সেপ্টেম্বর ২৯: গত পাঁচ বছরে নতুন স্তরে পৌঁছেছে চীনের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শক্তিশালী দেশ গড়ে তোলার পথে চীন দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে, যা উচ্চমানের উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রাখছে। আজ (মঙ্গলবার) চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্য কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পঞ্চদশ পঞ্চসালা পরিকল্পনার সূচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইন হ্য চুন এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ২০২৫ সাল নাগাদ চীনের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে মোট বিনিয়োগ ৩ দশমিক ৯২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের ২ দশমিক ৮ শতাংশ। প্রথমবারের মতো এই হার ওইসিডি বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার সদস্য দেশগুলোর গড় স্তরকে ছাড়িয়েছে।
পিসিটি বা আন্তর্জাতিক পেটেন্ট সহযোগিতা চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদনের সংখ্যা এবং উচ্চমানের আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত চীনের গবেষণাপত্রের সংখ্যা টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্বে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
চিউচাং, থিয়ানওয়েন ও ছাং’এ-এর মতো বড় বৈজ্ঞানিক প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। চিপ প্রযুক্তির উন্নয়নে যুগান্তকারী অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ওপেন-সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বড় মডেলগুলো বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। নতুন জ্বালানি চালিত যানবাহন ও রোবটিক্সের মতো উদীয়মান শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী ওষুধ এবং নতুন ফসলের জাতসহ বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সাফল্য সাধারণ মানুষের জীবনেও সুফল বয়ে আনছে।
চীনের উন্নয়ন কৌশলের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক একাডেমি প্রকাশিত ‘জাতীয় উদ্ভাবন সূচক প্রতিবেদন ২০২৫’ অনুযায়ী, উদ্ভাবনী সক্ষমতার দিক থেকে চীন বিশ্বে নবম স্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীন এখন কেবল বৈশ্বিক অংশগ্রহণকারী ও অবদানকারী নয়, বরং ধীরে ধীরে পথিকৃৎ ও নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।
সূত্র: সিএমজি

















