দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশন তাদের কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনেই জমে থাকা বিপুল সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অনুসন্ধান ও তদন্তসংক্রান্ত ফাইলগুলো পর্যালোচনা করে কমিশন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নতুন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন এক সাক্ষাৎকারে দুদক চেয়ারম্যান স্পষ্ট করেছেন যে, কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আমরা কোনো ব্যক্তিকে দেখে সিদ্ধান্ত নেব না। আমাদের ওপর কোনো ধরনের চাপ নেই এবং আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছি।’ বৃহস্পতিবার বেশ কিছু বড় ফাইল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অনুসন্ধান শুরু, মামলা দায়েরের অনুমতি এবং তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কমিশন কাজ করছে। তবে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের আগে অনুসন্ধান ও তদন্তের অনেক ফাইল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। ১৯ আগস্ট বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান চেয়ারম্যান হিসেবে এবং ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া কমিশনার হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকে এই স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে। প্রথম কার্যদিবসেই সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন, কমিশন কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
দীর্ঘ সময় কমিশন শূন্য থাকার ফলে যে ফাইলগুলো আটকে ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় কার্যদিবসেই একটি বড় অংশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ফাইলগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির পথ প্রশস্ত হয়েছে। নতুন কমিশনের এই তৎপরতা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে গতি ফেরাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক কাজ করেছি।




















