উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান লি খাইশেংয়ের - Mati News
Sunday, November 8

উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান লি খাইশেংয়ের

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, সিএমজি বাংলা: বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন শাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (এসআইআইএস) ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. লি খাইশেং।

সোমবার ঢাকায় ‘বাংলাদেশ-চীন শাসন অভিজ্ঞতা বিনিময়: দ্বিতীয় রাউন্ডটেবিল’-এর উদ্বোধনী সেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

অধ্যাপক লি বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহব্যবস্থা ও জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ সবমিলিয়ে বিভিন্ন দেশ নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।‘

তিনি বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাতেও দুই দেশের সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে উন্নয়ন, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।‘

চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক লি বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক সমস্যা মোকাবিলার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।‘ তবে তিনি জোর দেন, ‘এ ধরনের আলোচনা একতরফা হওয়া উচিত নয়; বরং এটি হতে হবে দ্বিমুখী অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম।‘

তিনি বলেন, ‘রাউন্ড টেবিলে চীনের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্ধুদের কাছ থেকে স্থানীয় ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে।‘

বাংলাদেশ-চীন একাডেমিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. লি খাইশেং বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ এবং চীনের বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে। সেমিনার, গবেষণা, বৃত্তি, যৌথ প্রকল্প এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের মাধ্যমে এ সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।‘

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়বে এবং পারস্পরিক উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *