চীনের ব্লু ইকোনমি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতার উৎস: ড. কে এম আজম চৌধুরী - Mati News
Monday, October 12

চীনের ব্লু ইকোনমি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতার উৎস: ড. কে এম আজম চৌধুরী

বাংলাদেশের সমুদ্র অর্থনীতি এখনো বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চীনের ব্লু ইকোনমির বিকাশ ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্ন্যান্সের পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী।

রোববার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘চীনের সমুদ্র অর্থনীতি: রূপান্তর, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনা’ বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, চীনের ব্লু ইকোনমির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক শুধু এর বিশাল আকার নয়, বরং এর কাঠামোগত পরিবর্তন।

তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী সমুদ্রভিত্তিক কার্যক্রম— বিশেষ করে মৎস্য ও নৌপরিবহনখাতের পাশাপাশি চীন প্রযুক্তি-নির্ভর বিভিন্ন শিল্পকে সমুদ্র অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি, ব্লু কার্বনসহ নানা উদ্ভাবনী খাত।

ড. আজম চৌধুরী বলেন, ২০১২ সাল থেকে চীন সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশে নীতিগতভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে দেশটির সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমুদ্র অর্থনীতিকে শুধু প্রচলিত মৎস্য বা নৌপরিবহনখাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তি, গবেষণা, শিল্প ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা যখন নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেন, তখন সেই আলোচনা থেকেই বাস্তবসম্মত নীতি ও কার্যকর উদ্যোগের পথ তৈরি হতে পারে।

সেমিনারে চীনের ব্লু ইকোনমির রূপান্তর, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন শাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইয়াং ওয়েই।

সূত্র: সিএমজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *