Islam Archives - Page 2 of 10 - Mati News
Friday, September 11

Islam

৩০০ জনকে ইফতার দিলো স্বপ্নছায়া

৩০০ জনকে ইফতার দিলো স্বপ্নছায়া

Islam
গত ৯ ই রোজা ও ১৪ ই রোজায় স্বপ্নছায়া প্রায় ৩০০ মানুষের ইফতার এর আয়োজন করেছে। ৯ রোজায় ঢাকার গোড়ান বাজার এতিমখানায় স্বপ্নচায়ার দল ১৩০ জনের ইফতার ব্যাবস্থা করে, এতিম শিশুদের সাথে  তারা দারুণ কিছু সময় কাটায়। ১৪ রোজায় কুমিল্লার শাকতলা ,বিসিক,রেইস কোর্স ৩ টি এতিমখানা ও মাদ্রাসায় এই ইফতার বিতরণ হয়।। ৩০০ মানুষের ইফতার আয়োজন শেষেও তারা থেমে নেই।সামনে তাদের ঈদ এর ইভেন্ট আছে।এখন তারা ঈদ ইভেন্ট এর জন্য মুখিয়ে আছে।...
তাশাহহুদের সময় তর্জনী নাড়ানোর বিধান কি?

তাশাহহুদের সময় তর্জনী নাড়ানোর বিধান কি?

Islam
তাশাহহুদের সময় তর্জনী নাড়ানো শুধুমাত্র দু’আর সময় হবে। পূরা তাশাহহুদে নয়। যেমনটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছেঃ “তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) উহা নাড়াতেন ও দু’আ করতেন।” এর কারণ হচ্ছেঃ দু’আ আল্লাহ্‌র কাছেই করা হয়। আর আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা (তাঁর যাতসত্ত্বা) আসমানে আছেন। তাই তাঁকে আহবান করার সময় উপরে আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করবে। আল্লাহ্‌ বলেন, أَأَمِنتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ أَنْ يَخْسِفَ بِكُمْ الأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ، أَمْ أَمِنتُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ أَنْ يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ “তোমরা কি নিরাপদে আছ সেই সত্বা থেকে যিনি আসমানে আছেন যে, তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না? তখন আকস্মিকভাবে যমীন থরথর করে কাঁপতে থাকবে। অথবা নাকি তোমরা নিরাপদ আছ সেই সত্বার ব্যাপারে যিনি আসমানের অধিপতি তোমাদের উপর কঙ্করবর্ষী ঝঞ্ঝা প্রেরণ করবেন না? তখন তোমরা জানতে পারব...
Reasons why dua is not accepted

Reasons why dua is not accepted

Islam
There are many of us who pray but are not accepted. He/She doesn't get what he/she wants. We have some wisdom from our Creator. God, the All-Knowing, knows the future of everything in the universe. So God knows what is good for us and what is bad for us. What we want for ourselves may not be good for us. And what we don't want is good for us. So not getting what is asked in dua does not mean that Allah did not give anything. The Beloved Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: Soon his dua is granted, it is reserved for the hereafter, or any similar misfortune is removed from his life. " People said, "Then we will pray more and more." He said, "Allah is the Most Generous." (Ahmad 3/17, Hakeem 1/493, Ja-Dul Masir 1/190) Praying for a sinful act or for breaking o...
দুনিয়াতে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত লাভ কি সম্ভব?

দুনিয়াতে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত লাভ কি সম্ভব?

Islam
দুনিয়াতে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত লাভ কি সম্ভব? লিখেছেন শিক্ষক জামাল হোসেন। দুনিয়াতে আল্লাহ্‌র সাক্ষাত বা আল্লাহকে দেখা কি সম্ভব? আমাদের দেশে এমন অনেক শুনতে পাওয়া যায় যে অমুক নাকি আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষাত বা দেখা করে এসেছে। আসলে এই কথা কতটা কতটা সত্য এবং ইসলামে কোরআন ও সহীহ হাদিস কি বলে- এই রকম কথার কোন ভিত্তি নেই। মুসলিমগণ এ কথার উপর এক মত যে দুনিয়াতে আল্লাহ্‌কে চোখে দেখা সম্ভব নয়। পবিত্র কোরআন বলছে, “ কোন চক্ষু তাঁকে দেখতে পায় না এবং তিনি সকল চক্ষুকে দেখে থাকেন আর তিনি সুক্ষ্মদর্শী ও খবর সম্পর্কে অবগত”। (সূরা আনআম, আয়াত-১০৩) তবে মুমিনগন পরকালে আল্লাহ্‌কে দেখতে পাবেন। আল্লাহ্‌ বলেন, “ সেদিন কিছু মুখমণ্ডল উজ্জল হবে, তার প্রতিপালককে (আল্লাহ্‌) কে দেখতে পাবে”। (সূরা কিয়ামাহ, আয়াত: ২২৩) রাসূল (সঃ) কি মিরাজে গিয়ে আল্লাহ্‌কে নিজের চোখে দেখেছেন? কোন কোন সাহাবা (রাঃ) দেখেছেন বলে মত দিয়েছেন কিন্তু যে দল...
রোজা কবে থেকে ও রোজার আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

রোজা কবে থেকে ও রোজার আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Islam
রোজা কবে থেকে ও রোজার  আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জামাল হোসেন:   ৩ এপ্রিল রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ। রোজা ৩০টি হলে ঈদ হবে ৩ মে।  এই পবিত্র মাসে ফরয সিয়াম পালনের জন্য আমাদের কিছু বিষয় জানা দরকার। সিয়াম পালনের কিছু সর্ত যা পূরণ না করলে আমাদের সিয়াম হবে না। আসুন জানি সে বিষয় গুলো কি রোজা কবে থেকে ও রোজার  আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ইমানদার বা মুসলমান হতে হবে। ২) সুস্থ মস্তিষ্কের বা জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ হতে হবে। ৩) বালেগ বা বয়ঃপ্রাপ্ত হতে হবে। * নাবালেগ ছেলে মেয়েরা বেলেগ হলে যাতে ফরয সিয়াম রাখতে পারে সে জন্য রমজান মাসে তাদেরকে কিছু না কিছু সিয়াম পালনের প্রতি উদ্ভুদ্ধ করতে হবে। * সাধারনত চন্দ্র মাসের তারিখ নির্ধারণ করার জন্য চাঁদ দেখা সুন্নাত। তবে সামগ্রিক ভাবে মুসলমানদের উপর ওয়াজিব হল চন্দ্র মাসের তারিখ নির্ধারণ করার জন্য কোন কমিটি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা করা। * সিয়াম পালনে...
কিয়ামত পৰ্যন্ত যে দোয়া সীলমোহর করে সংরক্ষণ করা হয়

কিয়ামত পৰ্যন্ত যে দোয়া সীলমোহর করে সংরক্ষণ করা হয়

Islam
কিয়ামত পৰ্যন্ত যে দোয়া সীলমোহর করে সংরক্ষণ করা হয় (ওযু শেষ করার পর কালেমা শাহাদাত ও অন্যান্য দোয়া পাঠ করে সবশেষে এই দোয়া পাঠ করতে হয়) (সুবহানাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা) হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তাওবা করছি। আবু সাঈদ খুদরী (রা:) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি উযূ করার পর এই দোয়াটি পাঠ করবে তার জন্য এটি একটি সাদা পাতায়/পাতলা চামড়ায় লিপিবদ্ধ করা হয়। অত:পর তা সীল করে দেয়া হয় যা কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত নষ্ট করা হয় না। (সহীহ আত-তারগীব ১৪৭; সিলসিলাহ সহীহাহ ২৩৩৩) আবু সাঈদ খুদরী (রা:) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সা:) বলেছেন, যদি কেউ ওযু করার পর এই দোয়াটি পাঠ করে তাহলে তা একটি পত্রে লিখে তার উপ...
যে যিকিরের পুরস্কার সরাসরি আল্লাহ দিবেন

যে যিকিরের পুরস্কার সরাসরি আল্লাহ দিবেন

Islam
যে যিকিরের পুরস্কার সরাসরি আল্লাহ দিবেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, একবার জনৈক ব্যক্তি এই বাক্যটি বলল। বাক্যটি শোনে আমল লিপিবদ্ধকারী দুই ফিরিশতা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। তারা বুঝতে পারলেন না এ বাক্য পাঠের সওয়াব তারা কিভাবে লিখবে। তারা আকাশে আরোহণ করে বলল, হে আমাদের প্রভু! আপনার বান্দা একটি বাক্য বলেছে। আমরা বুঝতে পারছি না এর সওয়াব কিভাবে লিখব? যদিও আল্লাহ সবকিছু জানেন তবুও জিজ্ঞাসা করলেন, আমার বান্দা কী বলেছে? ফেরেশতারা বাক্যটি পাঠ করে আল্লাহকে শোনালেন। আল্লাহ বললেন, এ বাক্যের সওয়াব লিখার সামর্থ্য তোমাদের নেই। আমার বান্দা যা বলেছে তোমরা সেইটাই লিখে রাখ। সে যখন আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে তখন আমি নিজে তাকে এর প্রতিদান দিব। (ইয়া রব্বি লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লিজালালি ওয়াজহিকা ওয়া আজিমি সুলতানিকা) হে আমার প্রভু! আপনার সুউচ্চ মর্যাদা ও বিশাল রাজত্ব অনুসারে আপনার প...
সুস্থতা  ও সার্বিক কল্যাণের দোয়া

সুস্থতা ও সার্বিক কল্যাণের দোয়া

Islam
আল্লাহর রাসূল সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত এই দোয়া পড়তেন, ১: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরহ। اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، আল্লাহুম্মা! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে সুস্থতা কামনা করছি। ২: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফী দীনি ওয়া দুনইয়ায়া ওয়া আহলী ওয়া মালী। اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ، আল্লাহুম্মা! আমি আপনার কাছে আমার দীন ও দুনিয়া, আমার ধনে-জনের ব্যাপারে ক্ষমা ও সুস্থতা প্রার্থনা করছি। ৩: আল্লাহুম্মাসতুর আওরাতী ওয়া আমিন রাওআতী। اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِيْ وَآمِنْ رَوْعَاتِيْ؛ আল্লাহুম্মা! আমার দোষত্রুটি ঢেকে দিন। আমার ভয়ভীতি দূর করে দিন। ৪: আল্লাহুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়া ওয়া মিন খালফী ওয়া আন ইয়ামীনি ...
সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ

সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ

Islam
সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ । সহীহ সুন্নাহ থেকে ফরজ সালাত সমাপান্তে সবার জন্য পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ উপস্থাপন করা হল: (1) اَللهُ أَكْبَرُ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ، اَسْتَغْفِرُ اللهَ- উচ্চারণ : ১. আল্লা-হু আকবার (একবার পড়বে)। আসতাগফিরুল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)। অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৯৫৯, ৯৬১ ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮।] (2) اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَ الْإِكْرَامِ. ২. আল্লা-হুম্মা আন্তাস্ সালা-মু ওয়া মিন্কাস্ সালা-মু, তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক’। ‘এটুকু পড়েই ইমাম ...
আজ থেকে বহু বছর পর যখন কবরবাসী হয়ে যাবো

আজ থেকে বহু বছর পর যখন কবরবাসী হয়ে যাবো

Islam
আজ থেকে ২০০ বছর পর আমার বাড়িতে, আমার ঘরে যারা বসবাস করবে, যারা আমার জায়গা জমি ভোগ করবে আমি তাদের চিনিনা। তারাও আমাকে চিনবেনা। কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমি কবরবাসী হয়ে যাব। আর ততদিন মুছে যাবে আমার নাম নিশানা। কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আমার সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে! কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মিস করবে আমাকে ততটুকু মিস করবে না। হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে। কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবে না। প্রায় ২০০ বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা। যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি রেখে গেছেন। একিই বাড়ি, একিই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি। কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা। হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন। কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই। ...
ধর্মচর্চায় নারীদের আয়ু বাড়ে

ধর্মচর্চায় নারীদের আয়ু বাড়ে

Islam
এক গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যেসব নারী ধর্মীচর্চায় সপ্তাহে একাধিকবার অংশগ্রহণ করেন তাদের দীর্ঘ আয়ু প্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশী এবং ক্যানসার ও হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম। গবেষণাটি দাবি করছে যেসব মধ্য বয়স্ক এবং বয়স্ক নারী সপ্তাহে একাধিকবার ধর্মীচর্চায় নিয়োজিত থাকেন তাদের হৃদরোগে রোগে নিহত হবার সম্ভাবণা ২৭ শতাংশ কম এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা ২১ শতাংশ কমে যায়। বোস্টনের হার্ভারড টুএইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিকের টাইলার যে ভ্যান্ডারউইলি এবং তার সহকর্মিরা ধর্মীয় চর্চায় অংশগ্রহণকারী এবং নারী মৃত্যুর উপর এই গবেষণা চালান। গবেষণা পত্রটি অনলাইনে জামা ইন্টার্নাল মেডিসিন (JAMA Internal Medicine) প্রকাশ করে। এর জন্য ১৯৯২ থেকে ২০১২ এবং ১৯৯৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ধর্মচর্চা করেছে এমন নারীদের উপর গবেষণা-জরিপ চালানো হয়। আরো পাওয়া যায় নারীদের মাঝে যারা নিয়মিত ধর্মচর্চা করে থাকেন তাদের মাঝে বিষন্নতার প্রবণতা কম এবং বিব...
জুমার নামাজের জামাত ছুটে গেলে কী করবেন?

জুমার নামাজের জামাত ছুটে গেলে কী করবেন?

Islam
জুমার নামাজের জামাত ছুটে যাওয়া বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে যে, মুসল্লি দ্বিতীয় বা শেষ রাকাতের রুকুর পরে জামাতে শরিক হয়েছে কিংবা সালাম ফেরানোর পরে মসজিদে প্রবেশ করেছে অথবা অন্য যেকোনও কারণে জুমার নামাজই পড়তে পারেননি তাহলে এক্ষেত্রে তিনি আর জুমা পড়বেন না; বরং প্রথম অবস্থায় ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর তিনি একাকী দাঁড়িয়ে জোহরের চার রাকাত আদায় করবেন আর যদি দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থার সম্মুখীন হন; অর্থাৎ সালাম ফেরানোর পর মসজিদে প্রবেশ করেন কিংবা যেকোনও কারণে নামাজই পড়তে পারেননি তাহলেও একাকী চার রাকাত জোহর পড়ে নিবেন। উপরোক্ত অবস্থাগুলোতে তার ওপর থেকে জুমার নামাজ রহিত হওয়ার কারণ হল-‘জামাত ছুটে যাওয়া।’ কেননা জুমার নামাজের জন্য জামাত শর্ত। পক্ষান্তরে মুসল্লি যদি জুমার নামাজের এক রাকাতও পায়; অর্থাৎ দ্বিতীয় রাকাতের রুকুর আগে নামাজে শরিক হতে পারেন তাহলে ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পরে একাকী দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট এক রা...
হাঁটু বের হলে কি অজু ভেঙে যাবে?

হাঁটু বের হলে কি অজু ভেঙে যাবে?

Islam
অজুর পরে কোন কারণে যদি হাঁটু বের হয়ে যায় তাহলে অজু ভেঙে যাবে-আমাদের সমাজে এ কথা বেশ প্রচলিত। বাস্তবতা হলো-হাঁটু থেকে কাপড় সরলে অজু ভাঙবে না; বরং প্রচলিত কথাটি ভুল। যেকারণে অজু ভাঙবে না আমরা জানি, অজু ভঙ্গের কারণ ৭ টি। শুধুমাত্র ওই কারণগুলো পাওয়া গেলেই অজু ভাঙবে, অন্যথায় নয়। হাঁটু বের হওয়া অজু ভঙ্গের কোন কারণ নয়। তাই উপরোক্ত অবস্থায় অজু ভাঙবে না। অজু ভঙ্গের কারণগুলো হলো অজু ভঙ্গের কারণ মোট ৭ টি। যথা: এক, পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোনকিছু বের হওয়া। দুই, মুখ ভরে বমি করা। তিন, শরীরের যেকোনও জায়গা থেকে রক্ত, পুঁজ, পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়া (এক্ষেত্রে যদি রক্ত পানি বারবার মুছে ফেলার কারণে গড়িয়ে না পড়ে এবং এ ধারণা হয় যে পানি না মুছলে তা গড়িয়েপড়া পরিমাণ হয়ে যেত তাহলে অজু ভেঙে যাবে)। চার, থুতুর সঙ্গে রক্তের পরিমাণ সমান বা বেশি হওয়া। পাঁচ, চিৎ, কাত কিংবা হেলান দিয়ে ঘোমানো। ছয়, পাগল, মাতাল ...
Are tattoos halal or haram in Islam?

Are tattoos halal or haram in Islam?

Islam
The trend of drawing tattoos on the body all over the world has come mainly from western cultures. Tattoos are usually made by piercing the skin with a needle or similar object, but in most cases, they are permanent and cannot be easily removed. Nowhere in the Islamic Sharia is it permissible to draw such tattoos on the body. Because it is a distortion of the natural creation beauty of the great Allah. Jumhur, that is, most jurists and jurists, have called it haraam and abominable. In the Holy Qur’an it is said, ‘Satan said,‘ I will certainly adopt certain people from among Your servants, will command them to change the form created by Allah. Whoever takes the devil for a friend instead of Allah, is at the loss. '(Surat an-Nisa: 118-119) The Prophet (peace and blessings of Allaah ...
শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রীর তালাক হলে সন্তান কার কাছে থাকবে?

শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রীর তালাক হলে সন্তান কার কাছে থাকবে?

Islam
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রীর মাঝে তালাক হলে শরিয়াহ অনুযায়ী পুত্রসন্তানের সাত বছর ও কন্যা সন্তানের নয় বছর বয়স পর্যন্ত মা-ই তাদের লালন-পালনের অধিকার রাখে। এ সময় মায়ের অনুমতি ও সম্মতি ছাড়া পিতা বা পিতার পক্ষের কেউ সন্তানদের মায়ের কাছ থেকে নিয়ে আসতে পারবে না। এক্ষেত্রে মায়ের সম্মতি থাকলে আনতে পারবে। তবে মায়ের কাছে থাকলেও সন্তানদের ভরণপোষণের দায়িত্ব বাবাকেই নিতে হবে। এ সময়ের ভেতর সন্তানদের মাহরাম (বিবাহ হারাম এমন কেউ, যাদের সঙ্গে দেখা করা বা দেখা দেওয়া জায়েজ ও বৈধ) এমন কারও সঙ্গে যদি তাদের মায়ের ফের বিয়ে হয়, যেমন- সন্তানের আপন চাচার সঙ্গে মায়ের বিয়ে হলো, সেক্ষেত্রে মা সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে পারবে। মাহরাম নয়, এমন কারও সঙ্গে বিয়ে হলে সন্তানদের সঙ্গে রাখতে পারবে না। সেক্ষেত্রে নানী, দাদী, আপন বোন এবং বৈপিত্রেয় বোন পর্যায়ক্রমে ওই সন্তানদের লালন-পালনের হকদার হবে। শরিয়াহ অনুযায়ী প্র...