে এক সমঝোতা। রোমান্টিক প্রেমের গল্প ও একই সঙ্গে থ্রিলার স্বাদের উপন্যাস ছায়া এসে পড়ে । লেখক ধ্রুব নীল কুরিয়ারে হার্ড কপি পেতে এই পেইজে অর্ডার করুন ছায়া এসে পড়ে পর্ব -১  এর লিংক ২ তৈয়বের দ্বিতীয়বার ঘুম ভাঙলো ভরদুপুরে।প্রথমবার ভাঙে ভোরের আলো ফোটার আগে। লাশের পাশের গাছতলায়। লাশটা তখনও ঝুলছিল। সারা গায়ে কাদামাটি নিয়ে ঢুলতে ঢুলতে তৈয়ব আসে হাউসের কাছে। রাতে বৃষ্টির পানিতে ভরে চুপচুপে ওটা। তাতেই দিল ঝা...
রোমান্টিক-থ্রিলার উপন্যাস : ছায়া এসে পড়ে পর্ব-১

রোমান্টিক-থ্রিলার উপন্যাস : ছায়া এসে পড়ে পর্ব-১

Stories
রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার বইটি মধ্যবয়সী পুরুষ তৈয়ব আখন্দকে ঘিরে। জীবন সংসারের প্রতি খানিকটা উন্নাসিক কিন্তু বুদ্ধিমান এ মানুষটা পালিয়ে বেড়াতে চায়। কিন্তু আচমকা টাঙন নদী ঘেঁষা গ্রাম পদ্মলতায় এসে সে আটকা পড়ে চাঁদের আলোয় ঝুলতে থাকা একটা লাশ আর লাবনীর জালে। তৈয়ব নিজেকে বের করে আনার চেষ্টা করে। চলতে থাকে জড়িয়ে পড়া ও ছাড়িয়ে আনার মাঝে টানাপড়েন। রোমান্টিক থ্রিলার প্রেমের গল্প ও একই সঙ্গে থ্রিলার স্বাদের উপন্যাস ছায়া এসে পড়ে । লেখক ধ্রুব নীল কুরিয়ারে হার্ড কপি পেতে এই পেইজে অর্ডার করুন   প্রথম পর্ব ১ ‘তৈয়ব সাহেব, জলদি নিন। সময় নেই।’ খামটা টেবিলে রেখে হেলান দিয়ে চোখ বুঁজলেন ম্যানেজার। তৈয়ব আখন্দের বলতে ইচ্ছে করলো, সময় কারওরই থাকে না। আপনার মতো ম্যানেজারেরও না, আবার বদরুল চোরেরও না। চুরির দায়ে কিছুদিন আগে চাকরি যায় অফিসের পিয়ন বদরুলের। তবে বসের চোখ বন্ধ করা দেখে মনে হচ্ছে তিন...
রোমান্টিক গল্প : স্ত্রীর মন বোঝা

রোমান্টিক গল্প : স্ত্রীর মন বোঝা

Stories
অফিসে যাওয়ার জন্য যখন তৈরি হচ্ছিলাম তখন আমার স্ত্রী শ্রাবণী রান্নাঘর থেক কড়াই এনে আমার সামনে রেখে বললো, -"বলো তো কড়াইয়ের মধ্যে কি আছে? " আমি শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে কড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে বললাম, -- পানিই তো মনে হচ্ছে। শ্রাবণী আমার চোখে চোখ রেখে বললো, -" হয় নি, এটা পানি না।এটা বসুন্ধরা সয়াবিন তেল। আমি ৩০মিনিট ধরে আগুনে রেখে গরম করে এনেছি। আমার কথার যদি সোজাসাপ্টা জবাব না দাও, তাহলে এই গরম তেল আমি তোমার শরীরে ঢেলে দিবো।" শ্রাবণীর কথা শুনে আমি ওর সামনে থেকে দুইহাত সরে গিয়ে বললাম, -- কি সব পাগলে মতো কথা বলছো! শ্রাবণী বললো, -"আমি সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের মতোই কথা বলছি। অর্পিতা কে?" -- কোন অর্পিতা? -" যাকে নিয়ে ফেসবুকে আজকাল খুব লেখালেখি করছো?" আমি মুচকি হেঁসে শ্রাবণীকে বললাম, -- আরে এই নামতো আমি এমনি ব্যবহার করেছি। তাছাড়া তুমিই তো সেদিন বলেছিলে আমার ছাইপাঁশ গল্পে তোমার নামটা ...
রোমান্টিক গল্প : ইমার জন্য অপেক্ষা

