পর্যটন Archives - Mati News
Monday, September 7

Tag: পর্যটন

আর্মেনিয়া থেকে কাতারে প্রথম লেজার চার্টার ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

আর্মেনিয়া থেকে কাতারে প্রথম লেজার চার্টার ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

আন্তর্জাতিক
কাতারের পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান থেকে প্রথম লেজার চার্টার ফ্লাইটটি হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফ্লাইটটিকে স্বাগত জানানো হয়। রুস্তার ট্যুর অপারেটর ও ফ্লাইওয়ান এয়ারলাইন্সের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই ফ্লাইটের মাধ্যমে ইয়েরেভান ও দোহার মধ্যে নিয়মিত আকাশপথের যোগাযোগ স্থাপিত হলো। এয়ারবাস এ৩২০ মডেলের বিমান ব্যবহার করে এই রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।এই চার্টার প্রোগ্রামটি আগামী ২০২৭ সালের ১৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে আর্মেনিয়া থেকে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ পর্যটক কাতারে ভ্রমণ করবেন। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক অস্থিরতার পর এটিই প্রথম লেজার চার্টার ফ্লাইট, যা প্রমাণ করে যে কাতার পর্যটকদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্বাভাবিক গন্তব্য হিসেবে পুরোপুরি প্রস্তুত।বিশ্বমানের এভি...
বরিশালের সাতলায় লাল শাপলার বিল: পর্যটন সম্ভাবনায় নতুন দিগন্তের হাতছানি

বরিশালের সাতলায় লাল শাপলার বিল: পর্যটন সম্ভাবনায় নতুন দিগন্তের হাতছানি

সারাদেশ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা যেন প্রকৃতির এক অপরূপ দান। বর্ষা মৌসুম শেষে শরতের শুরুতে বিলের বিস্তীর্ণ জলরাশি লাল শাপলার চাদরে ঢাকা পড়ে। ভোরের প্রথম আলো যখন শাপলার পাপড়িতে পড়ে, তখন পুরো এলাকা এক মায়াবী রূপ ধারণ করে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, বিলের বুকে কেউ যেন লাল রঙের কার্পেট বিছিয়ে রেখেছে। কেবল শাপলার সৌন্দর্য নয়, এই বিলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা গ্রামীণ জীবন, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং জলাভূমির নিজস্ব সংস্কৃতি সাতলাকে এক অনন্য পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে।প্রতিবছর শাপলা ফোটার মৌসুমে দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমীরা এখানে ভিড় করেন। তবে পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার তুলনায় এখানকার অবকাঠামোগত সুবিধা এখনও সীমিত। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে এবং সাতলাকে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগী হয়েছে। উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজার তত্ত্বাবধানে সৌন্দর্যবর্...
বর্ষায় নতুন রূপ পেয়েছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

বর্ষায় নতুন রূপ পেয়েছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

সারাদেশ
শ্রাবণের অঝোর ধারায় রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার শিলার ডাক এলাকার সুবলং ঝরনা এখন এক অপরূপ সৌন্দর্যের আধার। বর্ষার ভরা মৌসুমে প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে পাহাড়ের বুক চিরে নিচে আছড়ে পড়া জলধারা পর্যটকদের বিমোহিত করছে। কয়েক দশক ধরে দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে পরিচিত এই ঝরনাটি প্রকৃতির এক অনন্য দান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে বরকল উপজেলা প্রশাসন ঝরনার আশেপাশে প্রয়োজনীয় কিছু স্থাপনাও নির্মাণ করেছে।রাঙ্গামাটি সদর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ঝরনায় পৌঁছাতে হয় কাপ্তাই হ্রদ পাড়ি দিয়ে। বোটযোগে হ্রদের শান্ত জলরাশি ও পাহাড়ের কোল ঘেঁষে যাত্রাপথটি পর্যটকদের জন্য এক বাড়তি পাওনা। বর্তমানে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ইঞ্জিনচালিত বোটে করে পর্যটকদের আসা-যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। কেউ পরিবার নিয়ে, আবার কেউ বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে প্রকৃতির এই সান্নিধ্য নিতে ছুটে আসছেন।চট্টগ্রাম থেকে...
গ্রীষ্মের দাবদাহে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামুদ্রিক ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস

গ্রীষ্মের দাবদাহে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামুদ্রিক ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস

