দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ, যা জাপানে ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ নামে পরিচিত তা রাশিয়ার ভূখণ্ড ‘ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও রাশিয়ার ভূখণ্ডই থাকবে’ বলে মন্তব্য করেছেন রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপ-প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ।
তিনি বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এই দ্বীপগুলোকে ‘অবিচ্ছেদ্যভাবে জাপানের’ দাবি করে দেওয়া বক্তব্যে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
এর আগে বৃহস্পতিবার তাকাইচি বিরোধপূর্ণ একটি দ্বীপে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরের বিরুদ্ধে ‘তীব্র প্রতিবাদ’ জানান। টোকিওতে এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, জাপান এই সফর ‘কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড জাপানের ‘অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড’।
এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার মেদভেদেভ বলেন, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে অবিচ্ছেদ্যভাবে জাপানের ভূখণ্ড দাবি করে তাকাইচি ‘যত খুশি বুলি আওড়াতে পারেন’।
তিনি বলেন, যারা দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকার করতে ব্যর্থ হবে, তাদের এই ভ্রান্ত ধারণার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
চারটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে দুই দেশ যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তি চুক্তিতে সই করতে পারেনি। জাপান পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন রাশিয়াবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেওয়ার পর ২০২২ সালে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মস্কো জাপানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা বন্ধ করবে এবং বিরোধপূর্ণ দ্বীপগুলোতে জাপানি নাগরিকদের ভিসামুক্ত যাতায়াতও বাতিল করবে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, ভ্লাদিমির পুতিন দক্ষিণ সাখালিনস্কে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের মহড়ার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার পর দূরপ্রাচ্যের কুরিল দ্বীপ ইতুরুপ সফর করেছেন। জাপান এই দ্বীপকে ‘এতোরোফু’ নামে অভিহিত করে।
সূত্র: সিএমজি