রোমান্টিক গল্প : ইমার জন্য অপেক্ষা

Stories
টার্গেট মিস হলেই প্রবাল সেন ক্ষ্যাপা যুবক। চোখের মণিতে যেন ফণা ওঠে। টার্গেট থেকে চোখ না সরিয়েই আলগোছে সরিয়ে দেয় হোগলার জঙ্গল। তারপর ফের মনযোগ। নিশানা করার কাঁটা, বন্দুকের ট্রিগারের উপর সূক্ষ্ম গিরিখাত, আর প্রবাল সেনের চোখ; সব মিলে মিশে একাকার। প্রায় অসীম সময় নিয়ে দম ছাড়তে ছাড়তে এক পর্যায়ে ট্রিগারে চাপ। সাদা বকটা মুহূর্তে লাল। প্রবাল সেনের বয়স ধপ করে বেড়ে চল্লিশ। কল্পনায় নিজের মুখে আংশিক বলিরেখাও দেখেন। তবে বন্দুক হাতে জোবারপাড় গ্রামে ফেরার সময় একটা পর্যায়ে নিজেকে খানিকটা বুড়িয়ে ফেলেন প্রবাল সেন। সুপারি বাগানের যে দিকটায় বড় বড় দুটো তালগাছ আছে, সেখানে ঠিক ঐ বকটার মতো অপেক্ষায় থাকে ইমা। ইমার কাছে নিজের বয়সটা কোনো এক কারণে কখনই মূখ্য ছিল না। যুগ যুগ ধরেই যেন কিশোরি। তবে তার সামনে দাঁড়ানো মাত্রই প্রবাল সেন চল্লিশোর্ধ্ব।   - কি গো শিকারি, আজ খালি হাতে ফিরলে যে! বলেছি না ঘুঘু...
আধ্যাত্মিক গল্প : অস্তিত্ব

আধ্যাত্মিক গল্প : অস্তিত্ব

Stories
শ্রাবন্তী আয়নার সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়। অতিপ্রাকৃত ভয়। নিজেকে কুৎসিত দেখবে এ ভয় তার নেই। তার রূপ বাহুল্যবর্জিত। অবশ্য দেখতে কেমন তা নিয়ে সে বিশেষভাবে কখনো ভাবেনি। তবু সে আয়না দেখে না। আয়নার সামনে দাঁড়ালেই এক অপার্থিব ভয় গ্রাস করে। শ্রাবন্তীর হাইপারটেনশনের সমস্যাও নেই। তবু নিজের প্রতিবিম্ব দেখলেই তার নিঃশ্বাস দ্রুততর হয়। কপাল ঘামে। বুক ধড়ফড় করে। গলার কাছটায় কী যেন আটকে থাকে। বুকের এক কোণে তীব্র ব্যাথাও টের পায়। মনে হয়, যেন একটু পরই মঞ্চে তার ডাক পড়বে তাৎক্ষণিক অভিনয়ের জন্য। আয়না দেখে শ্রাবন্তী প্রথম ভয় পেয়েছিল ক্লাশ ফাইভে পড়ার সময়। আয়নায় নিজের চেহারা না দেখে মৃত দাদীকে দেখেছিল সেদিন। এখন অবশ্য নিজেকেই দেখে। পারতপক্ষে আয়নার মুখোমুখি না দাঁড়ালেও মাঝে মাঝে বেসিনে মুখ ধোয়ার সময় নিজেকে দেখতে হয়। দেখা মাত্রই চমকে উঠে। মনের ভেতর কে যেন বলে, ‘আরে! এতো আমি! আমি..আমি..আমি..’। অনাকাঙ্ক্ষিত এক ...

Please disable your adblocker or whitelist this site!

error: Content is protected !!