দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে এখন থেকে ভ্যাটসহ এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা।
শনিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
এক ভরি স্বর্ণের পরিমাণ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।
বাজুস বলেছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে নকশা অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে।
এ ছাড়া স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। অলঙ্কার পরিবর্তন বা পুরোনো স্বর্ণ-রুপা কেনাবেচার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের প্রচলিত নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে ১৪ আগস্ট স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৪ বার সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৫২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।



















