জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬: মিলছে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা, থাকছে নতুন সব বিধান - Mati News
Friday, September 4

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬: মিলছে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা, থাকছে নতুন সব বিধান

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর খসড়ায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বিলটি যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত আকারে সংসদে পাসের সুপারিশ করা হয়েছে এবং বুধবার (২ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

নতুন এই খসড়া অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। কমিশনের তদন্ত চলাকালে যদি কোনো আমলযোগ্য অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায় এবং ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা থাকে, তবে কমিশন সংশ্লিষ্ট আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে। এছাড়া যেকোনো ঘটনার তদন্ত করার এখতিয়ারও কমিশনকে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

আইনটিতে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে ‘জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট’ (এনপিএম) প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। এই ইউনিট কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেইফ হোমের মতো স্থানগুলোতে পরিদর্শন চালাতে পারবে। খসড়া বিলে শুরুতে পূর্বানুমতির শর্ত থাকলেও তা নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষিতে সংসদীয় কমিটি এই পরিবর্তন এনেছে।

কমিশন গঠনের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, কমিশন নিয়োগের সময় একজন নারী এবং একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কমিশনের প্রতিনিধিত্ব আরও সুষম করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ২৭ আগস্ট বিলটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। এরপর বিলটি অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয় এবং ডেপুটি স্পিকার কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার পর বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের বিদ্যমান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন রহিত করে নতুন আইনি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যেই এই বিলটি আনা হয়েছে। সরকারের ভাষ্যমতে, এই নতুন আইনের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারবে।

আজ সংসদে বিলটি উপস্থাপনের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার পর বিলটি চূড়ান্ত পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: প্রাণহানি হাজার ছাড়াল, নিখোঁজ ৪৫০০। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বেলুচিস্তানে হামলা-পাল্টা হামলা, ৫ নিরাপত্তা সদস্যসহ নিহত ২৭। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় গ্রিডে ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়’ রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *