চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ঝড়-বৃষ্টি, রোদ-বাদলের সঙ্গে তুলনা করে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সময়ের সঙ্গে নানা প্রতিকূলতা এলেও দুই দেশের সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “সম্পর্ক কখনো মেঘলা ছিল, কখনো রৌদ্রোজ্জ্বল, কখনো ঝড়ো হাওয়া ছিল। কখনো বৃষ্টি, কখনো ঝড়—তবুও আমরা চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছি।”
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, কম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।
সম্প্রতি চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, চীনের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্পখাতের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীনের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে তৃতীয় ভাষা হিসেবে চীনা ভাষা চালুর বিষয়েও সহযোগিতা করছে চীন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের বড় সম্পদ। দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি।
তথ্য ও ছবি: সিএমজি




