Travel Destinations
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে কাতারে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে সমুদ্র ভ্রমণ ও বিভিন্ন ওয়াটার স্পোর্টসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। বিশেষ করে সূর্যাস্তের পর তাপমাত্রা কিছুটা কমে এলে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদেশি পর্যটকরা সান্ধ্যকালীন নৌবিহার এবং দ্বীপ কেন্দ্রিক ভ্রমণে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বর্তমানে দোহা কর্নিশ, দ্য পার্ল-কাতার, লুসাইল মেরিনা এবং পুরাতন দোহা বন্দরের মেরিনা এলাকাগুলো সামুদ্রিক ভ্রমণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ঐতিহ্যবাহী কাঠের ধো (Dhow), স্পিডবোট, প্রাইভেট ইয়ট এবং ডিনার ক্রুজের মতো নানা সুযোগ রয়েছে। সাধারণত ১ থেকে ২ ঘণ্টার এসব নৌভ্রমণে পর্যটকরা কর্নিশ, কাতারা কালচারাল ভিলেজ, দ্য পার্ল এবং ওয়েস্ট বে-র মনোরম স্কাইলাইনের দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। এছাড়া আল সাফলিয়া দ্বীপ, বানানা আইল্যান্ড এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বিশেষ ট্যুরও বেশ জনপ্রিয়। অনলাইনে বুকিং ও ই-পেমেন্টের সুবি...
রামসাগর দীঘি: দিনাজপুরের মানবসৃষ্ট বৃহত্তম জলাধার

রামসাগর দীঘি: দিনাজপুরের মানবসৃষ্ট বৃহত্তম জলাধার

Travel Destinations
বাংলাদেশে অনেক ঐতিহাসিক স্থান এবং স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে যা স্বতন্ত্র সংস্কৃতির। দিনাজপুর জেলায় আমরা কয়েকটি ঐতিহাসিক নিদর্শন, মনুষ্যসৃষ্ট সৃষ্টি ইত্যাদি দেখতে পারি। এর মধ্যে রামসাগর দীঘি অন্যতম একটি পর্যটন এলাকা। রামসাগর দীঘি দিনাজপুরের অন্যতম প্রাচীন স্থান। এটিকে বাংলাদেশের বৃহত্তম মানবসৃষ্ট জলাধার বিবেচনা করা হয়। এটি দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দক্ষিণে সদর উপজেলার তেজপুর গ্রামে অবস্থিত। হ্রদটি একটি উঁচু জমিতে অবস্থিত এবং গ্রামে পানীয় জলের অভাবের কারণে ১৭৫০ থেকে ১৭৫৫ সালের দিকে রাজা রাম নাথের রাজত্বকালে খনন করা হয়েছিল। হ্রদটি প্রকৃতির বৈভব এবং প্রাচীন ইতিহাসের মিশ্রণে ভরপুর।   নৈসর্গিক সৌন্দর্য রামসাগর হ্রদ সত্যিই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি পীঠস্থান যা প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে। রামসাগর দীঘি প্রায় ৭৮ একরজুড়ে। এর পাড় লাল মাটি দ্বারা বেষ্টিত। তদুপরি, এই হ্রদের ...
নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা : ময়মনসিংহের মোহনীয়তা

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা : ময়মনসিংহের মোহনীয়তা

Travel Destinations
বাংলাদেশের কিছু ঐতিহ্যবাহী খেলার স্বকীয়তা রয়েছে। প্রাচীন কাল থেকে, এই বিখ্যাত খেলাগুলোর অস্তিত্ব শুধু আমাদের পরিচয়কে উন্নীত করে না বরং আমাদের প্রাচীন রীতির তাত্পর্যকে দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে। নৌকাবাইচ তাদের মধ্যে অন্যতম। জুন থেকে অক্টোবর মাস তথা বাংলা ক্যালেন্ডারের বর্ষা ও শরৎ ঋতুতে সাধারণত স্থানীয় গ্রামীণ জনগণ এই নৌকাবাইচের আয়োজন করে। বাংলাদেশের বেশ কিছু জায়গায় এই রেসের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য। এই নৌকাবাইচ দীর্ঘ সময় ধরে হাজার হাজার দর্শকের জন্য আনন্দ নিয়ে আসছে। এটা খেলা হয় ব্রহ্মপুত্র নদে। ময়মনসিংহ, জামালপুর, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আসেন। নৌকাগুলি সরু ও ১৫০-২০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। রেসের সূচনা নদীর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে শুরু হয় এবং শেষ লাইনটি যেখানে অবস্থিত সেখানে শেষ হয়। যে নৌকাটি স...