চীন ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করা তাদের জনগণের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সঙ্গে, এটি বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারেও অবদান রাখবে। গত বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের বাকুতে এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বিনির্মাণবিষয়ক সম্মেলনের (সিআইসিএ) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
বৈঠকে ওয়াং ই আরও বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন এবং দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তুরস্কের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বেইজিং।
ওয়াং ই বলেন, চীনের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে তুরস্কের ধারাবাহিক অবস্থান এবং চীনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দেশটির ভূমিকার প্রশংসা করে চীন।
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের ৩১তম সম্মেলন (কপ৩১) আয়োজনের ক্ষেত্রে তুরস্ককে সমর্থন জানান ওয়াং ই। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তুরস্কের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আঙ্কারার সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায় চীন।
ফিদান বলেন, তুরস্ক চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং আগামী দিনে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, তুরস্কে বিনিয়োগের জন্য চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাগত জানায় আঙ্কারা। একই সঙ্গে, আরও বেশি চীনা পর্যটককে তুরস্ক ভ্রমণের আহ্বান জানান তিনি।
ফিদান বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় চীনের উদ্বেগ অনুধাবন করে তুরস্ক। দেশটি এক-চীন নীতি অনুসরণ এবং চীনের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলবে। তুরস্কের ভূখণ্ড ব্যবহার করে চীনের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
সূত্র: সিএমজি




















